এখন সময়:ভোর ৫:০৯- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:ভোর ৫:০৯- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

কবি নাজিমুদ্দীন শ্যামল ( জন্মদিন )

কবি নাজিমুদ্দীন শ্যামল :

জন্ম: ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৬৮ ইংরেজি গোল আরব চৌধুরী বাড়ি, সফিনগর, পশ্চিম ধলই, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম। সমুদ্র তীরবর্তী পতেঙ্গায় তাঁর বেড়ে ওঠা। পিতা- প্রকৌশলী এস এম. এ. বারী, মাতা- বেগম নীলুফা বারী। নাজিমুদ্দীন শ্যামল একধারে কবি ও সাংবাদিক। চট্টগ্রামের চলচ্চিত্র ও নাট্য আন্দোলন্ওে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি ১৯৯০ সালের অন্যতম ছাত্র নেতা।

 

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে তিনি ছাত্র আন্দোলনে কার্যকর ভুমিকা রাখেন।  চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১৯৯১ থেকে ৯২ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র কেন্দ্রের সভাপতি। বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম ও চট্টগ্রাম ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সদস্য। তাছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার, চট্টগ্রামের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে গণায়ক নাট্য সম্প্রদায়ের সদস্য হন। ‘পথনাট্য সম্প্রদায়’ নামে নিজে একটি পথ নাটকের দল গঠন করেছিলেন। তিনি দীপ্ত পদাবলী, লেমসেখালি থেকে প্রেমাসিয়া, রুনু বিশ্বাস’সহ বেশ কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নির্মাণ কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি সর্বমোট ১৭টি মঞ্চ নাটক নির্দেশনা দেন ও ২০টির অধিক মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন।

 

পেশাগত জীবনে তিনি সাংবাদিকতার সাথে জড়িত। বর্তমানে তিনি ইংরেজি দৈনিক দি ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রধান ও বিশেষ প্রতিবেদক এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা থমসন রয়টার্সের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছেন। তাছাড়া তিনি দ্য বাংলাদেশ পোস্ট, বাংলাদেশ নিউজ, দ্য এশিয়ান এইজের চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রধান ও বিশেষ প্রতিবেদক এবং দৈনিক সকালের খবর-এ চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রধান ও বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করেন। তিনি জাতীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রধান ও বিশেষ প্রতিবেদক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি জাতীয় বাংলা দৈনিক মুক্তকণ্ঠের চট্টগ্রাম ব্যুরোপ্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়াও তিনি দৈনিক ঈশানএ ফিচার সম্পাদক পদে কাজ করেছেন। তিনি সমকাল, পূর্বকোণ, আজাদীসহ নানা পত্রিকায় বিভিন্ন সময় কাজ করেন।

 

তিনি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) এর সভাপতির (২০১৮থেকে ২০২০) দায়িত্ব পালন করেন । তাছাড়া তিনি চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) এর পর পর দুই বার সাধারণ সম্পাদক (২০০৮ থেকে ২০১২) নির্বাচিত হন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচিত সদস্য হিসাব্ওে দায়িত্ব পালন করেন।

 

তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২৬টি। এর মধ্যে রোদগুলো হেঁটে এলো পড়ন্ত বিকেলে  (২০২৩), তোমাদের শহর ছেড়ে এলাম (২০২২), হারিয়ে যাওয়া হাতগুলো (২০১৮), ঘুমের বাজার (২০১৬), অলৌকিক এই পরিব্রাজন (২০১৫), দুঃখ পুরাণ (২০১৩), মেঘের ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকি (২০১৩), পুরাতন সিন্দুকের পুস্তান (২০০৮), সে কথা পাখিরা জানে না (২০০১), নিসর্গের প্রতিবেশী (১৯৯৮), চোখের কলস (১৯৯৪), কবিয়াল (১৯৯৪), বিপ্লবে আমার বিশ্বাস (১৯৯১), কবিতা কাঁদে (১৯৮৮) কবিতার বই। গবেষণা গ্রন্থ সাহিত্যের প্রপঞ্চ (২০২৩), বাঙালি ও বাংলাদেশ (২০১৮) বাংলাদেশের উপজাতিদের শিক্ষার সংকট ও উত্তরণের প্রস্তাবনা পরিপ্রেক্ষিত পার্বত্য চট্টগ্রাম (২০০২), চলচ্চিত্র বিষয়ক গ্রন্থ ফিল্ম ওয়ালা (২০১৯), সিনেমার লেখা (২০১৬) চলচ্চিত্র বীক্ষণ (২০১১)

 

এবং নাট্য বিষয়ক গ্রন্থ নাট্যজনের মুখোমুখি (২০১১) পাঠক মহলে সমাদৃত হয়েছে। তাছাড়াও চলচ্চিত্র, নাট্য ও অন্যান্য বিষয়ে কমপক্ষে দুই শতাধিক প্রবন্ধ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও লিটলম্যাগে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ২৯ টি জাতীয় পর্যায়ের সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেছেন। তিনি নিউওয়েভ চলচ্চিত্র বিস্তা, চয়ন, একুশে পুরস্কার প্রাপ্ত পদাতিক, বার্তাজীবীসহ বেশ কটি লিটনম্যাগ সম্পাদনা করেছেন।

তিনি চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন সম্মাননা ২০২৪, শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার ২০২১, সাংবাদিকতার জন্য হাবিবুর রহমান পুরস্কার, তারুণ্যের কান্ডারী পুরস্কার, চাটগাঁর বাণী সম্মাননা পুরস্কার,  খবরিকা সম্মাননা পুরস্কার, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি সম্মাননা পুরস্কার, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট কলেজ সম্মাননা পুরস্কার, আজিজুর রহমান হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ সম্মাননা পুরস্কার, প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড,  বাংলাদেশ কবিসভা সম্মাননা পুরস্কার, কাটিরহাট মহিলা ডিগ্রী কলেজ সম্মাননা পুরস্কার সহ বেশ কিছু পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন।

 

কবি নাজিমুদ্দীন শ্যামল-এর শুভ জন্মদিন উপলক্ষে আন্দরকিল্লার চলতি সংখ্যায় একগুচ্ছ কবিতা প্রকাশ করা হয়েছে।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি