
রাজেশকান্তি দাশ-এর গুচ্ছ কবিতা
বসন্ত বৃষ্টি ওঠা বসন্ত নয়, বর্ষা তার নিজস্ব একটা ভাষা আছে, বৃষ্টির ভাষা মেঘ-বৃষ্টি-রোদের সৌন্দর্যম-িত। দীর্ঘাঙ্গি দোলাচলে সে লিঙ্গ পরিচয় লুকায়; তুমি, নিদাঘ গ্রীষ্ম

বসন্ত বৃষ্টি ওঠা বসন্ত নয়, বর্ষা তার নিজস্ব একটা ভাষা আছে, বৃষ্টির ভাষা মেঘ-বৃষ্টি-রোদের সৌন্দর্যম-িত। দীর্ঘাঙ্গি দোলাচলে সে লিঙ্গ পরিচয় লুকায়; তুমি, নিদাঘ গ্রীষ্ম

আমকাঁঠালের দেশে সন্ধ্যা নামে আমজাম কাঁঠালের দেশে আমার বেদনা বাড়ে জালালী কৈতর ওড়ে কাজল বরণ কেনো যে ডাকিছো তুমি আম্র মুকুলের দিনে সুমিষ্ট

মুগ্ধতা জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে তখন আমরা দুজন জোছনার বাইরে বাদুর অন্ধদের মতো। তবু প্যাঁচাপাখির চোখে অন্ধকারের ভাষায় মুগ্ধ হয়ে আমি পাঠ

(অক্ষর বিন্যাস- ( ৫+৭+৫+৭+৭) ১। পিছুটান বলাকামন ! ডানা মেলে আকাশে বাঁধনহারা। ফেরার পথ খোঁজে মায়ার পিছুটানে। ২। প্রত্যাবর্তন গভীর জলে ডুবুরি ডুব

তোফায়েল তফাজ্জল জীবন চলে না গাণিতিক সূত্র শরীরে জড়িয়ে বা সমীহ করে; বরং তা প্রায়ই বড়শিদের অনুগত মাছ হয়ে ঝুলে পড়ে। স্বপ্ন-সাধ আটকে যায়

আলোর মিছিল আলোর মিছিল দেখবে বলে আঁধারে হেঁটেছে মানুষ বহুদূর জানি, প্রথম যে আগুনের ছোঁয়া সেও ছিল— ক্ষুদ্র এক আলোক কণার পরশ প্রথম যে

সাম্পানের জ্বরে তোমার ঠোঁটের নৈঃশব্দ্যতা সবটা উদ্বিগ্ন চিতা এক চক্র ফিলট্রাম নড়ে ভাবি, ভস্ম হলেই হয়না ক্ষয়। তোমার হাতের পিঠাপুলি কোথাও ছিল না

কথা-পরিবার তোমার কথা বলা শেষ হলে তোমার কথাগুলোর সঙ্গেই কথা বলতে থাকি আমি। কথাগুলো তোমার সহোদর বোনের মতো, সখীদের মতো, দাদিমার মতো তুমি না

যে দেশে মানুষ অন্ধ আসাদ মান্নান না, আর হলো না দেখা সোনালী যুগের ওই নদী — যে নদী পাখির মতো ডানা মেলে উড়ে

ভাষান্তর- আলমগীর মোহাম্মদ নিকিতা গিলের জন্ম বেলফাস্টে| তাঁর বাবা মা ভারতীয় নাগরিক| তাঁরা বসবাস করেন আয়ারল্যান্ডে| তাঁর বাবা আইরিশ নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন| গিলের যখন

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো