এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

আ.ন.ম. ইলিয়াছ-এর গুচ্ছ কবিতা

বোধ

 

সূর্যোদয়ে

দুখের লাঙ্গলে জমি চষি প্রতিদিন

জীবন জমি।

ঘামের জলে রক্ত সারে স্বপ্ন বীজ বুনি

কষ্ট খুন্তীতে নিড়ানি দিই

স্বপ্ন বৃক্ষে ফুল হয়, হয় ফল।

 

সূর্যাস্তে

জীবন জমির শেষ প্রান্তে এসে দেখি

আমি ছিলাম এক বর্গা চাষী,

শুধু -ই বর্গা চাষী।

 

 

 

 

 

বাবা

 

আজন্ম বহন করে চলে

তাতানো দায়িত্বের বোঝা

রৌদ্র ঝলসানো তামাটে কাঁধে।

 

বিবর্তিত সময়ে জীবনের ক্লান্তি লগ্ন

নুয়ে পড়া দায়িত্বের আনন্দিত সমর্পণ

বাবা-ই সোয়ারি কর্তব্যের সাম্পানে।

 

 

 

 

বার্ধক্য

 

জীবন যেন একস্রোতি নদী

বার্ধক্য তার মরা নদীর নহর

মূর্খতা আজ যৌবনের স্বাদ খোঁজা

কর্ম-ই সাজায় বেলা শেষের বহর।

 

শৈশবের মতো অল্পতে মান অভিমান

প্রয়োজন ফুরোয় দেশে দশে খোঁজা,

নিজেই নিজের বেলা শেষের সখা

সময়ের অধিক বেঁচে থাকাই বোঝা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রাপ্তি

 

জীবনের অর্জন রইলো না কিছুই

কালের প্রবাহে অন্যের কাছে

জীবনের প্রাপ্তি সাড়ে তিন হাতে

মহাকালে মিশে গেছে।

 

 

 

 

 

আজব ভাবনা

 

আমার দেহ বলছি সবে,তবু

আমি আমাতে চলছে খেলা,

আমি দেহ বুঝবি যখন

বুঝবি তখন সৃষ্টির লীলা।

 

সৃষ্টি লীলা খুঁজতে গেলে

পাবিনা খুঁজে আমি’র নিবাস,

আমি যদি দেহখানা হই

দেহখানা তখন কার নিবাস!

 

দেহের মাঝে নদী আছে

আগুনের কুপি তার ভেতর,

জ্বালাবে যখন আগুনের কুপি

চিনবে তখন আপন পর।

 

উপরে আগুন,নিচে আগুন,

কাম আগুনে দিচ্ছে শক্,

উপর আগুন জ্বালিয়ে হলেন

মনসুর হাল্লাজ আনাল হক।

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো