
আদিবাসী নারী
কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে

লুৎফা শাহিন কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) বাংলাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি শুধু বিদ্রোহী কবি নন, মানবতাবাদ, সাম্যবাদ ও নারী মূর্তির কণ্ঠস্বরও তাঁর সৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু।

ইকবাল খান ১. শব্দের ভেতর দিয়ে নারীর জন্ম সাহিত্য কখনোই নিরপেক্ষ কোনো ভূমি নয়। এটি কেবল কল্পনার খেলা বা নান্দনিক বিনোদন নয়; সাহিত্য হলো

শোয়েব নাঈম নানাজাতীয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আবর্তিত হয় নারীর জন্মশাসিত বিধিলিপি। এই বিধিলিপি তাদেরকে একা করে রেখেছে মৌলিক বিষণ্নতায়। এই বিষণ্নতামুখীদের প্রতি শুভেচ্ছায় ঘনীভূত হয়ে রবীন্দ্রনাথ

নির্ঝর নৈঃশব্দ্য ব্রিটিশ ভারতবর্ষের বাঙলায় বেগম রোকেয়া (১৮৮০—১৯৩২) যখন লিখছেন, তখন ‘নারীসত্তাজাত লেখা (ল্কপৎরঃঁৎব ভল্কসরহরহব)’ তত্ত্বের প্রবক্তা এলেন সিকসুস (১৯৩৭—বর্তমান)-এর জন্মই হয়নি। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ

মারজিয়া খানম সিদ্দিকা সভ্যতা ও সৃষ্টির পরতে পরতে যেমন নারীর অসামান্য অবদান রয়েছে তেমনই বাংলা সাহিত্যের অপার সৃষ্টিতেও নারীর অবদান অনস্বীকার্য। অবিভক্ত বাংলার নারী সাহিত্যিকেরা

জান্নাতুল যূথী বাংলা কথাসাহিত্যের জগতে শক্তিশালী ও ক্ষুরধার লেখক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্থান দখল করে আছেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮)। অপরাজেয় এই কথাশিল্পী সাধারণ মানুষের

ড. নূর সালমা জুলি সেই ছবির নারী আমার প্রতিদ্বন্দ্বী, দেখে দেখে বুকে বিষ জমেছে, তা-ও তাকিয়ে থেকেছি। কিছুতেই সেই নারী আর আজকের বৃদ্ধাকে এক

গাজী গিয়াস উদ্দিন আদর্শ গৃহবধূর চিন্তা গৃহবান্ধব চিরদিন করেছে। অথচ আদর্শ গৃহস্বামীর সম্পর্কে ভেবেছে কতটুকু? সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে – এ আপ্তবাক্যের সারকথা হতে

শাহেদ কায়েস একজন কবিকে নিয়ে ব্রিটিশ সরকার এতটা অস্বস্তিতে পড়েছিল কেন? তাঁর লেখা বাজেয়াপ্ত করতে হয়েছে, পত্রিকার জামানত কেড়ে নিতে হয়েছে, ছাপাখানায় নজরদারি বসাতে হয়েছে,

ড. মাসুদুল হক ২৫ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা একটু একটু করে রাতের দিকে গড়াচ্ছিল। কচি অন্ধকার পাকতে পাকতে যখন চেরাগি পাহাড় মোড়ে পৌঁছালাম, তখন চট্টগ্রামের

সৈয়দ মনজুর কবির তুমি কে ও? কোন বাড়ির ছেলে? কই আগে তো কোনোদিন দেখি নাই? বেশ উচ্চ:স্বরে একটানে প্রশ্নগুলো করেন পিয়ার খান প্রায় আশি হাত

দেবাশিস ভট্টাচার্য শৈশব নিয়ে লিখতে গেলে আমি আবেগ আপ্লুত হয়ে যাই, জীবনের এতটা সময় পার করে এসে মনে হয় শৈশবই মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়।

তানভীর আহমেদ হৃদয় ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি মাটিতে নামেনি। পূর্ব আকাশে সূর্যের আভা ফুটে উঠলেও গ্রামের অধিকাংশ মানুষের ঘুম ভাঙেনি। কিন্তু আব্দুল করিম কামারের ঘরে