এখন সময়:রাত ১২:২০- আজ: বৃহস্পতিবার-১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:রাত ১২:২০- আজ: বৃহস্পতিবার
১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

লক্ষ্মীপুর জেলা সাহিত্য সংসদের ২৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : গত ১১ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর জেলা সাহিত্য সংসদের ২৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাহিত্য সম্মেলন ২০২৬ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সাহিত্য সংসদের সভাপতি ডা. মো. সালাহউদ্দিন শরীফের সভাপতিত্বে সম্মেলনে ” আঞ্চলিক সাহিত্য সংগঠন এবং সাহিত্য আন্দোলন ” শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক গাজী গিয়াস উদ্দিন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব বিশিষ্ট লেখক ইয়াসমিন সুলতানা। উদ্বোধন করেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কবি আসাদ কাজল। আলোচনায় অংশ নেন মানবাধিকার কর্মী শামছুল করিম খোকন,অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম তপন,জেলা কালচারাল অফিসার মনিরুজ্জামান মনির, সাহিত্য সংসদের সহ সভাপতি মোরশেদ আলম হাওলাদার, জেলা জাসাস সভাপতি ড্যানি চৌধুরী শাকিক ও মাহবুবুর রশীদ চৌধুরী।
সম্মেলনে ১৩ জন কবি লেখককে সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে সাহিত্য কুইজ প্রতিযোগিতা, স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।
জেলা সাহিত্য সংসদ সম্মাননা পেয়েছেন কবিতায় ছড়াকার আলম হোসেন,নাট্য গবেষণায় ড. বাবুল বিশ্বাস, প্রবন্ধে মুহাম্মদ ফরিদ হাসান, অনুবাদে মাইনুল ইসলাম মানিক,,সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনায় চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার,আবৃত্তিতে মলিনা মজুমদার। বাংলা আওয়াজ লেখক সম্মাননা পেয়েছেন কবিতায় কবি আযাদ কামাল ও বকুল আক্তার দরিয়া। সাংবাদিক সাহিত্যিক সানাউল্লাহ নূরী সাহিত্য সম্মাননা পেয়েছেন কথাশিল্পী নিমগ্ন দুপুর। কবি মুস্তাফিজুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা পেয়েছেন সংগীত সাধনায় মাহবুবুল বাসার এবং জেলার বর্ষসেরা কবি সম্মাননা পেয়েছেন কবি সালেহা খানম ও ফারিয়ান তাহরীম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শিমু চৌধুরী ও ফখরুল ইসলাম। সংগীত পরিবেশন করেন তাইফুল ইসলাম এবং কবিরা কবিতা আবৃত্তি করেন।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি