
শব্দের সেতু, হৃদয়ের ঠিকানা
মুন্সী আবু বকর নাজিয়া আহমেদ—পঁচিশের এক স্বপ্নতরুণী— বসে আছে ল্যাপটপের সামনে। স্ক্রিনের সাদা পটভূমিতে মিটমিট করে কাঁপতে থাকা কার্সর যেন তার চিন্তার শূন্যতায় হারিয়ে

মুন্সী আবু বকর নাজিয়া আহমেদ—পঁচিশের এক স্বপ্নতরুণী— বসে আছে ল্যাপটপের সামনে। স্ক্রিনের সাদা পটভূমিতে মিটমিট করে কাঁপতে থাকা কার্সর যেন তার চিন্তার শূন্যতায় হারিয়ে

নূর সালমা জুলি এত বৃষ্টি!!! প্রায় শুকিয়ে আসা দিঘিটা টইটম্বুর। দীর্ঘ সিঁড়ির প্রথম ধাপটা কেবল দেখা যাচ্ছে। দিনের মধ্যভাগ। আকাশটা সকালের মতো উজ্জ্বল। বৃষ্টির

মাহবুব আলী কেউ কেউ জানাজানির পর আপত্তি তুলল। সে-সবের কিছু উড়োকথা। বাতাসে ভেসে বেড়ানো গুজবের মতো কানে আসে। আবিদুর তখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।

ভাষান্তর: জ্যোতির্ময় নন্দী [তানজানিয়ার লেখক আবদুলরাজাক গুর্নাহ্ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান বিগত ২০২১ সালে। ১৯৪৮-এ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জাঞ্জিবার দ্বীপে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬০-এর

পলি শাহীনা গত কয়েকদিন ধরে প্রকৃতির শিরা বেয়ে একটানা বৃষ্টি ঝরছে। দিনগুলো যেনো এক অতলান্ত অন্ধকারে ডুবে আছে। বর্ষার বৃষ্টি কী ভীষণ মায়া, কী গভীর

বিশ্বজিৎ মণ্ডল “উই দেখুন, আরো একটা ডলফিন। দেখুন, দেখুন। যাঃ, ডুবে গেল তো।” রতন পদ্মার জলে ডলফিন আবিষ্কারের আনন্দে চিৎকার করে উঠলো। — ‘কোথায়?

অনন্ত পৃথ্বীরাজ এক. গ্রামের নাম চেংটিয়া। চেংটিয়া গ্রামের ইতিহাস আমাদের জানা নেই। লোকমুখে শোনা যায়—প্রাগৈতিহাসিক কালে এ গ্রামে দস্যু চেঙ্গিস খানের আসা-যাওয়া ছিল। বিভিন্ন এলাকা

রাজকুমার শেখ পাকা ধান রঙের মতো আজকের ভোরটা। সারারাত কেটেছে কুসুমের সঙ্গে গল্প করে। গত রাতে কথায় পেয়েছিল কুসুমকে। সে প্রথম কোনো জংলী জায়গায় তার

কামরুল হাসান বাদল ঘুমের মধ্যেই সঙ্গীতের একটি ব্যঞ্জনা শুনতে পাচ্ছিলাম। তাতে ঘুমটা হালকা হতে থাকল। আর ঘুম ভাঙতে ভাঙতে বুঝতে পারলাম সেটি ছিল মোবাইলের রিং

ভাষান্তর : সাদাত উল্লাহ খান একটা ফুল আমি হাতে নিয়েছি। বাগানের বাইরের ঝোপের মধ্যে লাল ও সাদা ফুয়েঙফা ফুল বেড়ে উঠছে। আমি প্রতিদিন বারান্দা

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে