
কবিতার আকাশ ( এপ্রিল ২০২৬ সংখ্যা)
যে দেশে মানুষ অন্ধ আসাদ মান্নান না, আর হলো না দেখা সোনালী যুগের ওই নদী — যে নদী পাখির মতো ডানা মেলে উড়ে

যে দেশে মানুষ অন্ধ আসাদ মান্নান না, আর হলো না দেখা সোনালী যুগের ওই নদী — যে নদী পাখির মতো ডানা মেলে উড়ে

ভাষান্তর- আলমগীর মোহাম্মদ নিকিতা গিলের জন্ম বেলফাস্টে| তাঁর বাবা মা ভারতীয় নাগরিক| তাঁরা বসবাস করেন আয়ারল্যান্ডে| তাঁর বাবা আইরিশ নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন| গিলের যখন

(নগর পর্ব) সবুজে সমুদ্রে তুমি সপ্তবর্ণা রঙের উদ্ভাসে দীপ্তিমাখা চট্টগ্রাম| দিয়েছিলে ঠাঁই একদিন প্রেয়সীর মতো, তোমার দিগন্ত বিস্তৃত আকাশে সূর্যের সোনালি আভা, যেন তুমি

৬৩৯ গল্পগুলো তামার তারে বাঁধা যায় না বুঝা কোনটা খাঁটি, ধাঁধা| গল্পগুলো লেখার আগেই কান্না ছোঁয়ার আগে কাঁদতে পাঠক চান না| ৬৪০ শব্দের

(অক্ষর বিন্যাস- ৫+৭+৫+৭+৭) ব্রততীসম আঁকড়িয়া বাঁধিব মানসাসনে সাধিব সাধনায় নিষ্ফল ব্রত নয়| ২. চলে গেল বন্ধুপ্রতীম প্রত্যক্ষতা হারায় মহাযাত্রায় রব নেয়েছে ডেকে যেতেই

(১) মনপুরে মন পোড়ে ওই দুটি চোখ তার যেনো অসমাপ্ত কবিতা- দহনেও যাচে প্রেম হৃদয় নেয় যে কেড়ে| (২) অখণ্ড নীরবতায়ও থাকে এক

১. কখনো তো মনে হয়না তুমি নেই দেখি তোমাকে দুচোখ বুজলেই ২. একটি গোলাপ ফুটে আছে আঙ্গিনায় ঘ্রাণে তার বারবার খুঁজে নেই তোমায়

অপু বড়ুয়া ঘরবাড়ি নেই, নেই ঠিকানা স্বজনের নেই খোঁজ উদাসী বাউল একতারা হাতে গান গেয়ে যায় রোজ| ধুলো ওড়া পথে, আলপথ ধরে মেঠোপথে

বিপুল বড়ুয়া কোথায় বাবার পাঞ্জাবি পায় না চটি জোড়া কোথায় গেলো চশমা কলম আচ্ছা রেসের ঘোড়া| রুমালখানা উধাও হলো পায় না খুঁজে ছাতা

এক বিম্ববতী দেশিয় মেঘগাছ মাসুদ মুস্তাফিজ গাছে বিদ্যুৎ সংকট- এ নিয়ে আকাশে বসেছে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এদিকে নির্মল আকাশে বৃষ্টি নামাবে মেঘ প্রস্তুতি প্রায় শেষ-

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি