এখন সময়:রাত ১২:২৯- আজ: শুক্রবার-৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ১২:২৯- আজ: শুক্রবার
৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

আবুল ফজল : বাঙালি মুসলমান সমাজের বিবেকের কণ্ঠস্বর

ইসরাইল খান

বাংলার নবজাগরণের সার্থক উত্তর-সাধক মনস্বী আবুল ফজল ছিলেন বাঙালি মুসলমান সমাজের বিকাশের এবং বিবেকের এক অন্যতম প্রধান কারিগর। বিশ শতকে মুসলমান সমাজকে যতোগুলো সংকট ও সন্ধিক্ষণ মোকাবেলা করতে হয়েছে তিনি ছিলেন সেই দুঃসময়ের নিঃশঙ্কচিত্ত বুদ্ধিজীবী। বুদ্ধির রন্ধ্রগ্রন্থি বিমোচনের মাধ্যমে উন্মোচন করেছেন মুক্তির পথ ও পন্থা। সেজন্য দেখা যায়, শিখা গোষ্ঠীর অন্যতম সদস্য আবুল ফজল সাতচল্লিশের বিভাগ পরবর্তীকালে আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ ও কাজী আনোয়ারুল কাদির প্রমুখের অনুপস্থিতিতে পাকিস্তানের বাসিন্দা আবদুল কাদির, কাজী মোতাহার হোসেন ও মোতাহের হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে পুরো পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক আমলে সজাগ বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালন করে প্রগতির ধারাকে সচল রেখে স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির মহান ক্ষণে পৌঁছে দিয়েছিলেন। ঐকালে (১৯৪৭-৭১) আবুল ফজল যদি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বাঙালি সংস্কৃতি ও বাঙালি জাতির প্রতি মমত্ব ও দায়িত্ববোধ না করতেন, পালন না করতেন যথার্থই বিবেকের অতন্দ্র প্রহরীর ন্যায় নীতিনিষ্ঠ বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা, তাহলে বাঙলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম কতোটা বিলম্বিত হতো তা বলা যায় না। আইয়ুবী শাসনামলেই তিনি পালন করেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কারণ ঐকালে অন্যান্য বুদ্ধিজীবী স্বকীয়তা ও সম্মান হারিয়ে বসেছিলেন।
পাকিস্তান সৃষ্টির পর অবাঙালি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বাংলা ও বাঙালি-সংস্কৃতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্য এদেশে ১৯৪৭ সাল থেকেই প্রতিরোধ সংগ্রামের শুরু হয়। চট্টগ্রাম ও ঢাকার সেসব প্রতিরোধপন্থা ছিল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্মেলনের আয়োজন ও তার অনুষ্ঠান। সাময়িকপত্র প্রকাশের মাধ্যমে চিন্তা-চর্চার ধারাকে সক্রিয় রেখে বুদ্ধিকে শাণিত করার ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়।
দেখা যায়, এই দুটো মাধ্যমেই আবুল ফজল অগ্রণীর ভূমিকা পালন করেছেন। তরুণ যুবক যাঁরাই বাঙালির স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট কোনো উদ্যোগ ঐকালে গ্রহণ করেছেন, তাঁরাই ছুটে গিয়েছেন আগে মনীষী আবুল ফজলের কাছে। তিনিও দু’হাতে সাহায্য করেছেন তাঁদেরকে। নিজের ক্ষতির চিন্তা না করে সময়ের সংকট উপলব্ধি করে জাতির করণীয় সম্পর্কে লিখেছেন সৃজনশীল সব কালজয়ী প্রবন্ধ। এইসব প্রবন্ধে উপস্থাপিত যুক্তি দ্বারা বুদ্ধির মুক্তি ঘটিয়ে সঠিক পথে চালিত করেছেন জাতিকে। যেমন পূর্ব বাংলার প্রথম প্রগতিশীল সাময়িকপত্র সীমান্ত ১৯৪৭ সনেই প্রকাশিত হয় আবুল ফজলের চট্টগ্রাম থেকে। তিনি ছিলেন সীমান্তের প্রথম সংখ্যার অন্যতম প্রধান লেখক। ১৯৫০ ও ১৯৫১ সনে হরিখোলার মাঠে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শিল্প ও সাংস্কৃতিক সম্মেলনের কথা সকলেরই জানা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বহু গবেষণা-গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে দিতে চায়নি। কিন্তু বর্ষীয়সী মনীষী আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ ও আবুল ফজলের জন্য তা বানচাল করা সম্ভবপর হয়নি। সাহিত্য বিশারদ ছিলেন অনুষ্ঠানের মূল সভাপতি এবং আবুল ফজল ছিলেন অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি। এই সাংস্কৃতিক সম্মেলনের সার্থকতা পরবর্তীতে ১৯৫২ সনে কুমিল্লায়, ১৯৫৪ সনে ঢাকার কার্জন হলে এবং ১৯৫৭ সনে কাগমারীতে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত করার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল। সেদিন চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক সম্মেলন ব্যর্থ হলে এইসব ধারাবাহিক আন্দোলন আর বিকশিত হতো না। অতএব মনস্বী আবুল ফজল ইতিহাসের দর্শন দিয়ে ঐ সাংস্কৃতিক সম্মেলনের তাৎপর্য সঠিকভাবেই উপলব্ধি করেছিলেন এবং চট্টগ্রাম থেকেই এই আন্দোলনের উদ্বোধন করে দিয়েছিলেন বন্ধুর হলেও সেই সরণি বেয়েই মুক্তিকামীরা মহাসংগ্রামের মহান একাত্তরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।
১৯৫১ সনেই চট্টগ্রাম থেকে প্রগতিশীল পত্রিকা ‘পরিচিতি’ প্রকাশিত হয়। যাঁর উদ্যোক্তারাও গিয়েছিলেন আবুল ফজলের কাছে। তিনিও বিমুখ করেননি তাঁদেরকে। ‘ধর্ম ও সাহিত্য’ শীর্ষক প্রবন্ধ দিলেন তাঁদের। প্রথম সংখ্যার প্রথম লেখারূপে ‘ধর্ম ও সাহিত্য’ ছেপে পরিচিতি যাত্রারম্ভ করে বৈশাখ ১৩৫৮তে। তখনকার পাকিস্তানপন্থী বুদ্ধিজীবীরা ধর্মের নামে বাঙালি মুসলমানকে শোষণ করতে চেয়েছিল। তিনি ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা তুলে ধরলেন। ১৯৫৭তে প্রকাশিত হয় ‘সমকাল’। সামরিক শাসনের সময়ে ১৯৫৮ সনে প্রকাশিত হয় ‘উত্তরণ’। আর এই কালটা (১৯৫৮-৬৮) ছিল বাঙালির ক্রান্তিলগ্ন। তখন আবুল ফজল রইলেন নিঃশঙ্কচিত্ত, জাগ্রত, উন্নত শির। আইয়ুব খানের বিভিন্ন দমন-পীড়ণমূলক ব্যবস্থার কাছে নতি স্বীকার করে সকল বুদ্ধিজীবী বিবরে মুখ লুকিয়েছিলেন। তালা লাগানো ছিল তাঁদের বিবেকের ঘরে। আবুল ফজল জাতির বিবেক লেখকসমাজের অন্তরে সাহস সঞ্চারের মহতী উদ্দেশে লিখলেন— বনের বাঘ ও মনের বাঘের রূপকে ভয়মুক্তির যুক্তি— ‘ শিল্পীর স্বাধীনতা’। বললেন পাশ্চাত্য দার্শনিকের বরাতেই যদিও, কিন্তু একটু কৌশল না নিলেও তো নয়!: পোষা বাঘ যেমন পুরোপুরি বাঘ নয়, তেমনি পোষা শিল্পীও খাঁটি শিল্পী নয়।
আইয়ুব খান যখন ‘লেখক সংঘ’ তৈরি করে লেখক সাহিত্যিক কবি শিল্পীদের সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করার নামে বশ্যতা স্বীকারের ফাঁদ পাতলেন মায়াজালের আবরণে, মনের ও অর্থের দিক দিয়ে দরিদ্র ক্ষীণযোগ্যমনস্ক বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা তাতে হুড়োহুড়ি কামড়াকামড়ি মারামারি করে কে কার আগে যাবে এমন করে ভিড়ে গেলেন সে সঙ্ঘে। এই কাজের মধ্যদিয়ে তাঁরা প্রকারান্তরে জাতির চিন্তাকেই শৃঙ্খলিত করার কাজে পরম উৎসাহে বিপুল উদ্দীপনায় নিয়োজিত হয়েছিলেন। সেই কালের প্রেক্ষাপটে আবুল ফজল জাতীয় স্বার্থে, দেশের বিবেক বুদ্ধি ও চিন্তার শৃঙ্খল মোচনের লক্ষ্যে শিল্পীদেরকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন ঐ প্রবন্ধে, যেনো তাঁরা পোষা বাঘ না হন। কারণ দেশের ও স্বয়ং লেখকের জন্য ‘লেখকের স্বাধীনতা অত্যাবশ্যক’। লেখকের স্বাধীনতা যে শুধু লেখকের জন্যই প্রয়োজন তা নয়। দেশের জনসধারণের জন্যও তা অত্যাবশ্যক। অফিশিয়াল পয়েন্ট-অব-ভিউর রোলার চালাতে গেলেই শিল্প স্বধর্ম হারাতে বাধ্য। শিল্পী স্বধর্ম হারালে সমাজও স্বধর্ম তথা মানবধর্ম না হারিয়ে পারে না। সাহিত্যের প্রাণবায়ু ও তার বিচিত্র অনুভূতি থেকে যে সমাজ বঞ্চিত সেই সমাজ অপরিণত মানুষের সমাজ তথা ‘ছোটলোকের সমাজ’। সে সমাজের চাওয়া-পাওয়া, বাসনা-কামনাও হবে তেমনি ক্ষুদ্র ও সামান্য। সে সমাজের পক্ষে বড় কিছু করার, মহৎ কিছু গড়া, এমনকি বৃহৎ কিছু আকাঙ্ক্ষা করাও সম্ভব নয়।
‘সমকালের’ সংস্কৃতি-চর্চায় চিন্তাবিদ আবুল ফজলের সঙ্গে আবদুল হক প্রমুখ মনীষীও ছিলেন। কিন্তু সমকালেও তিনি কালের দাবি মিটিয়ে দুর্দান্ত সব অনলবর্ষী স্পষ্টতই বিপ্লবাত্মক রচনা লিখেছিলেন। তার একটি হচ্ছে ‘সাহিত্যের সঙ্কট’। এই প্রবন্ধের কিছু উদ্ধৃত করি—।
‘এ যুগের সাহিত্যিক শিল্পীরা কালের ও রাষ্ট্রের যূপকাষ্ঠে একরকম বলি বললেই চলে। শহীদ তাঁরা নন, তারা আজ হাঁড়ি কাঠের বলি। স্বাধীনতার পর দেশের যা অবস্থা হয়েছে সে অবস্থার যূপকাষ্ঠে সাহিত্যিক শিল্পীরাই হচ্ছেন নির্ভেজাল বলি। স্বাধীনতার পর থেকে ভাষার ওপর চলেছে এক উৎপাত, যে ভাষা হচ্ছে সাহিত্যিকদের আত্মপ্রকাশের প্রথম ও প্রধান হাতিয়ার। যে আবেগ ও প্রেরণা মহৎ রচনার প্রাণ যা সাহিত্যশিল্পীকে রচনায় করে তোলে উদ্বুদ্ধ, যা নিয়ে আসে এক অনির্বচনীয় তন্ময়তা তা আজ অনুপস্থিত। দেশের জন্য ও দেশের মানুষের জন্য সেই আবেগ ও প্রেরণা আজ রুদ্ধগতি। দেশ বা জাতির কোন চেহারাই আজ আমাদের মানসপটে ফুটে ওঠে না। ‘’
পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা সাহিত্যের সংকটকে আবুল ফজল যেমনি গ্রহণযোগ্য হৃদয়স্পর্শী ভাষায় ব্যক্ত করেছিলেন, যা ছিল ‘সমকালে’রও সংগ্রামের মূলমন্ত্র তার আর বিকল্প বিশ শতকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি লিখেছিলেন, [ অরিজিনাল উদ্ধৃতি ?] একথা তো ঐতিহাসিক সত্য, পশ্চিম পাকিস্তানের সাহিত্যের শুধু যে ভাষা ছিল পৃথক, তাই নয় তার মন মেজাজ, জীবন-জিজ্ঞাসা, এমনকি লৌকিক, জাগতিক ও পারলৌকিক দৃষ্টিভঙ্গি আর শিল্পরূপও পৃথক। পাকিস্তানের দুই অংশের ইতিহাস ভূগোল ও ঐতিহ্য সম্পূর্ণরূপে আলাদা। দুই অংশের মধ্যে ভৌগোলিক দূরত্ব এত বেশি ছিল যে, দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে ঐক্য স্থাপন সম্ভব ছিল না। এই দূরত্ব প্রাকৃতিক বলেই আরো দুর্লঙ্ঘ। ইংরেজদের সঙ্গে আমেরিকাবাসীর যতখানি মিল আমাদের ততখানি মিলও নেই। ওদের বংশ এক, ধর্ম এক, ভাষা এক, আচার-বিচার, পোশাক-পরিচ্ছদ পর্যন্ত এক। তবু ওরা এক রাষ্ট্র বা এক জাতি হতে পারেনি। বাঙালি মুসলমানের সঙ্গে পশ্চিম পাকিস্তানি মুসলমানের এক ধর্ম ছাড়া সব ব্যাপারেই ছিল গরমিল। এক ধর্মই যদি রাষ্ট্র বা জাতির মূল ভিত্তি হয় তাহলে আফগানিস্তান আর পাকিস্তান এক রাষ্ট্র বা এক জাতি নয় কেন ? ইংরেজ আর ফরাসীই বা এক নয় কেন? অথচ ইংল্যান্ড আর ফ্রান্সের মাঝখানে একটি মাত্র খালের ব্যবধান, যেখানে পূর্ব পাকিস্তানের ব্রজেন দাসও সাঁতরে পার হতে পারেন।

সাহিত্যের মূল্য ও ভূমিকা বুঝতে হলে সাহিত্যকে সাহিত্য হিসেবে দেখার একটা নির্লিপ্ত দৃষ্টিভঙ্গি অত্যাবশ্যক। রাজনৈতিক দল ও সুবিধা-সন্ধানীরা এই দৃষ্টিভঙ্গি আয়ত্ত করতে পারছেন না বলে সেকালের মতো আজও সাহিত্যিক, সাহিত্য প্রতিষ্ঠান ও সাহিত্য সম্পর্কিত অনুষ্ঠানাদি এক অবাঞ্ছিত শিকারের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। ফলে জাত লেখক ও সাহিত্যসেবীরাও আজ অনেকটা দিশাহারা। সব দেশের মতো আমাদের দেশেরও সাহিত্যের ভবিষ্যৎ দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয়তার সুষ্ঠুরূপ গ্রহণের ওপর নির্ভরশীল। অথচ ঔপনিবেশিকতার অবসানের পঞ্চাশ বছর পরও আমাদর সাহিত্যিক সাংস্কৃতিক আদর্শ লক্ষ্য ও জাতীয়তার প্রশ্ন মীমাংসিত হতে পারেনি। ১৯৬০-এর প্রান্তে আবুল ফজল যে মন্তব্য করেন তা আজও স্মরণযোগ্য। দুঃখের বিষয়, একবিংশ শতকের সংকট মোকাবেলা করার যোগ্য মেরুদণ্ডসম্পন্ন সৃজনশীল চিন্তক বুদ্ধিজীবী আমাদের সমাজে এখনও দুর্লক্ষ্য।

ইসরাইল খান : প্রাবন্ধিক ও গবেষক, ঢাকা

আবুল ফজল : বাঙালি মুসলমান সমাজের বিবেকের কণ্ঠস্বর

ইসরাইল খান বাংলার নবজাগরণের সার্থক উত্তর-সাধক মনস্বী আবুল ফজল ছিলেন বাঙালি মুসলমান সমাজের বিকাশের এবং বিবেকের এক অন্যতম প্রধান কারিগর। বিশ শতকে মুসলমান সমাজকে যতোগুলো

মেরিল্যান্ড ডিসি বই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তসলিমা নাসরিন : যতদিন বেঁচে থাকি-  প্রগতিশীলের পক্ষে, ধর্মান্ধ মৌলবাদের বিপক্ষে আমার লেখা ও লড়াই চলবে

সাইয়িদ মাহমুদ তসলিম : নির্বাসিত লেখিকা ও  কবি তসলিমা নাসরিন বলেছেন, যতদিন বেঁচে থাকি , আমার লড়াই ও প্রতিবাদ থাকবে ধর্মান্ধ মৌলবাদের বিরুদ্ধে। অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল

‘কবিতার কথা’ চট্টগ্রাম আড্ডায় বক্তারা : ‘শুদ্ধতাই হোক কবিতার বুনিয়াদি রূপ’

রুহু রুহেল : ২৮ জুন ২০২৬ রবিবার সন্ধ্যায় অনাড়ম্বররূপে মুগ্ধতার কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হলো ‘কবিতার কথা চট্টগ্রাম আড্ডা’র ব্যানারে, মহিলা অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে।

বাংলা আমার প্রণোদনা পুরস্কার-২০২৬ পেলেন সংস্কৃতিকর্মী

চিংলামং চৌধুরী “শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চায় বিকশিত হউক নতুন প্রজন্ম” প্রতিপাদ্যে দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি-এর জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলা আমার উৎসব-২০২৬।

শুদ্ধ সংগীতের সুরে মুখর সীতাকুণ্ড সুরনন্দনের ১ম বার্ষিক সঙ্গীত সম্মিলন অনুষ্ঠিত

দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য : সীতাকুণ্ডে শুদ্ধ সংগীতচর্চার এক অনন্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সুরনন্দনের ১ম বার্ষিক শাস্ত্রীয় ও উপ-শাস্ত্রীয় সঙ্গীত সম্মিলন। গত ২ জুন ২০২৬