এখন সময়:রাত ১২:২৮- আজ: মঙ্গলবার-৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:রাত ১২:২৮- আজ: মঙ্গলবার
৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

বায়ান্ন আর একাত্তরের হাত ধরেই এগোতে হবে আগামীর পথে (সম্পাদকীয় জুন-২০২৬)

না, খোলামেলা করে বলা যাবে না আজকাল দিনকাল কেমন যাচ্ছে| কেউ যদি জিজ্ঞেস করেন কেমন আছি? উত্তর কি হবে তা-ও সঠিকভাবে বলা যাবে না| এত ঝুট-ঝামেলা আর নিত্য অসংগতিতে যাপিত জীবনের হালচালে সবকিছুই আবছা ঠেকছে; সামনে চলার পথটাও খুব অস্পষ্ট, খানাখন্দে ভরা, চলতে ফিরতে বার বার হোঁচট খেতে হয়| বিশ^াস-অবিশ^াসের দোলাচলে কাছের মানুষটিকেও অচেনা মনে হয়| ভয় ও আতঙ্কের অদৃশ্য ঘাতককাঁটা দেহটাকে এফোঁড় ও-ফোঁড় করে দিচ্ছে| যন্ত্রণা তো হচ্ছেই, তবে তা প্রকাশের সাহসটুকুও নেই; তাই এক ধরনের নেশাগ্রস্ত আচ্ছন্নতায় বুদ& হতে থাকাটাই মন্দের ভালো| এভাবেই যদি বেলা বয়ে যায়, আজকের দিনের সূর্যটা অস্ত যায় তাহলে আগামীকালটা কেমন যাবে তা ভাববার অবকাশ কোথায়? এভাবে আমাদের ‘আগামী’ যদি লক্ষ্যহীন এক মরীচিকার মতোই কুহক হয়ে থাকতে চায় তাহলে অতীত যতই উজ্জ্বল হোক না কেন বর্তমানটা আবছা আচ্ছন্নতায় ঢাকা পড়ে যায়| তাহলে দৃষ্টিরেখা আগামীর পানে কীভাবে ছুটবে? যদি না-ই বা ছুটে তাহলে ভবিষ্যতে আলোর ফুল ফুটবে- তা-ই বা বলি কেমন করে?

 

আমরা কেমন আছি, কেমন যাচ্ছে আজ-কাল এই জিজ্ঞাসার সঠিক উত্তর উচ্চারণ করার সাহস হারিয়ে একজন আরেকজনের দিকে নির্বাক তাকিয়ে রই| তাহলে বুঝতে হবে এক কঠিন অসুখে আক্রান্ত একজন মানুষ নিরাময়যোগ্য ওষুধ ও পথ্যের অভাবে মরতে বসেছে| তার অতীত-বর্তমান- ভবিষ্যৎ বলতে কিছুই নেই| এমনকি মৃত্যু যন্ত্রণার মধ্যেও কান্নার শক্তিও নেই| শিশু যখন মাতৃগর্ভে জন্মে, তখন শিশুটি না কাঁদলে তাকে জোর করে কাঁদাতে হয়| তা না হলে অমঙ্গল হয়, বেঁচে থাকাটাই তখন অর্থহীন হবে|

বেঁচে থাকার জন্যই কাঁদতে হবে| এই কান্নাই প্রতিবাদের ভাষা ˆতরি করে, এই কান্নাই প্রতিবাদের ভাষা হয়েছিল বায়ান্নে, একাত্তরে|

 

সেই বায়ান্ন আর একাত্তরের হাত ধরেই আমাদের এগোতে হবে আগামীর পথে|

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি