এখন সময়:ভোর ৫:১৬- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:ভোর ৫:১৬- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

যেতে হবে আরো বহুদূর… (সম্পাদকীয়- ডিসেম্বর ২০২৩)

বিজয়ের ৫২ বছর পরে এসে পেছনের দিকে তাকালে সত্যি অবাক হতে হয়। আমরা কী ছিলাম, এখন কী হয়েছি? যে বাঙালি জাতিকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে কটাক্ষ করা হয়েছিল সেই বাঙালি এখন বিশ্ব সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, অর্জন করেছে মর্যাদার আসন। উন্নয়নের বহুবিধ সূচকে প্রতিবেশী অনেক দেশকে বাংলাদেশ ছাড়িয়ে গেছে। কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমেÑখাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মোকাবেলা করছে। শিক্ষা-স্বাস্থ্যেও যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থায় হয়েছে অভূতপূর্ব উন্নয়ন। গোটা জাতি এখন তথ্য প্রযুক্তিতে অভ্যস্থ হয়ে বাংলাদেশকে ডিজিটাল নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে এসেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে ও অর্থনীতিতে হয়েছে বিস্তর অগ্রগতি।

বীরের এই অমিত সম্ভাবনাময় জাতিকে পশ্চিম পাকিস্তানি ও তার দোসররা মিলে চেয়েছিল দমিয়ে রাখতে। কিন্তু বাংলার দামাল ছেলেরা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ছিনিয়ে এনেছে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য। দীর্ঘ নয় মাস বাংলার কৃষক-শ্রমিক-জনতা একাকার হয়ে যুুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ১৯৭১ সালের ষোল ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্র্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লাল সূর্য উদিত হয়। কিন্তু হানাদার বাহিনী শুধু ত্রিশ লক্ষ বাঙালি নিধন করে ক্ষান্ত হয়নি ধ্বংস করে দিয়েছে এ দেশের যোগাযোগ ও অবকাঠামো, লুট করে নিয়েছে ব্যাংকের টাকা। এ জাতি যাতে ভবিষ্যতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সেজন্য যুদ্ধের শেষ মুহূর্তে এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের নৃশংসভাবে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে পরিষ্কারভাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন ‘তোমরা আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবানা’। সত্যি পারেনি। অদম্য সাহসী বীরের জাতি বাঙালি স্বাধীনতার পর থেকেই নিজেদের আত্মউন্নয়নে মনোনিবেশ করে। বিজয়ের ৫২ বছর পর এসে পেছনে তাকালে বিস্ময়ে অবাক হতে হয়। একাত্তরে আমরা কী ছিলাম, এখন আমরা কী হয়েছি?

কিন্তু এখানেই থেমে গেলে চলবে না। আমাদের যেতে হবে আরো বহুদূর। আমাদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এখনও আন্তর্জাতিক মানের হয়নি। এ দুটো খাতে আমরা চলমান বিশ্ব থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও নির্বাচনী ব্যবস্থায় আনতে হবে ব্যাপক পরিবর্তন। আর দেশ থেকে ঘুষ, দুর্নীতি, বিতাড়িত করতে পারলে এ দেশটা সত্যি সত্যি সোনার বাংলাদেশে পরিণত হবে। আসুন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমাদের ঘাটতিগুলো পূরণ করি। আমরাও একদিন উন্নত বিশ্বের কাতারে দাঁড়াবো বুক উঁচিয়ে। সেদিন আর বেশি দূরে নয়।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি