এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

শাহরুখ খানকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার হুমকি !

যে সিনেমা হলে পাঠান সিনেমা মুক্তি পাবে, সেটি জ্বালিয়ে দেবেন, হুঁশিয়ারি অযোধ্যার মহন্তের। ট্রেলার প্রকাশের শুরু থেকেই বিতর্ক। ইতিমধ্যে কিছু রাজ্যে শাহরুখ-দীপিকার পাঠান সিনেমাটি বয়কটেরও দাবি উঠেছে। এবার এই আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ল অযোধ্যার মহন্ত পরমহংসের ভিডিয়োবার্তা। যেখানে শাহরুখ খানকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মোহন্ত হনুমান গারহি রাজু দাস। এমনকি যে সিনেমা হলে পাঠান মুক্তি পাবে, সেই সিনেমা হলও পুড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। ভিডিয়োবার্তায় ঠিক কী বলেছেন মোহন্ত? মোহন্ত হনুমান গারহি রাজু দাস অযোধ্যায় প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে বলেন, “বেশরম রং গানটি গেরুয়া রঙের অপমান করেছে। আমাদের সনাতন ধর্মের মানুষেরা ক্রমাগত এর প্রতিবাদ করছে। আজ আমরা শাহরুখ খানের পোস্টার জ্বালিয়েছি। যদি জিহাদি শাহরুখ খানের সঙ্গে দেখা হয়, আমি তাঁকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারব।”

এখানেই শেষ নয়, জনগণের কাছে ‘পাঠান’ সিনেমা বয়কটের আবেদন জানিয়ে ভিডিয়োবার্তায় মোহন্ত বলেছেন, “পাঠান সিনেমাটি সনাতন ধর্মের অপমান করেছে। আমি জনগণের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যে সিনেমা হলে পাঠান সিনেমা মুক্তি পাবে, সেটি জ্বালিয়ে দেবেন।”

শাহরুখ খান-দীপিকা পাড়ুকোনের ‘পাঠান’ সিনেমার ‘বেশরম রং’ গানটির ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দীপিকা পাড়ুকোনের গেরুয়া রঙের বিকিনি পড়া নিয়েই বিতর্কের সূত্রপাত। মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও সিনেমাটি বয়কটের ডাক তুলেছেন। এরপরই বিতর্কের ঝড় ওঠে অযোধ্যায়। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ শুরু করেছেন তপস্বী ছাবনির সাধুরা। সেই প্রতিবাদ মঞ্চ থেকেই এবার শাহরুখ খানকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার হুঁশিয়ারি দিলেন অযোধ্যার সাধু হনুমান গারহি রাজু দাস।

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো