এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

বায়ান্ন আর একাত্তরের হাত ধরেই এগোতে হবে আগামীর পথে (সম্পাদকীয় জুন-২০২৬)

না, খোলামেলা করে বলা যাবে না আজকাল দিনকাল কেমন যাচ্ছে| কেউ যদি জিজ্ঞেস করেন কেমন আছি? উত্তর কি হবে তা-ও সঠিকভাবে বলা যাবে না| এত ঝুট-ঝামেলা আর নিত্য অসংগতিতে যাপিত জীবনের হালচালে সবকিছুই আবছা ঠেকছে; সামনে চলার পথটাও খুব অস্পষ্ট, খানাখন্দে ভরা, চলতে ফিরতে বার বার হোঁচট খেতে হয়| বিশ^াস-অবিশ^াসের দোলাচলে কাছের মানুষটিকেও অচেনা মনে হয়| ভয় ও আতঙ্কের অদৃশ্য ঘাতককাঁটা দেহটাকে এফোঁড় ও-ফোঁড় করে দিচ্ছে| যন্ত্রণা তো হচ্ছেই, তবে তা প্রকাশের সাহসটুকুও নেই; তাই এক ধরনের নেশাগ্রস্ত আচ্ছন্নতায় বুদ& হতে থাকাটাই মন্দের ভালো| এভাবেই যদি বেলা বয়ে যায়, আজকের দিনের সূর্যটা অস্ত যায় তাহলে আগামীকালটা কেমন যাবে তা ভাববার অবকাশ কোথায়? এভাবে আমাদের ‘আগামী’ যদি লক্ষ্যহীন এক মরীচিকার মতোই কুহক হয়ে থাকতে চায় তাহলে অতীত যতই উজ্জ্বল হোক না কেন বর্তমানটা আবছা আচ্ছন্নতায় ঢাকা পড়ে যায়| তাহলে দৃষ্টিরেখা আগামীর পানে কীভাবে ছুটবে? যদি না-ই বা ছুটে তাহলে ভবিষ্যতে আলোর ফুল ফুটবে- তা-ই বা বলি কেমন করে?

 

আমরা কেমন আছি, কেমন যাচ্ছে আজ-কাল এই জিজ্ঞাসার সঠিক উত্তর উচ্চারণ করার সাহস হারিয়ে একজন আরেকজনের দিকে নির্বাক তাকিয়ে রই| তাহলে বুঝতে হবে এক কঠিন অসুখে আক্রান্ত একজন মানুষ নিরাময়যোগ্য ওষুধ ও পথ্যের অভাবে মরতে বসেছে| তার অতীত-বর্তমান- ভবিষ্যৎ বলতে কিছুই নেই| এমনকি মৃত্যু যন্ত্রণার মধ্যেও কান্নার শক্তিও নেই| শিশু যখন মাতৃগর্ভে জন্মে, তখন শিশুটি না কাঁদলে তাকে জোর করে কাঁদাতে হয়| তা না হলে অমঙ্গল হয়, বেঁচে থাকাটাই তখন অর্থহীন হবে|

বেঁচে থাকার জন্যই কাঁদতে হবে| এই কান্নাই প্রতিবাদের ভাষা ˆতরি করে, এই কান্নাই প্রতিবাদের ভাষা হয়েছিল বায়ান্নে, একাত্তরে|

 

সেই বায়ান্ন আর একাত্তরের হাত ধরেই আমাদের এগোতে হবে আগামীর পথে|

বাংলাদেশে মণিপুরিদের কবিতাচর্চা

সুমন বনিক ১৮১৯ থেকে ১৮২৫ পর্যন্ত মণিপুর রাজ্য বার্মিজ বাহিনীর করতলগত ছিলো। এ সময় তারা সে দেশে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ভারতের  মণিপুরের প্রায় এক তৃতীয়াংশ

বাংলায় নারীবাদী কাব্যের ধারা ও কবি চন্দ্রাবতী

জ্যোতির্ময় নন্দী   প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা তথা ভারতীয় তথা বিশ্ব সাহিত্যে পুরুষ কবির অভাব নেই, কিন্তু মেয়ে কবির সংখ্যা একেবারেই হাতে গোনা। বিশ্বের আদিগ্রন্থ

হুমায়ুন আজাদ ও তাঁর কবিমানস

আনোয়ার মল্লিক হুমায়ুন আজাদ (জন্ম-২৮ এপ্রিল, ১৯৪৭ খ্রি., মৃত্যু-১২ আগস্ট, ২০০৪)-এর অনেক পরিচয় আছে। একাধারে তিনি শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, গবেষক, ঔপন্যাসিক ও ভাষাবিদ। শিশু-কিশোর সাহিত্যিক হিসেবেও