এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

একে একে নিভিছে দেউটি (সম্পাদকীয়- অক্টোবর ২০২৫)

অতি সম্প্রতি খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে দেশের এক ঝাঁক প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রাজ্ঞমনস্ক অবিনশ্বর মানসসম্পদ প্রয়াত হলেন। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ অশীতিপর ছিলেন,  প্রত্যেকেরই স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যু যতই স্বাভাবিক ও অনিবার্য হোক না কেন, মেনে নেয়াটা  বড়ই কঠিন;  কারণ এঁরা সমাজের দীপ্র ও দীপ্ত শিখা। এঁদের মধ্যে কেউ প্রতিষ্ঠিত লেখক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সমাজবিজ্ঞানী, বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ, ইতিহাসবিদ, শিল্পী, ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিক। তাই এঁদের মৃত্যুটা শোকের অধিক গভীর এক ক্ষতের দাগ  হয়ে অন্তরে বিঁধে থাকা ধারালো বর্শার ক্ষরণ ও দহনজ্বালার মতো; যা আমাদের অনেক দিন পোড়াবে।

প্রণম্য প্রয়াত এই গুণী মানুষেরা—বদরুদ্দীন উমর, যতীন সরকার, অধ্যাপক আহমেদ রফিক, লালনকন্যা ফরিদা পারভীন, অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ড. সুনীতি ভূষণ কানুনগো, প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ চৌধুরী, তোফায়েল আহমদ (স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ), রকিব হাসান, সাবের আহমদ আজগরী, এবং শহর চট্টগ্রামের প্রিয়মুখ স্বপন সেন—কঠিন ও দুর্বিনীত দুঃসময়ে আমাদের পরমাত্মীয় ছিলেন। এই মানুষগুলো পরিণত বয়সে স্বাভাবিক মৃত্যুকে আলিঙ্গন করলেও আমাদের মনে কষ্ট ও আক্ষেপ থেকে যায়। এই ভালো ও বড় মাপের মানুষগুলোকে আমরা হারাতে চাই না। তারা  মুক্ত আকাশের বিহঙ্গ; সত্য, শুভ, কল্যাণ, শান্তি ও প্রগতির প্রতীক। এই ধরণীতে তাঁরা বেঁচে থাকলেই সুন্দর কখনো তিরোহিত হবে না।  অন্ধ বিবরে সত্য ঢাকা পড়বে না। তাই আমরা চেয়েছিলাম  এবং এখনো চাই এ ধরনের বড় মাপের মানুষগুলো  আমাদের সত্তা ও অস্তিত্বের অতন্দ্র প্রহরী হয়ে থাকুন।

এঁরা এমন সময় চলে গেলেন, যখন ঘাড়ে চেপে বসে আছে অস্পৃশ্য, অদৃশ্য, বর্ণ, গন্ধহীন একটি বিশাল ওজনের ভার; যা অনুভূতিকে ভোঁতা করে দেয়, ভয় ও অনিশ্চয়তা প্রতি মুহূর্তকে তটস্থ করে রাখে। সন্দেহ ও অবিশ্বাস এতোটাই প্রকট কাউকে আপন ভাবা যায় না। বিশ্বাসের জায়গাটিও ভীষণ নড়বড়ে। গন্তব্যহীন যাত্রায় গা ভাসিয়ে উৎসব উৎসব ভাব দেখালেও ভেতরে চেপে আছে একটি গোপন কান্না। তাই এই অল্প সময়ের ব্যবধানে যে ক’জন উজ্জ্বল মানস সম্পদকে হারালাম তাদের জন্য এই কান্না আর গোপন থাকলো না। কারণ সত্যিইতো একে একে নিভিছে দেউটি। চারিদিকে অন্ধকার।  তাই আলোর ইশারা খুঁজি।

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো