
বিদ্যুৎ কুমার দাশ এর গুচ্ছ কবিতা
কাঁচা সোনার ফসল ফসলের ঠাঁসা জমি- লুকানো চাষার ডাল পালা। এই শীতে ফল দেবে- বরষার জলে ভরা মাঠ ফসলের হাসি ডুবে আছে অন্ধকার

কাঁচা সোনার ফসল ফসলের ঠাঁসা জমি- লুকানো চাষার ডাল পালা। এই শীতে ফল দেবে- বরষার জলে ভরা মাঠ ফসলের হাসি ডুবে আছে অন্ধকার

গুমানী নদীর পাড় বড়সড় একটা আয়না সাজানো তোমার রুম এপাড় — ওপাড় সীমাহীনপ্রায় ড্রেসিং করা ঢেউ তবু তোলপাড় স্নো, আই লাইনার, চুড়ি — কাঁটা

মখছুছ আলী চৌধুরী ১. লম্বা দাড়ি মুখত বুড়ার তসবিমালা আতত্ গেলদে বছর হজ গরি ঠিক উঠ্যি আবার জাতত গাত কুরে দে পরোল্লাই কেউ ন

১. মধ্যরাতে হৃদয় আমার জাগে তুমি থাকো তাহার পুরোভাগে আলতো করে ঘুমিয়ে পড়ো বুকে ঘুম কি আসে অসহনীয় সুখে ২. মেঘনা তো নয় ষোড়শী

তবু এসো, পদব্রজে বাতাসের ওপর খুরশীদ আনোয়ার তুমি নেই, তোমার সুঘ্রাণ জড়িয়ে শুয়ে আছি দীর্ঘক্ষণ তুমি নেই, তোমার ছায়া শরীরে লেপ্টে থাকি, নক্ষত্র-খচিত

অধরনামা তোমার অধরে আমূল আইসক্রিমের মজুদ যা ফুরোবার নয় একজীবনে আমার ঠোঁটে রোদলাগা পিপাসা যা নবায়িত হয় রাত পোহালেই ঠোঁটে ঠোঁটে এক জোট প্রার্থী

ভাবানুবাদ ও ভাষান্তর : ফারজানা নাজ শম্পা [ কবিতার ভাষায় সামাজিক সংস্কার ও পরিবর্তনের দায়বদ্ধতা থেকে প্রকৃতির অনুপম রূপের অনুরণন ঘটিয়েছেন কানাডার প্রখ্যাত কবি, শিক্ষাবিদ,গবেষক

তুমি নেই এ নিখিলে নূ রু ল হ ক মাঝে মধ্যে মনে হয় তুমি আছো যেমন তুমি ছিলে সর্বব্যাপী এ নিখিলে এখন নিশ্চিত আমি

সনতোষ বড়ুয়া মা চেয়েছে সন্তান তার থাকুক শুধু দুধভাতে, অবস্থা আজ ত্রাহি ত্রাহি কিশোর গ্যাং এর উৎপাতে। মুন্ডু কাটে হাত-পা কাটে বীর দর্পে

১. জটিল পদ্য তুমি যখন মেলে ধরো আমি তখন ইতস্তত জড়োসড়ো তুমিই বুঝো এলোমেলো অংক কষা নির্বোধের কি আছে বলো তুমি ভরসা ২.

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে