এখন সময়:রাত ৩:১৯- আজ: শনিবার-১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:রাত ৩:১৯- আজ: শনিবার
১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

অধিকারী

মাইনুল তোহা

কুয়াশার চাদরে মোড়া শীতের সকাল।

শেষরাতে সবাই জেগে উঠেছে, আগেই সাবধান করা হয়েছিল। লিয়ার মা বুড়ির অনুমান ভুল হয় না, অবয়ব দেখে বলে দেয় সবকিছু। শারীরিক পরিবর্তন ধরতে পারে। তার পর্যবেক্ষণে এলাকার মহিলাদের রাখে। প্রায়ই আসে, পরামর্শ দিয়ে যায়। মানুষজন মান্য করে। ধাইয়ের কাজে সিদ্ধহস্ত।

 

বুড়ির আসল নাম কেউ জানে না, হয়তো নিজেও ভুলে গেছে। লিয়া নামে এক মেয়ে ছিলো, মারা গেছে জন্মের কিছুকাল পর। আগে ডাকা হতো স্বামীর নাম জুড়ে। এখন পৃথিবীতে আপন বলতে কেউ নেই। অন্যের দয়া-দাক্ষিণ্যে একরকম বেঁচে থাকা। মাঝে-মাঝে দূরের গ্রামগুলোতে যায়, ভিক্ষা মাগে।

 

লিয়ার মা বুড়ি ভিড় ঠেলে বাইরে আসলো। উঠোনে পায়চারি করছে চিনু পাটোয়ারী, সাথে পরিবারের অন্য সদস্যরা। কান্নার আওয়াজ

 

 

আগেই শুনতে পেয়েছে। অধীর আগ্রহ চোখে-মুখে। দরজায় দাঁড়িয়ে বললো, ‘চিনু মিয়া, তোমার নাতনি হইছে, আমারে কিন্তু নতুন কাপড় দেওন লাগবো।’

‘আলহামদুলিল্লাহ্।’

এটা লিয়ার মা বুড়ির দাবি, অধিকারের জায়গা। এ¬—বংশের তিন পুরুষ প্রথম শ্বাস নিয়েছে তার হাতে।

চিনু পাটোয়ারী মহাখুশি। দীর্ঘ বছর পর কন্যা সন্তানের জন্ম হলো এ—বাড়িতে। নিজের এক ছেলে, ভাইয়ের ঘরেও মেয়ে নেই। লজ্জাশরমের মাথা খেয়ে বারবার উঁকি মারার চেষ্টা করছে আঁতুর ঘরে।

‘আচ্ছা, ঠিক আছে। আমি এখন বাজারের দিকে যাই। বাবুর জন্য গরম কাপড় নিয়া আসি।’

 

চিনু পাটোয়ারীর একমাত্র ছেলে দিনু। বাবা-মার অতি আদরে বিগড়ে গিয়েছিল, স্কুলের নাম করে যেতো সিনেমা হলে। ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিদেশ পাঠিয়ে দিয়েছে।

দোকান-পাট খুলতে অনেক দেরি। চিনু পাটোয়ারী উৎসাহ দমন করতে পারছে না। যার সাথে দেখা হয়, তাকেই সংবাদটি জানায়, হোক চেনা কিংবা অচেনা। চায়ের দোকান আজ উন্মুক্ত।

 

রাতে একটা চাপা যুদ্ধ শুরু হলো। স্ত্রীর প্রত্যাশা বেয়াই বাড়ি থেকে মিষ্টি পাঠাবে। ‘নাতি হইলে, ঠিক আছিল। বংশের বাতি, পাড়াইয়া মাটি দিবো।’ স্বামীর নির্বুদ্ধিতায় বিরক্ত। চিনু পাটোয়ারী সকালবেলা ঘোষের দোকানে গিয়েছিল, সারা গ্রাম মিষ্টি বিলাবে। তার এক কথা, ‘আমার নাতনি, মিষ্টি আমি খাওয়াবো। সারাজীবন যা কামাইছি, সব ওরে দিয়া যামু।’

 

 

সপ্তাহজুড়ে শৈত্যপ্রবাহ। আজ আকাশের অবস্থা কিছুটা ভালো। ভেজা কাপড় আগুনে শুকিয়েছে এ—ক’দিন। শিশুটিকে রৌদ্রস্নান করাবে। ছোটো-বড়ো সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়লো।

হেতিকা বেগম, বয়স ষাটোর্ধ্ব, অনেকক্ষণ ধরে কী যেনো দেখছে। মুখ সামনে বাড়িয়ে সব পাটি দাঁত বের করে, ‘দিনুর বউ, তোরতো চাঁন কপাল, মাইয়া ধলা হইছে, বিয়া-শাদি দিতে সমস্যা হইবো না, ব্যাডারা এমনেই লইয়্যা যাইবো।’

বীথি লজ্জায় মুখ ঢেকে আস্তে করে, ‘দোয়া কইরেন দাদি।’

 

ছোটো-খাটো একটা সংসদ বসেছে ঘরের মেঝেতে। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এই প্রথম দুই পরিবার একসাথে। শিশুটি দেখতে কার মতো, বাবার নাকি মায়ের? রাত শেষ হয়ে যাবে, তর্ক শেষ হবে না। তবে একটা সিদ্ধান্তে আসা গেছে, নাম সিমরান, উপস্থাপক চিনু পাটোয়ারী।

 

 

দিনু দেশে ফিরেছে তিন বছর পর। প্রযুক্তির আশীর্বাদে বাবা-মেয়ের প্রতিদিনই দেখা হতো, কথা হতো। প্রথম দিকে সিমরানের কিছুটা সংকোচ ছিলো। এখন কেউ কাউকে ছাড়া দু’দণ্ড থাকতে পারে না।

 

সন্ধ্যাবেলা একজন আসলো, দিনুর বাল্যবন্ধু। কাছে টানে, সিমরান বাবার দিকে সরে আসে।

‘যাও, তোমার চাচ্চু’, দিনু অনেকটা জোর করে ঠেলে দিলো।

কোলে বসিয়ে চুমু খায়। সিমরান নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে প্রাণপণ চেষ্টা করে। সাথে আনা চকলেটের পেকেট হাতে দিতেই ভোঁ দৌড়।

ঘরে উচ্চ হাসির রোল পড়ে। বলে, ‘দেখছস, তোর মেয়ে আমাকে কেমন ভয় পায়।’

 

দেখতে দেখতে পাঁচটি বছর কেটে গেছে। মনে হয়, এইতো সেদিনের ঘটনা, প্রথম কান্নার শব্দে আন্দোলিত হয়েছিল। সিমরানের খেলার সাথি, সফর সঙ্গী চিনু পাটোয়ারী। হাত ধরে স্কুলে নিয়ে যায়। পথে ফয়েজ মুন্সির সাথে দেখা। কাছে এসে বললো, ‘মিয়া ভাই, বউ নিয়া কই যান?’

সিমরান ভয়ার্ত চোখে দাদার মুখের দিকে তাকালো।

শান্ত স্বরে, ‘বউ না, আমার বোন, স্কুলে ভর্তি করাইছি। জানেন তো, পোলাডারে মানুষ করতে পারি নাই, কতো স্বপ্ন ছিলো। এখন দেখি, নাতনিরে দিয়া সে আশা পূরণ করতে পারি কি—না।’

তাচ্ছিল্যের ভাব দেখিয়ে, ‘হ, মাইয়্যা মাইনষের আবার লেখাপড়া। হেইতো দুইদিন পর জামাইর বাড়ি গিয়া চুলা গুতাইবো। জানেন না, পইড়া লেইখ্যা যারে, কপালে থাকলে হেরে।’

 

সিমরান আজকাল ভয়ে তটস্থ থাকে। অল্প বয়সে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনার সাক্ষী হয়েছে। সবগুলোর অর্থ করতে পারেনি, কিন্তু অস¦স্তি লাগে। ব্যঘ্রদৃষ্টি এড়ানোর চেষ্টা করে। কাউকে বোঝানোর মতো ভাষাজ্ঞান হয়নি।

 

সিমরান সকালবেলা মায়ের সাথে বাজারে গিয়েছিল। অনেক খোঁজা-খুঁজির পর পছন্দের জামাটির সন্ধান মিলে। দোকানি পরিয়ে দেয়, গায়ে হাত বুলায়। গালে চিমটি কেটে, ‘ভাবি, আপনার মেয়ে তো ভারি মিষ্টি। ওর বয়স কতো?’

মা হেসে উত্তর দেয়, ‘মিষ্টি না ছাই। যা দুষ্টামি করে। যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ।’

অচেনা একজন মানুষের সামনে নিজের নিন্দা শুনে সিমরানের রাগ হয়, প্রকাশ করতে পারে না। গম্ভীর হয়ে বসে থাকে।

 

 

দিন আসে দিন যায়, ঋতুচক্রের আবর্তনে বয়স বাড়ে। চিনু পাটোয়ারী গত হয়েছে দুই বছর হয়েছে, তখন সিমরান দশম শ্রেণিতে পড়তো। অসুস্থতার দিনগুলোতে দাদির মনে ঝোঁক ছিলো নাত-জামাই দেখানোর। এ নিয়ে একটা মন কষাকষি এখনও আছে। দাদা ঘোর আপত্তি তুলে, ‘সিমরান ছোটো মানুষ, পড়াশোনা করছে, আগে শেষ করুক। এতো তাড়াহুড়ার কী আছে? নাত জামাই দেখে মারা গেলে কি আমি সোজা বেহেস্তে চলে যাবো?’

 

মা সারাদিন ছোটো ভাইকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সিমরানের প্রতি সবার অবহেলা। প্রায়ই নীরবে চোখের জল ফেলে। কাজে ভুল দেখলে চেঁচিয়ে বলে, ‘তোর কপালে জামাইর ভাত নাই। পরের বাড়িতে এসব চলবো না, উঠতে বসতে উস্ঠা খাবি।’

ভাবি আর দাদিরা অশ্লীল রসিকতা করে, শুনতে ঘেন্না লাগে। বাড়ি ফিরতে দেরি দেখলে, ‘বুঝি বুঝি, সব বুঝি, এ—বয়সটা আমরাও পার করে এসেছি।’

 

কিছুদিন আগে এক মহিলা সিমরানের কাছে এসেছিল আবেদন পত্র লিখিয়ে নিতে। সেদিন কলেজে বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল ছিলো। প্রচুর শ্রম দিতে হয়েছে জয় পেতে। ক্লান্ত শরীর কিন্তু মুখে হাসি। বাড়ির প্রবেশ মুখে দেখে, ‘কীগো, এতো খুশি ক্যা, লাঙ্গ পাইছস নাকি? বাড়ি-ঘর ভুইলা রাস্তায় থাকলে হইবো, আওনের খবর নাই। যখন বিয়া-শাদি দেওনের দরকার অইবো, আমরাইতো দিমু। নে, তাড়াতাড়ি আমার পোলার কামডা কইরা দে।’

‘এখন পারবো না।’

কথাটা শুনেই তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠলো, যেনো টাকায় কেনা গোলামের প্রতি হুকুম।

‘কেন পারবি না? কোনোদিন কি তোগো ধারে কিছুর লাইগ্যা আইয়া বইয়া থাকি? একটা কাম লইয়া আইছি, তাও কইরা দিবি না। লেখাপড়া জানি না বইলা কি অবহেলা করবি, এমনই হালাইন্যা হইয়া গেছি?’

‘শরীর খারাপ লাগতাছে।’

‘সারাদিন টই-টই কইরা ঘুরার সময় শরীর খারাপ লাগে না?’ বলেই সারা বাড়ি জানান দিয়ে বিদায় নিলো।

 

সবকিছুর মাঝেও সিমরানের একটা প্রশান্তির জায়গা আছে। ফয়েজ মুন্সির ছেলে ফাহাদ, প্রায়ই আসে এ—বাড়িতে। দুই পরিবারের মধ্যে মধুর সম্পর্ক, একই রক্তের না হলেও আচার-অনুষ্ঠানে উভয়ের দাওয়াত মিলে।

ফাহাদ ছোটোবেলা বাড়ির সামনে আমগাছের আড়ালে প্রায়ই দাঁড়িয়ে থাকতো। প্রথমদিকে বীথি নিজে গিয়ে নিয়ে আসতো, সম্পর্কে দেবর। সিমরানের চেয়ে পাঁচ বছরের বড়। ফাহাদ সিমরানকে খেলনা-পাতি গড়ে দেয়, পুকুর থেকে কচুরিপানা তুলে আনে। শৈশবের অধিকাংশ স্মৃতি তাকে ঘিরে। বীথি বাইরে গেলে সিমরানকে ফাহাদের জিম্মায় রেখে যায়। এভাবেই পুতুল খেলার বয়স পার করে দু’জন।

 

 

দিনু একেবারে চলে এসেছে, এলাকায় ব্যবসা করবে। আত্মীয়-স্বজনদের অভিযেগের শেষ নেই। কারও বাড়ি যাওয়া হয় না সচরাচর, বিশেষ করে ফুফুর বাড়ি। সীমান্তবর্তী অঞ্চল, যাতায়াত ব্যবস্থা খুব একটা ভালো না। পরিকল্পনা কম করে হলেও দশদিন বেড়াবে, কিন্তু সিমরানের পীড়া-পীড়িতে তিনদিনের বেশি থাকা গেলো না। কী থেকে কী হয়ে গেলো, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে নাওয়া নাই, খাওয়া নাই। ‘আমি এখনই চলে যাবো, তোমরা গেলে যাও, না গেলে না যাও’, বলে ব্যাগ গোছাতে শুরু করলো।

‘এরকম করলে মানুষের সামনে মুখ দেখাবো কী করে? মান-সম্মান সব শেষ, মেয়েকে এই শিক্ষা দিয়েছো?’ সিমরানের বাবা রাগ ঝারে।

 

গ্রীষ্মের ক্লান্ত দুপুর। সিমরান মাথা ঘুরে পরে যায়, চোখ ঝাঁপসা হয়ে আসে, গায়ে প্রচণ্ড জ্বর। কয়েকবার বমি করেছে। সন্ধ্যাবেলা ফাহাদ ওষুধ নিয়ে আসলো।

 

সন্দেহাতীত সম্পর্কগুলো কখন যে বিষবাষ্প ছড়ায়, টের পাওয়া যায় না। বাবা-মা ফুফাতো ভাইকে চোখে চোখে রাখতো। সিমরানকে পছন্দ করে। লজ্জা, ভয় আর সংকোচ মেশানো চলন, সাহসে কুলোয়নি কথাটা বলতে। কিন্তু আদরের ছলে শরীরের ভাঁজে হাত বুলানো ফুফা — কারও নজরে আসেনি।

 

ফাহাদের জন্য কলেজে একটা হট্টগোল বেঁধে গেছে। এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান চলছে। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করবে সিমরান। দেখতে মোহনীয়, চোখে শ্রান্তি আসে। অধ্যক্ষ মহোদয় নিজে সিদ্ধান্তটা দিয়েছেন।

রাস্তার দু’পাশে লাইনে দাঁড়ায় ছাত্রীরা। সবার পরনে রঙ-বেরঙের শাড়ি। জায়গা সংকুলান না হওয়ায়, জনতা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। ভিড়ের মধ্যে বখাটেরা সুযোগ নেয়, মেয়েদের স্পর্শ করে। মান যাওয়ার ভয়ে মুখ খুলছে না কেউ।

ফাহাদ রাগে ফেটে পড়ে, প্রশাসনের আহাম্মকি নিয়ে প্রশ্ন তুলে। তা দেখে সিমরানের বান্ধবীরা টিপ্পনী কাটে, আড়ালে হাসে।

 

সকালবেলা সিমরানকে চিন্তিত মনে হয়েছিল, অনেকটা অগোছালো। তাড়াহুড়া করে ব্যাগ হাতে বেরিয়ে পড়ে। এখনও আসার নাম নেই। এতো দেরি এর আগে করেনি। এক বান্ধবী বললো, আজ নাকি কলেজে যায়নি। দুপুরের দিকে সিমরানের মতো একজনকে হাসপাতালের বারান্দায় দেখেছে, পাশের বাড়ির একজন কথাটা বললো। মুখ ঢাকা, চিনতে পারেনি।

ভয়-উৎকণ্ঠায় বীথির গলা শুকিয়ে আসছে। সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার চিত্র মনের ক্যানভাসে ভেসে উঠে। জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে একবার ভাবলো, সিমরানের বাবাকে খবর পাঠাবে, আবার ভাবলো, থাক আর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করি।

 

বিকেল হতে আকাশে মেঘ জমছে। ফাহাদ সিমরানকে নিয়ে সন্ধ্যাবেলা বাড়ি ফিরলো।

 

সিমরানের শরীরে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে, যা এসময় কাম্য নয়। চেষ্টা করেও সুরাহা হয়নি, ফেরার পথ বন্ধ।

ঘরে খিল এঁটে বসে থাকে। লিয়ার মা বুড়িকে এড়িয়ে চলে, শকুনের চোখ। দেহে যে বীজ অঙ্কুরিত হয়েছে, তা মহীরুহে রূপ পাবে। এখন অপেক্ষার পালা, কেঁদে লাভ নেই। চোখের জলে বাড়বে শূন্যতা, ঘুচবে না অন্ধকার।

 

 

মাইনুল তোহা, গল্পকার, শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক, মতলব উত্তর, চাঁদপুর

আলোকচিত্রশিল্পী রঘু রাই: ক্যামেরার ভেতর দিয়ে একাত্তরের রক্তাক্ত ইতিহাসের সাক্ষ্য

শাহেদ কায়েস বিশ্বখ্যাত ভারতীয় আলোকচিত্রশিল্পী রঘু রাই আর আমাদের মাঝে নেই। ৮৫ বছর বয়সে তিনি পাড়ি জমিয়েছেন অনন্তের পথে। কিন্তু তাঁর কাজ বেঁচে থাকবে আমাদের

লেখালেখি করে কয় টাকা পাও?

মাহফুজা অনন্যা   “লেখালেখি করে কয় টাকা পাও”? এরকম প্রশ্ন লেখক কবির জন্য নতুন নয়! সেদিন আমার এক শিক্ষিত বন্ধুও আমাকে একইভাবে প্রশ্ন করেছিল খুব

মায়ের কোলে শেষ আশ্রয়

প্রজ্ঞাজ্যোতি ভিক্ষু   ‘মা’ আমার — এক অবিরাম ভালোবাসার গল্প মা—এই ছোট্ট শব্দটির ভেতরে লুকিয়ে আছে এক বিশাল পৃথিবী, অফুরন্ত ভালোবাসা আর অসীম ত্যাগের গল্প।

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির দুই বিভাগে বৈশাখী উৎসব উদযাপিত

পাবলিক হেলথ বিভাগ: প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে পাবলিক হেলথ বিভাগের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈশাখী ও পিঠা উৎসব-১৪৩৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল ৩টায়

লিমন- বৃষ্টি : পরকালের শান্তি যেন তোমাদেরকে আলিঙ্গন করে

সাইয়িদ মাহমুদ তসলিম বিশ্বের সব বিশ্ববিদ্যালয় একক হৃদস্পন্দন দিয়ে কান্না করেছে বাংলাদেশি মেধাবী দুই শিক্ষার্থীর জন্য । এ যেন এক বিরল ঘটনা । বিশ্বের এমন