
আলী তারেক পারভেজ এর অনুকাব্য
১ ভালো থেকো যতটা ভালো থাকা যায় ভুলনা যতো দিন মনে রাখা যায় ২ তুমি নও, ভালবাসাটা ছিলো মোর পুঁজি দেউলিয়া হয়ে শেষে নীরবে

১ ভালো থেকো যতটা ভালো থাকা যায় ভুলনা যতো দিন মনে রাখা যায় ২ তুমি নও, ভালবাসাটা ছিলো মোর পুঁজি দেউলিয়া হয়ে শেষে নীরবে

ড. মোহাম্মদ আমীন অঁরু বাড়ি আনোয়ারা আঁর; বঁরো বাড়ি চন্দনাইশ, ছোডো চাচা থাই সাতকাইন্যা, বয়স উধা পঁচিশ-বাইশ। বোয়ালহালি মাইজ্জা আঁলি, ছোডু আঁলি রউজান, মনত

উৎপলকান্তি বড়ুয়া ইয়ান আঁরার চাটগাঁ, জে জে আইয়ুন জে জে আইয়ুন! চাইয়ুন!চাইয়ুন! আস্তে নামন চাইয়ুন বদ্দা চাইয়ুন!! খাইবান কচুর লতি ওয়া দইজ্জার তাজা

অক্ষর বিন্যাস.. ৫+৭+৫+৭+৭) ১। ভাগ্যবন্দি অতিসর্তক চোরাবালির ফাঁদ অতিহিসাবি শুভঙ্করের ফাঁকি অপরিণামদর্শী। ২। বিশ্বাসী উঠবেই জেগে নিমজ্জিত চেতনা ভাসাবে মন ঝলমল

ডানকিনে কফির পেয়ালায় এই প্রশস্ত বিকেলের আকাশে মুমূর্ষু রোগীর মতো নিস্তব্ধ শুয়ে আছে মেঘ। আর তার চোখ থেকে ঝরে পড়া জলে ভিজে গেছে ম্যাপলের

ইতিহাস সনতোষ বড়ুয়া ইতিহাস তো রয়ে গেল ইতিহাসের পাতায় কেমন করে এমন হল ঢুকছে না তো মাথায়। জানান দেয়ায় ফাঁকি ছিল, কার কি

সুতোয় বাঁধা পতাকা পতাকা শুকায়- লাল রঙটা এখনো ভেজা, সবুজটা শুকিয়ে গেছে আগেই। একজন দর্জি বলল, “এই কাপড় বদলিও না, সেলাইয়ের দাগেই

কাল সবাই আছে কিনা তা তো জানিনা তবে অনেকে কিন্তু আছে! মুখে কাপড় দিয়ে আমি সোজাসাপটা, ঘোরপ্যাঁচেও নেই সবার দেখি মুখে মুখোশ, ঘামের গন্ধে,

অনুরাগ সুইচ-অফ চাঁদ নিয়ে দুহাতে সাঁঝ এসে ছুঁয়ে যায় ঘামঘাম দুপুরের হাত; কুয়াশার মোহনায় বসে সেই দৃশ্য দ্যাখে নদীমাতৃক হাওয়া; হাওয়ার শরীর জুড়ে মেঘনা-যমুনা

১. ভুলে গেছি সব রয়েছি নীরব আয়োজন হলো পণ্ড প্রবল ক্ষরণে স্মৃতির দহনে আহত হৃদয় খন্ড ২. আনত দৃষ্টিতে ছুঁয়েছে লজ্জা সে যে মুগ্ধতার

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি