এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

বৈষম্যমূলক কোটা প্রথায় মেধাবীরা বঞ্চিত হবে (সম্পাদকীয়- জুলাই ২০২৪)

সরকারী চাকরীতে কোটা প্রথা কোন ভালো বা গ্রহণযোগ্য প্রথা হতে পারেনা। এতে প্রকৃত মেধাবীরা বঞ্চিত হয়। প্রশাসনে মেধাবীর চেয়ে অমেধাবীর আধিক্য বেশী বলে রাষ্ট্রীয় কাজে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। দিন দিন অভিজ্ঞ ও মেধাবী সরকারী কর্মকর্তা হ্রাস পাওয়াতে আগামীতে রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
সরকারী চাকরীতে ২০১৮ সাল থেকে ৫৬% শতাংশ কোটায় নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, ১০ শতাংশ নারী, ১০ শতাংশ জেলা, ৫ শতাংশ ক্ষুদ্রজাতিগোষ্ঠী এবং ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা। শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। পরে এ কোটায় মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং তারপর নাতি-নাতনীদের যুক্ত করা হয়। বৈষম্যমূলক এই কোটা পদ্ধতির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে ব্যাপক ছাত্র আন্দোলনের কারণে সরকারী চাকরিতে নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত কোটা পদ্ধতি তুলে দেয় সরকার। এই বিষয়ে ২০১৮ সালে ৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিপত্র জারি করে। এই পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে রিট করেন চাকরি প্রত্যাশী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অহিদুল ইসলামসহ সাতজন। রিটের প্রাথমিক শুনানী নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে পরিপত্রের পাশাপাশি এর আগে দেওয়া হইকোর্ট ও আপিল বিভাগের আদেশ প্রতিপালন না করা এবং মুুক্তিযোদ্ধাদের প্রাপ্য অধিকারের প্রতি অবজ্ঞার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করা হয়। সংক্ষেপে এই হচ্ছে কোটা আন্দোলনের নেপথ্য বিষয়।
এই কোটার ভয়াবহতা নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি নমুনা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়েতে ২৫ জন নিয়োগ দিবে। বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুযায়ী এই ২৫ জনের মধ্যে ২০ জন পোষ্য কোটা আর ২ জন মুক্তিযোদ্ধা কোটা, আর মাত্র ৩ জন সাধারণ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নুরুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিদের উদ্দেশ্যে বলেনÑ“মেধা ও শ্রম দিয়ে যুদ্ধ করে প্রমাণ করো তুমি এক বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি। তোমার বাবাতো যুদ্ধ করেনি, যুদ্ধ করেছে তোমার বাবার বাবা। তাহলে তুমি কোন যুক্তিতে কোটা পাবে? মুক্তিযোদ্ধার ছেলে পর্যন্ত কোটা মানা যায়। ওয়ারিশও তো বাবার ছেলেমেয়েরা পায়। দাদার কাছ থেকে নাতিরা পায়না। প্রকৃতপক্ষে কোটা থাকা উচিত শুধু প্রতিবন্ধীদের জন্য। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক বলেছেনÑবীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত সম্মান জানানোর জন্য কোটা তুলে নিন।
এদিকে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র পুনর্বহাল সহ চার দফা দাবীতে “বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা “বাংলা ব্লকেড” কর্মসূচী পালন করছে। এতে রাজধানীসহ গোটা বাংলাদেশ স্থবিরতায় পড়ে গেছে।
আমরা মনে করি বেশী জল ঘোলা না করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে একটা গ্রহণযোগ্য সমঝোতায় আসা উচিৎ। বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতির কারণে মেধাবীরা হতাশার গহ্বরে নিমজ্জিত হবে। এতে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। অতএব সাধু সাবধান।

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো