এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

সৈয়দা নাদিরা বেগম-এর তানকা

অক্ষর বিন্যাস- ৫+৭+৫+৭+৭)

 

। শুধু বৃথাই

কোন কিছুই

থাকেনা অন্তরালে

প্রকাশ্য হয়,

অবান্তর চেষ্টায়

নিজেকে ব্যস্ত রাখা।

 

২।  গৎবাঁধা

শব্দের খেলা

নয়-ছয় ভাবনা

কুয়াশাবন্দি

পাতাঝরা মৌসুমে

বিবর্ণ আয়োজন।

 

৩।  মড়ক

ভেসে যাবে কি?

শ্লীলতাহীন টানে

বুদ্ধি- বিবেক

বস্ত্রহারা মানুষ

অবারিত পশুত্বে!

 

৪।  বুদবুদ

অবচেতনে

অযাচিত ইচ্ছারা

বাসনাবন্দি,

শুধুই কল্পনার

ডালপালা বিস্তার।

 

৫।  অকালকুষ্মাণ্ড

বোকার হদ্দ

মূর্খের স্বর্গে বাস!

ব্যবস্থাপত্রে

পরিণামদর্শনো

সরষেফুল দেখা।

 

৬।  লিপ্সা

বকধার্মিক

সত্য আড়াল করে

হাতড়ে ফেরে

অসত্য আনুগত্যে

অনুকূল আখের।

 

৭।  অন্যরকম অন্যরকম

দৃষ্টি সীমানা

আটকায় দেয়ালে

ঠোঁকর খেয়ে!

নীলাভ আসমান

সীমানার বাইরে।

 

 

 

 

 

৮।  যৌক্তিকতা হারায়

আয়ুষ হবে!

তাই তীর্থেরকাক

সাজলে তুমি !

উপেক্ষিত সময়ে

ভিক্ষার পাত্র হাতে।

 

৯।   খতিয়ান

সমীকরণ

পাওয়া না পাওয়া

জীবন শেষে

জাবেদা পরিপাটি

মিলে অমিল বেশি।

 

১০।   নতজানু

আল্লাহ্ তুমি

আরশীল কারীম

প্রত্যাশা দয়া

দান কর গরিবে

দাতা তুমি অসীম।

 

১১।  দাহ্যযোগ

দহন শুরু

পরিশুদ্ধি প্রক্রিয়া

বিরামহীন

পুড়ে পুড়ে দহিত

নেবেকি রূপান্তর !

 

১২।  প্রান্তিক বোধ

নৈরাজ্য ঘেরা

প্রান্ত সময়ে স্থির

বোঝাপড়ায় !

শুদ্ধ আত্মবোধন

মানব পরিচয়ে।

 

১৩।  নিমেষে উধাও

লুকানো থাকে

গোপন ইচ্ছা সব

মনের কোনে,

অচেনা হাওয়ায়

হারায় নিরুদ্দেশে।

 

১৪।  শক্তিরূপেন

ভেঙে যেওনা !

স্রষ্টার মহাশক্তি

তোমার মধ্যে,

জাগ্রত সহায়ক

উত্তম ফললাভে।

 

১৫।  সেই ছোট্টটি

আত্মজা তুমি

তুলতুলে মায়াবী

মায়ায় ভরা,

পথ চলায় একা

রহমত খোদার।

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো