এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

তৈমুর খান-এর গুচ্ছ কবিতা

আত্মসন্ধান

 

সুন্দর সুন্দর অন্ধকার যুবতী নারীর মতো

ঘিরে ধরেছে সভ্যতাকে

কে কোথায় হাত বাড়াচ্ছি

কে কোথায় এগিয়ে যাচ্ছি কার দিকে

কিছুই জানি না তার

 

আমরা কি মানুষ ছিলাম?

আমাদের বৃদ্ধ পিতামহ পাথর কেটে কেটে

তৈরি করেছিল বাড়ি?

 

নিজের শরীরের গন্ধ শুঁকে শুঁকে দেখি

এখনো কি লেগে আছে মাটি?

যুবতী অন্ধকারে আমাদের যুবক ইচ্ছারা

আজও খুঁজে ফেরে শয়নঘর

 

আমাদের কথা কেউ শুনতে পায় আর?

কত কথা ওঠে

কথারা ফাঁদের মতো পরস্পরকে জড়ায়

তারপর কাছে টানে—

আরও কাছে,আরও কাছে—

যেখানে জমাট অন্ধকার

 

সভ্যতায় তবুও দোকান খোলে আলো

মাঝে মাঝে ঘন্টা বেজে ওঠে

মাঝে মাঝে অদ্ভুত জন্তুদেরও দেবতা মনে হয়

 

 

 

 

আমার আত্মা শুধু কাঁদে

 

তোমরা সবাই উন্মাদ হয়ে যাচ্ছ একে একে

উন্মদের কারখানায় তীব্র রাজনীতি

দাউ দাউ হিংসা জ্বলে ওঠে দারুণ অগ্নিশিখা

 

রোদ্দুর ভেবে যা কিছু ছড়াচ্ছ আজ সভ্যতার খেতে

সবই হিংসার বীজ আর অঙ্কুরিত চারা

মানবিক কৃষির সংকটে শুধু দীর্ঘশ্বাস ঝরে

 

কোথায় দাঁড়াবে দু’দণ্ড তবে?

ভ্রাতৃঘাতী মেঘ জমছে আকাশে

এ বর্ষণে স্নেহ নেই, দুর্যোগের বজ্রে ভরা

 

বিভেদের রেখা টেনে টেনে বাঁশি বাজে

সে সুরে মোহিত হও কারা?

আমার আত্মা শুধু কাঁদে, দু’কূল হৃদয় নদী অশ্রু ভরা!

 

 

 

রূপপুর

 

গ্রামের নাম রূপপুর, ঘোড়াগুলি রূপক

আমরা সবাই রওনা হলাম

রাস্তা অনেক দূর

পথের মাঝে নদী আছে,তার নাম সময়নদী

পেরিয়ে গেলেই রাজার বাড়ি

রাজপ্রাসাদ এক স্বপ্নপুরী

 

ধারণাগুলি জিরিয়ে নিচ্ছে,জেগে উঠছে

আমরা শুধু গল্প শুনছি, গল্পের ভেতর পাখি উড়ছে

অনেক রকম সেসব পাখি

 

অনুভূতিরাই একে একে দরজা খুলে ঢুকতে চাইছে

আসলে দেহ আর কেহ নয়

মনই শুধু ভেঙে ফেলছে বাস্তবে তার যত সীমানা

 

ছুটছে সবাই

কেউ কি জানে রূপপুরের কোন্ ঠিকানা?

 

 

 

 

 

সন্নিধান

 

তুমি তো আলো,

অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসো—

আজ সব রাস্তা ফাঁকা

পড়শিরা বাউল শুনতে গেল

 

ঝড় গেছে, বজ্র-বৃষ্টি-বন্যারাও

একে একে সবাই

আমিই শুধু স্বপ্নের কাছে

তোমার উজ্জ্বল ঠোঁট প্রার্থনা করেছি

 

বহু দুর্গম পথ—

পথে পথে ঘাতকের চিহ্ন পড়ে আছে

যদিও ঘাতকেরা বন্ধুর মতো—

আমাদের সহনশীল রাস্তা দেখায়

 

দুর্জয় দোকান খুলে রেখেছে কোথাও

ওর কাছে চলো দু’দণ্ড বসি

শ্রদ্ধা কমেনি আমাদের

দেশ-ভক্তিও আরোগ্য পেয়েছে

 

হাত বাড়াও—

অন্ধকে স্পর্শ করো হাতে

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো