
পদাবলি ( জুলাই ২০২৫ )
গোপন গল্প বিটুল দেব সব মানুষের কোন না গোপন গল্প থাকে যে গল্প বুকে চেপে রেখে নিজেকে নিজে গল্প বলে নিজের গল্পে নিজে শ্রোতা

গোপন গল্প বিটুল দেব সব মানুষের কোন না গোপন গল্প থাকে যে গল্প বুকে চেপে রেখে নিজেকে নিজে গল্প বলে নিজের গল্পে নিজে শ্রোতা

১ পথের বাঁকে বাঁকে দাড়িয়ে নিশ্চুপ এক একটি মুখ কতো শত রূপ পথ চিনিনি এগিয়ে যাবার রকমারি মানুষ যাই চিনে পুরো তিনশ পয়ষট্টি দিনে

উদাসী বায় বাউল মন সদাই পলাতক সুদূরে ধায়। সতর্কীকরণ সামলে চলো উচিত-অনুচিত জীবন পথে। জয়তু আত্মজা তুমি সম্মুখ আহবানে নির্ভীক চলা।

সোনালু ফুলের রেণু ১২. সব শ্মশানের জন্ম হয় নদীর কিনারায় শ্মশানে আগুন জ্বললে পাখিরা দুঃখ পায় নদীজলে ভেসে যায় পোড়া মানুষের ছাই শববাহকের দলে

অস্থির পৃথিবীর মুখোমুখি অস্থির সময় অস্থির পৃথিবী এ কী দেখি– হাজার বছরের সভ্যতা চোখের নিমিষেই ধ্বংসস্তূপে– রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রের অন্দরে হানাহানি যুদ্ধ-বিগ্রহ চলছে রক্তের

খাতুনে জান্নাত নাই হয়ে আছি নীরালোকে দিব্যরথ ওজন বর্জিত মহাশূন্যতায় একতারা দোতারারা মন্দাচ্ছন্ন রাতে ঝাঁপতাল নৈঃশব্দের বিলে হাবুডুবু অস্ফুট আশা-ধ্বনি ধ্বনিগুলো কুড়িয়ে কুড়িয়ে বাঁচি

নূরুল হক ১ লিখেছি ঘুমের পদ্য। ঘুম নিয়ে চোখে অদৃশ্য জগতে তুমি অদেখা বালিকা আকারে ইঙ্গিতে আর আধাঁরে আলোক জ্বালো তুমি অনন্তর রজতের শিখা।

ভূমিকা ও ভাষান্তর: শাহেদ কায়েস পারনিয়া আব্বাসি ২০০২ সালে তেহরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন তরুণ ইরানি কবি ও ইংরেজি ভাষার শিক্ষিকা ছিলেন। পারনিয়া ২০২৫

শামীম নওরোজ সোনালু ফুলের রেণু ০৯. তোমার সামনে সবুজ গোলাপ আছে তোমার ভেতর রঙিন ফানুস ওড়ে আমার সামনে সফেদ জবারা নাচে আমার ভেতর কল্পিত

১. কলি হইতে পুষ্প ফুটিল কাননে সাথে পাখিরা উঠিল ডাকিয়া উপহার পাইলাম নতুন একটা প্রভাত রবি দিল আলো হাসিয়া ধরনীর বুকে প্রাণ প্রকৃতি উঠিল আবার

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে