
গাজী গিয়াস উদ্দিন এর গুচ্ছ কবিতা
ব্যাধিও ভালোবাসে তুমি জানো- কতোটা অন্তর পোড়ে জানি, যেভাবে কর্কট পোড়ে শরীর ব্যাধি কি দেহ ভালোবাসে? প্রতারিত হয়ো না প্রেমিকা হৃদয়ের তাপে সঞ্চিত

ব্যাধিও ভালোবাসে তুমি জানো- কতোটা অন্তর পোড়ে জানি, যেভাবে কর্কট পোড়ে শরীর ব্যাধি কি দেহ ভালোবাসে? প্রতারিত হয়ো না প্রেমিকা হৃদয়ের তাপে সঞ্চিত

শূন্যতার ভার এই মন পোড়ে পোড়ে রয়েছে অবশেষ মৃত মাছেদের নিথর চোখের মতন, বলো, কি করে করি দেহের মাঙ্গলিক চিন্তা যাপনে এই ক্ষণ?

আব্বা আমার আব্বা খুব সাধারণ মানুষ ছিলেন। তিনি খুব সাধারণ কথাবার্তা বলতেন তিনি ভাষার কথা বলতেন, তিনি স্বাধীনতার কথা বলতেন। তিনি বলতেন ‘অ’ মানে

সন্ধ্যা ছোঁয়া শত টুকরো রাত জাগা বৃষ্টির ফলা কান ঘেঁষে সে প্রিয় গানের রেশ ঘন কালো মেঘে কেন জেগে ছিলে রাত হাজার লক্ষ কোটি

প্রাগৈতিহাসিক স্নান সালিম সাবরিন মেঘের জঠর থেকে ঝরে পড়ে প্রাগৈতিহাসিক স্নান তোমার দেহপল্লব বেয়ে নামে বর্ষার নিবিড় অভিজ্ঞান। তুমি যেন হিরণ্যকশিপুর সভার সেই অপ্সরা

( অক্ষর বিন্যাস-৫+৭+৫+৭+৭) ১। আসমানি প্রতীকী সত্যের ঘর সত্য নির্দেশনায় কেন্দ্রভূমিতে, ঘূর্ণায়মান চক্র সত্য অনুসন্ধানে। ২। গোলযোগ নিমগ্ন সত্তা সমাহিত ইন্দ্রিয়

এক. নিষিদ্ধ ব্যাকরণ কোন নিয়তির দাবার চালে এতটা নির্বিকার হলে তুমি? বৈশাখী আঁচলের সেই ওমে কি তবে কোনো নিষিদ্ধ ব্যাকরণ লুকিয়ে ছিল, যার অপরাধে আজ

ক্ষেত ও ফসল বৃষ্টিতে নিষ্ফল হলো শস্যের আবাদ আগাছা মারতে হবে, ক্ষেতের অসুখ কৃষাণি আজ প্রস্তুত ছিলো না মোটেও কৃষক নামলো ক্ষেতে, আগাছা সুদূর

অধ্যাপিকা ধরা যাক, কলেজ থেকে ফিরে তুমি স্নান করে চুল শুকোবার ছলে বসে আছ দিগন্তে বা চেয়ে আছ অনতি দূরে— দেখছ মাঘের প্রথম দিনে

দ্রোহ ১. এক চাষা করেছিলো আশা ছাগলে দেখে লোভ তার খাসা কী চায় কী খায় সব গাছ কই যায় জমিনে দেখে কীর্তিনাশা।

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো