এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

মামা, আমরাতো তিন দিন আগের থেকেই ওরে খুঁজতেছিলাম। পুলিশ আধা ঘন্টা হইলো ওর লাশ দিয়া গেছে। কইলো পরশুদিন রাইতে ওর লাশ বুড়িগঙ্গার পাড়ে কারা যেনো মাইরা ফালায়া রাখছিলো। কচুরিপানা দিয়া ঢাকা ছিলো। আজকে পইচা গন্ধ বাইর হইলে লোকজন জানতে পারে। আর পুলিশ ওরেদ মর্গে নিয়া পোস্ট মর্টেমের পর ফেরত দিছে। মানিক এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো শেষ করতেই ওর মায়ের চিৎকার শুরু হয়, ওরে আল্লারে, আমার কি হইলো রে! কেডায় আমার এমন রাজপুত্রের মতন ছেলেডারে মাইরা ফালাইলো রে! ও আমার কি হইলো রে!

এমন গগনবিদারী চিৎকারে ওখানে দাঁড়ানো সবার মাঝেই দুঃখের ছায়া নেমে আসে। সিহাবের মনটাও মুহূর্তে কেঁদে উঠে। ভেসে উঠে – এইতো সেদিন ওকে স্কুলে আবার ফিরে যাওয়ার জন্য বলছিল, কিরে রাজামিয়া, তুই নাকি পড়ালেখা একদম বাদ করে দিলি? এইট পাস তো করলিই। আর দুইটা বছর পার করলেই তো এস,এস,সিটা হয়ে হয়ে যেতো।

উত্তরে রাজা বলেছিলো, মামা আমিতো পড়তেই চাই। কিন্তু বাড়িতে যে টাকার দরকার। বাপের শরীরতো কয়েক মাস ধইরা ভালা যাইতেছে না। একটা কাজ পাইছি। কতদিন কাজটা কইরা দেখি। তারপর না হয় লেখাপড়াটা দেখা যাইবো।

সিহাব ওর ওত সুন্দর দায়িত্ববোধে মুগ্ধ হয়েছে। বলেছিলো, একদম খাঁটি কথা বলেছিস। যেখানেই কাজ করিস মনোযোগ দিয়ে কাজ করিস। আর ভুলেও রাগারাগি করিস না। তা তোকে কি ওখানেই থাকতে হবে, না বাসা থেকেই করতে হবে?

মামা, হোটেলের কাজ। প্রতিদিন এতো সক্কালে যাইয়া আবার সেই রাইতে আসাতো সম্ভব না। তাই কইছে মাসে দুই তিনবার শুক্রবারে বাসায় আসতে পারবো।

বাহ, খুব ভালো। খুব ভালো। ঠিক আছে যা। শুনলাম, মানিক নাকি ড্রাইভিং শিখেছে। ও যদি কাজ পেয়ে যায়, তাহলে তো তুই ফিরে আসতে পারবি। বলে সিহাব রাজার পিঠ চাপড়ে দিয়েছিলো। সেইই শেষ দেখা ওর সাথে। হঠাৎ সিহাব উপলব্ধি করলো ওই তীব্র পচা গন্ধ আর তেমন লাগছে না। রাজার প্রতি মায়া আর ভালোবাসা ওর পঁচে যাওয়া শরীরের গন্ধকে ঢেকে দিয়েছে। যেমনটা ঘটেছে মানিকের মায়ের মাঝেও। সন্তান বেশি বেশি হওয়াতে লোকজন ওনাকে তো কম বিদ্রূপ করেনি, তো এখন সন্তান চলে যাওয়াতে কি বলবে এটা সিহাবের খুব জানতে ইচ্ছা করছিলো।

মাস সাতেক পরের ঘটনা। সকাল থেকেই মানিকের মা ভীষণ খুশি। আগের দিন রাতে সিরাজ মিয়া হাসি মুখে বাড়ি ফিরে। এই প্রথম উনি তিন তিনটা বান্ডিল একশ টাকার নোট মানিকের মায়ের হাতে তুলে দেয়। বলে, কাইল থেইকা তোর কাজে যাওয়ার দরকার নাই। আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ তুইল্লা তাকাইছে। জমির দালালির প্রথ্থম টাকা পাইছি। আরো দুইটা বায়না হইছে। ওইখানেও দালালির ভাগ পামুনে। কাইল ভালোমন্দ রান্না করিস।

মানিকের মা যেনো আকাশের সূর‌্যটা হাতে পেলো। আকাশের চাঁদটা তিন মাস আগেই পেয়েছিল যেদিন মানিক ড্রাইভারের চাকরীটা পেলো। সেদিন শুধু আশেপাশের সবাইকে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। সেদিন ওনার চেহারার হাসি দেখবার মত হয়েছিলো। আজ সকাল থেকে ওনার মুখে তারচেয়েও বেশি আলোকিত। তার দারিদ্র্যের সংসারে স্বামী প্রথম এতো সুন্দর ব্যবহার করেছে। উনি মন প্রাণ উজাড় করে অনেক খাবার রাঁধলেন। আর ওনার রান্নার হাতও সেইরকম। একবার খেলে সেই স্বাদ অনেক দিন মনে রাখে সবাই। সিহাবদের বাসায় খাবার তিনি নিজেই নিয়ে এলেন। সিহাবের মা মুখ হাসি হাসি রাখলেও ভিতরে দুঃখের বন্যা বইছিল। কারণ ওই যে, উনি বলে দিয়েছেন উনি আর কাজ করবেন না। উনি যে কাজ বাদ করে দিবেন এটা বোধহয় সিহাবের মা ধারণাই করতে পারে নাই। খাবারের আইটেম ছয়টা – পোলাও, গরুর মাংসের রেজালা, কাবাব, মুরগির রোস্ট, সালাদ আর ফিন্নি। সেই ভোর থেকেই কাজে লেগেছিলেন। ওনার এসিস্ট্যান্ট মেয়ে মিতু। মিতুও দেখতে দেখতে অনেক বড় হয়ে গেছে। সে মাদ্রাসায় পড়তো। ইতোমধ্যে কুরআনে হাফেজ হয়ে গেছে। ওয় মায়ের মতো রান্নার হাত পেয়েছে। খাবারগুলোর গন্ধই বলছিল ওগুলোর স্বাদ কেমন হবে। ছুটির দিন থাকায় সিহাব মন ভরে সব খাবারে ভাগ বসালো। সিহাবদের গলির ভেতর কেমন যেনো আনন্দ আনন্দ ভাব বইছে। তবে এগলির কারোরই ধারণা ছিলো না পরের মাসেই ওখানে আরো কি হতে যাচ্ছে।

ঠিক তাই, পরের মাসে দশ তারিখ মানিকের মা সিহাবদের বাসায় আসে। সিহাবের মায়ের সামনে এসে আনন্দে মুখ দিয়ে কথাই বেড় করতে পারছেন না। শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত। ওনার সেই চিরাচরিত হাসি দিয়ে কতগুলো অগোছালো কথা বেড় করলেন, খালাম্মা, আইজ মিতুর বিয়া। আইজ রাইতেই। পোলা, পোলা খুব ভালো। নদীর ওই পাড় সেলাই মেশিন কিন্না জামা কাপড় বানায়। পোলায়ও খুব ভালো।

সিহাবের মাও ওনার আনন্দের সাথে ভাগ বসায়, সেতো অনেক অনেক খুশির কথা, মানিকের মা। তা কবে কথাবার্তা হলো?

আর কইয়েন না। পোলাতো মাইয়ারে সেই মাদ্রাসায় নাকি দেখছে। গতকাল রাইতেই কইছে, আইজ রাইতে একবারে বিয়া কইরা মাইয়া নিয়া যাবে। এখন আমি কি করি কনতো? কি করি?

না, এতো পাগল হওয়ার দরকার নাই। শোনো, ছেলে মনে হয় খুব সাধারণ ভাবেই বিয়ে করতে চায়। তুমিও তেমনই করো। শাড়ি কাপড় যা লাগে কেনা যাবে, সময় আছে। দরকার হলে আমার ছোট মেয়েটা মিতুর সাথে মিলে এইদিকটায় সাহায্য করবে। তুমি খাওয়ার ব্যবস্থাটা করো গিয়ে।

কথা শেষ না হতেই মানিকের মা বলেন, খালাম্মা, তাইলে আমি যাই। মিতুরে ছোট আপার কাছে পাঠাই। আর মানিকরে খাওয়া দাওয়ার জিনিসপাতি আনতে কই। সিহাবকে দেখে বলেন, ছোট ভাই, আপনারে কিন্তু থাকতেই হবে। বলেই সিহাবের উত্তর না শুনেই দ্রুত ঘর থেকে বেড় হয়ে যান।

রাত দশটার দিকে মিতুর সাথে মানিকের মায়ের বলা সেই ভালো ছেলেটার সাথে বিয়ে হয়ে যায়। মানিক সন্ধ্যার মাঝেই ডেকোরেটর ডেকে বাড়ির সামনে ছোট্ট একটা প্যান্ডেল বানিয়ে ফেলে। বিয়ে বাড়ির একশ জনের খাবারের ব্যবস্থাও করে ফেলে এলাকার নাম করা মনির বাবুর্চির মাধ্যমে। এক্ষেত্রে সিরাজ সাহেব দালালি করে প্রাপ্ত আরো কিছু টাকার সবটাই শেষ করে ফেললো। পরে অবশ্য দেখা গেলো যারা দাওয়াত খেতে এসেছিলো তাদের দেয়া অর্থ উপহারে প্রায় পুরো টাকাই উঠে এসেছে।

সন্ধ্যার পর মানিকের মাকে দেখা গেলো সম্পূর্ণ নতুন ভাবে। ওনার মাঝে মানুষের বাসায় কাজ করার ক্লান্তি, অসহায় অসহায় ভাব বলতে কিচ্ছু নাই। হাস্যজ্বল এক মা হাসি মুখে বিদায় করে তার আদরের মেয়েকে।

ছেলে দেখতে খুবই সুন্দর আার বয়স খুবই কম। সিহাব ভাবে ছেলেটার সাহস আছে। এতটুকু বয়সে নিজে নিজেই ব্যবসা শুরু করেছে। হোক না ছোট আকারে। সিহাব মন থেকে দোয়া করে ছেলেটার জন্য আর সেদিনের সেই ছোট্ট মিতুর জন্য।

কয়েক মাস পর মানিকের মা প্রায় দেড় যুগের বেশি বাস গুটিয়ে চলে যায় বড় একটা বাড়ি ভাড়া নিয়ে রাস্তার ওপারের মহল্লায়। এরই মাঝে মানিক সৌদি আরবে ফ্রি ভিসা নিয়ে চলে গেছে। সবার কাছে বিদায় নিতে গিয়ে উনি কেঁদে কেটে একাকার করে ফেললেন। উনি একজন পরিবর্তিত মা হিসেবে সিহাবদের মহল্লা ছেড়ে চলে যান।

সময় গড়ায়। এক এক করে চারটা বছর চলে যায়। সিহাবের চাকরির অবস্থা খুব খারাপ। ও এতদিন যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করতো সেখানে না পেয়েছে কোনো প্রমোশন, আর না বেড়েছে তেমন কোনো বেতন। যারা অসৎ তাদের বেশ উন্নতি দেখে দেখে হতাশ সিহাব। শেষে রাগ করে চাকরিটাই ছেড়ে দেয় এক মাস হলো। এখন প্রায়ই খামে ভরা সিভি নিয়ে পরিচিত অপরিচিত জায়গায় ঢু মারে ভালো কিছুর আশায়। আজও তেমনি ওর এক বন্ধুর প্রতিষ্ঠানে গিয়েছিলো।  কিন্তু বন্ধুরই দেখা পেলো না। উদ্দেশ্যহীনভাবে সারা দুপুর বিকেল এদিক ওদিক ঘুরে সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফিরছে। মাথাটা নিচু, অসহায় মনে রাস্তার ফুটপাত দিয়ে হাঁটছে। হঠাৎ ফুটপাত ঘেষে এক কালো জিপ এসে দাঁড়ায় সিহাবের ঠিক পাশেই। সিহাব একটু ভড়কে যায়। তাকায় গাড়ির খোলা জানালার দিকে। একটা হাস্যোজ্বল মুখ, সেই মিতুর। তাড়াতাড়ি দরজা খুলে বের হয়ে আসে। কোলে ছোট্ট ফুটফুটে ছেলে। চোখে মুখে আনন্দ। বলে, ছোট মামা, কেমন আছেন?

সিহাব একটু ধাতস্থ হলে বলে, কি মিতু নাকি? তা কি অবস্থা? কেমন আছিস?

মামা, আল হামদুলিল্লাহ। খুব ভালো আছি।

তো, কোলের ছোট্ট বাবুটাকে দেখিয়ে বলে, এ কি! আমি কি নানা হয়ে গেলাম নাকি রে!

মিতু সিহাবের কথা শুনে জোরে হেসে উঠে। মামা, শুধু  একজনের না। ওই যে ওই জনেরও। আঙুলের নিশানা গাড়ির পিছনে বসা আরেকটি ফুটফুটে ছেলে, অনুমান বছর দুয়েক হবে। সিহাব আরো অবাক হয় পাশে বসা একজন মহিলাকে দেখে, মানিকের মা হাসি মুখে বাচ্চাটাকে ধরে আছে। সম্পূর্ণ অন্য রকম একজন।

আরে, আপনি? কেমন আছেন? শুনেছি আপনি মাঝে মাঝে বাসায় আসতেন। কতদিন পর আপনাকে দেখলাম।

হে, ছোট ভাইজান। আমি যেদিন যেদিন গেছিলাম, আপনে তো অফিসে থাকতেন। আইজও আপনাদের বাসা থেকেই আসতেছি। মানিক পরশুদিন বাড়ি আসতেছে। ওর বিয়া ঠিক করছি। সেইটার দাওয়াত দিতেই গেছিলাম। মানিকের মা কথাগুলো বলতেই মিতু কথা টেনে নেয়। বলে, হাঁ মামা। আজকে তো ওই যে সাহেবকে নিয়েই গেছিলাম। আপনি নাই। শুনলাম নানি বললো, আপনি চাকরি ছেড়ে দিছেন। নতুন চাকরি খুঁজছেন। তো মামা, আমার সাহেব আপনারে কিছু বলতে চায়। বলেই হাত দিয়ে গাড়ির ড্রাইভিং সিট থেকে নেমে আসা সুদর্শন ছেলেটাকে দেখালো।

সিহাব দেখে হাসি মুখ আর ডান হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে ছেলেটা ওর কাছে এসে দাঁড়ালো। বললো, মামা, আপনার ভালো ভালো কথা প্রায়ই মিতুর মুখ থেকে শুনি। ইচ্ছাছিল আপনার সাথে দেখা করার। আজ সেটা পূর্ণ হলো।

সিহাব বাড়িয়ে দেয়া হাত ধরলো। মিতু বললো, মামা, আমার সাহেব কিন্তু এখন তিনটা গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির মালিক।

সিহাবের হাতটা একটু কেঁপে উঠে। কথাহীন তাকিয়ে আছে ওদের দিকে।

ছেলেটি বলে উঠে, মামা, আপনি যদি কিছু মনে না করেন, তাহলে আমি কি আমার কাজের মাঝে আপনাকে পেতে পারি। আমার ব্যবসায় আপনার মতো সৎ মানুষই যে চাই। আপনি রাজি থাকলে আপনি কাল থেকেই শুরু করতে পারেন।

সিহাব উত্তরে কি বলবে কিছুই বুঝে উঠছে না। একভাবে ছেলেটার আকুতিতে ভরা চোখের দিকে তাকিয়ে আছে।

গাড়ির ভেতর থেকে মানিকের মা উদ্বিগ্ন কন্ঠে বলেন, ছোট ভাইজান, চিন্তা কইরেন না। আমার জামাই বাবাজী খুব ভালো। আপনি ওনার সাথে থাকলে খুব ভালো হবে। ওনার চোখে সে এক অন্য রকম ভাষা – একজন প্রভাবশালী মায়ের।

সিহাব কথাহীন মুখে মানিকে মায়ের সে বদলে যাওয়া মায়া ভরা মুখের দিকে তাকিয়ে রয়। এখনো ওর হাতটা কিন্তু মিতুর স্বামীর মানে সিহাবের হতে যাওয়া নতুন মালিকের হাতের মুষ্টিতেই আবদ্ধ।

 

সৈয়দ মনজুর কবির : গল্পকার, ঢাকা

অ্যান কারসন : পুরাণ পেরিয়ে মানুষের কাছে

শাহেদ কায়েস ২০২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কানাডীয় কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক অ্যান কারসন। প্রাচীন গ্রিক সাহিত্য নিয়ে তাঁর দীর্ঘ অধ্যয়ন ও শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা

 ‘সাড়ে ৭ বছরে ১৪ হাজারের অধিক বই উপহার দিয়েছে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি’

আন্দরকিল্লা ডেক্স : গত সাড়ে ৭ বছরে সারাদেশে ১৪ হাজারের অধিক বই উপহার দিয়েছে চাঁদপুরের সুপরিচিত প্রতিষ্ঠিত সংগঠন চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। বিগত পুরো অক্টোবর মাস

কবীর-লালন ভাবসঙ্গীত উৎসবে ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন : ভাঙা ডালের কোষ থেকে জেগে ওঠে সবুজ-সজিব পত্র-পল্লব

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বলেছেন, তুমুল ঝড়-ঝঞ্ঝায় সবুজ প্রান্তরে সকল বৃক্ষরাজি ধ্বংস হলেও কয়েকটি ডালপালা পড়ে থাকে। ঐ ডালপালাগুলোর মধ্য

যোগেন চৌধুরী : শূন্যতার মর্মবেদ

মইনুদ্দীন খালেদ দুঃসহ অভিজ্ঞতায় অস্তিত্বের প্রদাহে বদলে যায় মানুষের নিত্য-চেনা অবয়ব। ক্ষুরধার একটা অপয়া মুহূর্তের রিরংসায় মানুষ কি অতর্কিতে হয়ে যায় তার আপনজনের হন্তারক! পচনশীল

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির (পূর্ব প্রকাশিতের পর) মামা, আমরাতো তিন দিন আগের থেকেই ওরে খুঁজতেছিলাম। পুলিশ আধা ঘন্টা হইলো ওর লাশ দিয়া গেছে। কইলো পরশুদিন রাইতে