এখন সময়:ভোর ৫:৩৮- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:ভোর ৫:৩৮- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

দেশ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই (সম্পাদকীয়- জুন ২০২৪ সংখ্যা)

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সম্প্রতি আমাদের দেশসহ উপমহাদেশে যে তাপদাহ শুরু হয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই আর আমাদের দেশে বৃক্ষ রোপণের উপযুক্ত সময় হচ্ছে জুন-জুলাই মাস।
আজ থেকে দু’দশক আগে থেকে বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন বিশ্বের উষ্ণতা বেড়ে যাওয়াতে জমাটবাঁধা বরফ গলে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাবে। সে পানিতে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বেশ কটি দেশের আংশিক অঞ্চল পানিতে তলিয়ে যাবে। এর প্রভাব এখন বাংলাদেশে পড়তে শুরু করেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণতার ঝুঁকিতে থাকা অন্যতম তিনটি ক্যাটাগরিতে ১২টি দেশের তালিকায় বন্যায় প্রথম অবস্থানে বাংলাদেশ, ঝড়ে আছে দ্বিতীয় অবস্থানে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনে নেতিবাচক প্রভাবে ইতোমধ্যে বৃষ্টিপাত হ্রাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক তাপমাত্রা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিঝড়, ভূমিকম্পসহ নানা দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে।
প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল বৃদ্ধি করতে হবে। একটি দেশের আয়তন অনুযায়ী ঐ দেশের ২৪ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের দেশের আয়তন অনুযায়ী আমাদের বনভূমি আছে ১৫.৫৮ শতাংশ মাত্র। এর মধ্যে থেকেও প্রতিদিন খবরের কাগজে খবর আসছে হাজার হাজার বৃক্ষ নিধনের। এ সব বৃক্ষ নিধন কঠোর হস্তে দমন করতে না পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ অমানিশার অন্ধকারে তলিয়ে যাবে।
বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে দেশকে সবুজায়ন করতে হবে। এতে শুধু নান্দনিক দৃশ্য দেখা দেবে না পাশাপাশি দূষণমুক্ত হবে পরিবেশ ও আবহাওয়া। একটি পরিপূর্ণ বৃক্ষ ১০ জন মানুষের বার্ষিক অক্সিজেনের চাহিদা পূরণ করে। এ ছাড়া ফলদ বৃক্ষ আমাদের শরীরের নানা চাহিদা মেটায়। বৃক্ষরোপণকে এখন সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তর করতে হবে।
শুধু বৃক্ষরোপণ করলে হবে না এর উপযুক্ত পরিচর্যা করে পরিপূর্ণ বৃক্ষে পরিণত করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া সবুজাভ দৃশ্য আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা ও আন্তরিকতার। এ ব্যাপারে আমাদের প্রচার মাধ্যমগুলো ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারে। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদেরও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি নেওয়া যেতে পারে। এই নিয়ে আন্দরকিল্লার চলতি সংখ্যায় ‘তাপ প্রবাহে জর্জরিত হবেন, নাকি গাছ লাগিয়ে বাঁচবেন?’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধ প্রকাশ করা হয়েছে, এটি লিখেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক ফজলুর রহমান। প্রিয় পাঠক এই নিবন্ধেও এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আছে।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি