
অমরাবতীর সন্তান
পিন্টু রহমান কোলাহল থেমে গেলে অজ্ঞাত স্থান হতে উত্থিত হয় মিহিসুরের কান্না। কান্নার উৎসভূমি অনুসন্ধানের লক্ষ্যে সম্মুখে তাকালে প্রত্যক্ষ হয়- বাতাসের শরীরে আবিরের গুড়ো।

পিন্টু রহমান কোলাহল থেমে গেলে অজ্ঞাত স্থান হতে উত্থিত হয় মিহিসুরের কান্না। কান্নার উৎসভূমি অনুসন্ধানের লক্ষ্যে সম্মুখে তাকালে প্রত্যক্ষ হয়- বাতাসের শরীরে আবিরের গুড়ো।

রাজকুমার শেখ ভরপুর পুজোর গন্ধ। সরস্বতী পূজা। গ্রাম বাংলাতে মাইকে বাংলা গান। মাটির উঠানে আলপনা। গাঁদাফুল। হালকা শীতের আমেজ। কি না ভালো লাগা। আজও আলমুনের

আনোয়ারুল হক যমুনা ফিউচার পার্কের দক্ষিণ দিকের পকেট গেট দিয়ে বের হয়েছে সে। পঁচিশ থেকে বয়স তিরিশের এক উদভ্রান্ত যুবক। যারা ওর পরিচিত, নিয়মিত একসঙ্গে

বাঙলায়ন: জ্যোতির্ময় নন্দী [ উর্দু কথাসাহিত্যে কুররাতুলাইন হায়দার সবচেয়ে উজ্জ্বল নামগুলোর একটি। তাঁর অমর কীর্তি ‘আগ কা দরিয়া’ এবং আত্মজীবনীমূলক আখ্যান ‘কারে জহান দারাজ হ্যায়’

অভব্য দিনের গোধূলি অদ্বৈত মারুত ভেঁপু-কান্নায় ভেসে যাচ্ছে এই দুপুর-বিকাল; রাত একা হয়ে চুপচাপ-দগ্ধ মুকুট, পালঙ্ক পড়ে আছে ভাগাড়ে-পাখিগোষ্ঠী নাকাল তবু অন্ধকারে আড়ালে বাজায়

লা রাস্তা ভালো রাস্তা খুঁজতে খুঁজতে এক একটা দিন কেটে যায় আমি তবে ফিরব কোথায়? সব পাড়াগাঁ-শহরে দৈত্যরা নেমেছে যে রাস্তায় যাই, যে রাস্তায়

বসন্ত বৃষ্টি ওঠা বসন্ত নয়, বর্ষা তার নিজস্ব একটা ভাষা আছে, বৃষ্টির ভাষা মেঘ-বৃষ্টি-রোদের সৌন্দর্যম-িত। দীর্ঘাঙ্গি দোলাচলে সে লিঙ্গ পরিচয় লুকায়; তুমি, নিদাঘ গ্রীষ্ম

আমকাঁঠালের দেশে সন্ধ্যা নামে আমজাম কাঁঠালের দেশে আমার বেদনা বাড়ে জালালী কৈতর ওড়ে কাজল বরণ কেনো যে ডাকিছো তুমি আম্র মুকুলের দিনে সুমিষ্ট

মুগ্ধতা জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে তখন আমরা দুজন জোছনার বাইরে বাদুর অন্ধদের মতো। তবু প্যাঁচাপাখির চোখে অন্ধকারের ভাষায় মুগ্ধ হয়ে আমি পাঠ

(অক্ষর বিন্যাস- ( ৫+৭+৫+৭+৭) ১। পিছুটান বলাকামন ! ডানা মেলে আকাশে বাঁধনহারা। ফেরার পথ খোঁজে মায়ার পিছুটানে। ২। প্রত্যাবর্তন গভীর জলে ডুবুরি ডুব

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো