এখন সময়:রাত ৩:০০- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ৩:০০- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

মুন্সী আবু বকর-এর গুচ্ছ কবিতা

 

সুতোয় বাঁধা পতাকা

 

পতাকা শুকায়-

লাল রঙটা এখনো ভেজা,

সবুজটা শুকিয়ে গেছে আগেই।

 

একজন দর্জি বলল,

“এই কাপড় বদলিও না,

সেলাইয়ের দাগেই ইতিহাস টেকে।”

 

আমি বললাম,

“কিন্তু বাতাস বদলে গেছে-

এখন পতাকা উড়লে, ছায়াটাই আগে নড়ে।”

 

তখন সে হেসে বলে,

“তুমি ইতিহাস মাপছো আলোয়,

আমি মাপি সেলাইয়ের সুতোয়-

যেটা ছিঁড়লে পতাকাও থাকে,

কিন্তু গল্পটা হারায়।”

 

 

ধূসর মানচিত্র

 

নদী জানে না, কোন তীরে তার অধিকার-

শুধু স্রোত বয়ে চলে, নিয়ম মেনে।

 

কিছু নৌকা দিক হারায়,

কিছু নোঙর পাথরে আটকে যায়।

 

তবু দূরের বাতিঘর বলে-

“বুদ্ধিমানেরা ফিরে আসে না ক্ষমতায়,

ফিরে আসে দায়িত্বে।”

 

 

ভোটের ছন্দ

 

রাষ্ট্র কখনো ঘুমায় না-

নিরাপত্তার আলোয় চাঁদকে ঢেকে রাখে।

বাতাসে ভাসে আদেশ,

ভোটের কালি সংকেত জানায় ফাঁকে।

 

মানুষ নেই, মিছিল নেই-

শুধু ইউনিফর্মের ছায়া

আর চুপচাপ

গভীর শিহরণের মায়া।

 

 

 

 

 

 

 

জনতার আদালত

 

ভোটের বাক্সে ঘুমায় বিচার,

আদালত হাঁটে জনতার রাস্তায়।

সাদা কাগজে কালির দাগ-

একটি সিদ্ধান্তের চিহ্ন,

যেখানে ন্যায় মানে সংখ্যার আলো।

 

ইতিহাস বসে থাকে বেঞ্চে,

অতীত সাক্ষী, ভবিষ্যৎ জুরি।

রাষ্ট্র শুধু রূপক,

মানুষই একমাত্র আদালত—

যার রায়ে সূর্য ওঠে, আবার ডুবে যায়।

 

 

 

ধীরে ধীরে নিভে যাওয়া আলো

 

একটা প্রদীপ ছিল-

যার আলোয় ঘর চিনত নিজেকে।

 

একদিন বাতাস এসে বলল,

“তুমি কে?”

 

প্রদীপ থেমে গেল-

আলো রইল, কিন্তু ঘর চিনল না পথ।

 

জানালায় আজও আলো পড়ে,

কেউ জানে না-

ওটা সূর্য, নাকি প্রদীপের শেষ নিশ্বাস।

 

সাফল্যের ছায়া

 

সিঁড়ি বেয়ে উঠতে উঠতে

সে খেয়াল করে-

শীর্ষের আলো চোখে লাগে,

কিন্তু ভেতরের অন্ধকারে

হারিয়ে যায় তারই প্রথম দীপ্তি।

 

সাফল্য কি তবে মুখোশ?

নাকি এক গোপন ফাঁদ-

যেখানে আনন্দকে ঢেকে রাখে

অতিরিক্ত জৌলুসের পর্দা?

 

তবু যে থামতে জানে,

সে খুঁজে পায়-

অচেনা শান্তির নীলকণ্ঠ

নিজেরই ভেতরে।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি