এখন সময়:রাত ২:৫৫- আজ: মঙ্গলবার-৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:রাত ২:৫৫- আজ: মঙ্গলবার
৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

সমালোচনামূলক চিন্তা ও উদ্ভাবনী সংস্কৃতির বিকাশ চাই

আবু তৈয়ব

 

জাতির উন্নয়ন শুধু রাস্তা, সেতু, ভবন দিয়ে মাপা যায় না; প্রকৃত উন্নয়ন মাপা হয় মানুষের চিন্তার গভীরতার সূচক বা প্যারামিটার দিয়ে।

সমালোচনামূলক চিন্তা মানুষকে মুক্ত করে, উদ্ভাবনীতে প্রেরণা ও সাহস জোগায়। সেই উদ্ভাবনী সংস্কৃতি জাতিকে এগিয়ে নেয়।

আমরা এখন শিশুদের শুধু “কি ভাবতে হবে” তা শিখায়। “কিভাবে ভাবতে হবে” তা শেখাই না।” কি ভাবতে হবে বা কি করতে হবে ” তার চেয়ে যদি বেশি জোর দিই শিশুকে  কিভাবে ভাবতে হবে বা কিভাবে করতে হবে তার উপর তা হলে আগামীর বাংলাদেশ হবে শুধু উন্নয়নশীল নয়, উদ্ভাবনশীল, চিন্তাশীল এবং বিশ্বনেতৃত্বের উপযুক্ত একটি জ্ঞানভিত্তিক জাতি। কিন্তু আমাদের শিক্ষাদানের প্রক্রিয়া আমাদেরকে শুধু পাঠ্য বই এর বিষয়গুলো তৈরি করার কৌশল না শেখায়ে পরীক্ষার খাতায় হুবহু কিভাবে কপি করে তোলে দেওয়া যায় সেকাজে শিক্ষা দাতা-গ্রহীতারা গলদঘর্ম হয়ে যাই। আশ্চর্য লাগে এটাই যে আবার পাঠ্যবই এর অনুশীলনীগুলো শিক্ষার্থীদের মানসিক ব্যায়াম বা উপযোগিতা তৈরি হওয়ার উপদান হিসেবে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সেই সবের অভিজ্ঞতার মুখোমুখী না করিয়ে, সেই অভিজ্ঞতার উপর স্বচেষ্টায় চিন্তার কাঠামো গড়ে উঠতে না দিয়ে আবার সেই সব অনুশীলনীর সলভগাইড বই কিনে দিতে হয়, কোচিং সেন্টারে পাঠাতে হয়। সারা বছর ধরে চলে পরীক্ষার প্রস্তুতিমুখী শ্রেণিকার্যক্রম ও পরীক্ষার ফলাফলকেন্দ্রিক নানা আয়োজন, ক্লাস টেস্ট, টিউটোরিয়েল পরীক্ষা, মডেল টেস্ট ইত্যাদি। যা দিয়ে অপুষ্টিকর প্রজন্মই গড়ে উঠে। যারা আমাদেরকে হতাশার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এখান থেকে ভালো ফলন, কি গুণগত দিক দিয়ে, কি পরিমাণগত দিক দিয়ে কিছুই আশা করা যায় না। আরও বড় ধরণের সংকট তৈরি হতে যাচ্ছে  সামনে। দুই কারণে। এক প্রথমত শিক্ষার্থীদেরকে যে জ্ঞান অর্জন করানো হচ্ছে সেই জ্ঞান প্রজন্মরা কাজে লাগাবে বা দক্ষতার প্রয়োগ করতে পারবে আগামীতে ১৪/১৫ বছর পর, তারা যখন পাস করে বাইর হবে তখন। সেই ১৪/১৫ বছর পর তথ্যপ্রযুক্তির প্লাবনে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব আমাদেরকে সেই সময় কোথায় কোন অবস্থায় নিয়ে যাবে তা শিক্ষাবিজ্ঞানীরা ধারণা করতে পারছে না, নিশ্চিত হতে পারছে না। হয় তো এমনও হতে পারে এখনকার শেখানো বিদ্যা বা দক্ষতা সেই সময়ে কোন কাজেই আসবে না। দ্বিতীয়ত, আমাদের এই প্রজন্মরা শুধু আঞ্চলিক প্রতিযোগিদের সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকার চেষ্টা করবে না, বিশ্বায়নের এই যুগে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফরমে গিয়ে বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তখন শুধু পরীক্ষার ফলাফলকেন্দ্রিক যোগ্যতা নিয়ে এই প্রজন্মরা টিকে থাকার সম্ভাবনা থাকবে না। তখন সেই পরিস্থিতে সেই সময়ের একাধিক চাহিদা ও দক্ষতা যার থাকবে সেই-ই টিকে যাবে। এখন শিক্ষাবিজ্ঞানীরা বড় ভাবনায় পড়ে গেছে ১৪/১৫ বছর পর একজন চাকুরী প্রার্থীর সেই সময়ে কী কী যোগ্যতা বা দক্ষতা লাগবে তা ধারণা করতে পারছে না। তাই সহজ কথায় মত দিচ্ছেন বহুমুখী যোগ্যতা ও দক্ষতা অর্জন করে রাখতে হবে। একাধিক ভাষায় দক্ষতা, উন্নত স্তরের সামাজিক দক্ষতা, সাম্প্রতিক চাহিদা, সফটওয়ের,রোবোটিক্স ইত্যাদির ওপর দক্ষতা। যেটার দক্ষতা চাওয়া হবে সেটা যেন পূরণ করতে পারে, পূরণ করতে না পারলেও সে নতুন পরিস্থির নতুন চাহিদার সাথে অভিযোজিত হতে পারে।

বিষয়টা কেন্দ্রীয়ভাবে ভাবা শুরু হলেও সামাজিকভাবে বিস্তৃতিভাবে ভাবা হচ্ছে না বলে শিক্ষায় আমরা তলানিতে পড়ে যাচ্ছি,সফল হতে পারছি না। ভয়বহ ব্যাপার ঘটবে এই যে আমরা যখন তখনকার সময়ের পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতির চাহিদা অনুযায়ী দক্ষপ্রজন্ম গড়তে না পারি, তখন বিশ্ব উন্নয়নের দ্রুত পরিবর্তনের দৌড় প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পিছনে পড়ে যাব আমরা, তখন বিশ্বের সাথে আমাদের সকল ধরনের যোগাযোগ ও লেনদেন ভেঙে পড়বে। তারা আমাদেরমুখী থাকার কোন প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে না। এখানে আরও বড় ট্র‍্যাজেডি অপেক্ষা করছে। শিক্ষাবিজ্ঞানী ও দার্শনিকরা ধারণা করছে এটা ঘটবে চতুর্থ দশক থেকে। এই বিষয়ে তাই আমাদের গভীর মনোযোগ দেওয়া জরুরি। জাতির উন্নয়ন শুধু রাস্তা, সেতু, ভবন নির্মাণ দিয়ে হয় না; প্রকৃত উন্নয়ন ঘটে  মানুষের চিন্তার গভীরতা দিয়ে। তার মধ্যে অন্যতম আইকনিক চিন্তা হল, সমালোচনামূলক চিন্তা। যে চিন্তা মানুষকে জড়তা থেকে, কুসংস্কার থেকে মুক্ত করে। অন্যতম সংস্কৃতির ধারা হল উদ্ভাবনী সংস্কৃতি। যে সংস্কৃতি জাতিকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নেয়, সমৃদ্ধ করে। চোখধাঁধানো বস্তুগত উন্নয়ন যেমন রাস্তা, ব্রীজ, কালভার্ট, ফ্লাইওভার, আকাশচুম্বী অট্টালিকা চাকচক্যময় মল ইত্যাদি দিয়ে ভোগবাদী বা আরামবাদী হওয়া যায়। কিন্ত উন্নত সভ্যতা ও মানসিকতা তৈরি করা যায় না। আমরা মানসিক পুষ্টি জোগান দেওয়ার জন্য আরও ব্যবস্থা নেওয়া দূরে থাক বরং যা আছে তা সংকোচিত হয়ে যাচ্ছে। পাড়ার পাঠাগার, আড্ডাঘর, খেলার মাঠ, বই মেলা, সংস্কৃতি পারফর্মসের ক্ষেত্র, জ্ঞান ধারণ ক্ষমতা সব কিছুতে সংকোচন দেখা যাচ্ছে। উর্বর জমি ছাড়া ভালো ফসল ফলানো যায় না তেমনি এই সব উর্বর ক্ষেত্র ছাড়া পুষ্টিকর প্রজন্ম গড়া যাবে না। যেমন, অষ্টম শতকের মাঝামাঝি ক্ষমতায় এলেন আব্বাসীয়রা; আর তাঁদের সময়ে দেখা দিল আরব বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ। আব্বাসীয় বংশের দ্বিতীয় খলিফা আল-মনসুর (৭৫৪-৭৭৫) বাগদাদ নগরীর প্রতিষ্ঠা করেন ৭৬২ সালে। এর পরের মাত্র পঞ্চাশ বছরের মধ্যে বাগদাদ সেকালের দুনিয়ার সবচেয়ে বড় শহর হয়ে দাঁড়ায়। শুধু যে জনসংখ্যা, ব্যবসা-বাণিজ্য আর ঐশ্বর্যের চাকচিক্যে বাগদাদ বড় হয়ে ওঠে তা.নয়, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার দিক দিয়েও বাগদাদ হয়ে ওঠে সেকালের পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু। ৭৫০ থেকে ৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিপুল আকারে চলে জ্ঞানবিজ্ঞানের নানা ক্ষেত্র থেকে গ্রহণ আর আত্মসাতের পালা। এই সময়ের মধ্যে অ্যারিস্টটল, গ্যালেন, প্লেটো, টলেমি, ইউক্লিড, আর্কিমিডিস প্রমুখ গ্রিক মহারথীদের প্রায় সব বই আরবিতে ভাষান্তরিত হয়ে গিয়েছে।

 

আল-মনসুরের সময়ে বহু গ্রিক বিজ্ঞানীর বই আরবিতে অনুবাদের ব্যবস্থা করা হয়; তার মধ্যে ইউক্লিডের ‘এলিমেন্টস্’ (জ্যামিতিতত্ত্ব), টলেমির ‘আলমাজেস্ট’ (জ্যোতির্বিদ্যা) এবং হিপোক্র‍্যাটিস ও গ্যালেনের চিকিৎসাবিদ্যার বই-এর কথা উল্লেখ করা যায়। ৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় এক জ্যোতিষী বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানের বই ‘ব্রহ্মসিদ্ধান্তের’ এক খ- নিয়ে বাগদাদে হাজির হন। আল-মনসুর অবিলম্বে তারও অনুবাদের ব্যবস্থা করেন।

 

নবম শতকে বিদেশি জ্ঞান-বিজ্ঞানের বই-এর অনুবাদ ব্যাপক আকারে চলতে থাকে। পঞ্চম আব্বাসীয় খলিফা হারুন-অর-রশীদ (৭৮৬-৮০৯) এবং তাঁর পুত্র সপ্তম আব্বাসীয় খলিফা আল-মামুন (৮১৩-৮৩৩) গ্রিক, ভারতীয় ও অন্যান্য ভাষা থেকে অনুবাদের কাজে বিশেষ উৎসাহ দেন। আল-মামুন গ্রিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের বই-এর পা-ুলিপি সংগ্রহ করার জন্য বাইজান্টাইন সম্রাটের দরবারে এক প্রতিনিধিদল পাঠান। তাঁর উৎসাহে অ্যারিস্টটলের বইগুলো গ্রিক থেকে আরবিতে অনুবাদ করা হয়। এছাড়া ৮৩০ সালে তিনি বাগদাদে ‘বায়তুল হিক্কা’ (জ্ঞানগৃহ) নামে এক বিশাল গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেন। এমনি সব উদ্যোগের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বিজ্ঞানের নানা বিভাগে এমন ব্যাপক চর্চা শুরু হয় যে, দশম-একাদশ শতকে মুসলিম বিজ্ঞানীরা মূল্যবান মৌলিক আবিষ্কার করতে শুরু করেন।

 

এসব প্রচেষ্টা যে শুধু বিজ্ঞানের তত্ত্বগত আলোচনায় সীমাবদ্ধ থেকেছে তা নয়। বিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগের দিকেও সমানভাবে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। খলিফা হারুন-অর-রশীদ বাগদাদে একটি সরকারি হাসপাতাল স্থাপন করেন। পরবর্তীকালে এই হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক হয়েছিলেন বিখ্যাত চিকিৎসাবিদ আল-রাজি (৮৬৫ হতে ৯২৫)। নবম ও দশম শতাব্দিতে মুসলিম বিশ্বে ৩৪টি হাসপাতাল স্থাপন করা হয়। এভাবে শুরু হয় মুসলিম বিশ্বের স্বর্ণযুগ। তারা সমালোচনামূলক চিন্তা আর উদ্ভাবনী সংস্কৃতির চর্চার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছেন বলে। কই তারা তো এই ক্ষেত্রে জ্ঞানে বিভাজনের কথা ভাবেনি। চিন্তার স্বাধীনতা, প্রশ্ন করার সাহস, বিশ্লেষণী মনন এবং নতুন কিছু সৃষ্টির সক্ষমতা তাদের মধ্যে ছিল বলে তা সম্ভব হয়েছিল।

কিন্তু আজ আমরা কোথায়? সেই ক্ষমতা থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি। তাই আমরা নানা ফেরকা ও বিভাজনের যুক্তি তর্ক নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। ওই পর্যন্ত এক গবেষণায় উঠে এসেছে আমরা ১২০/১২৫ টি ভাগে ভাগ হয়ে গেছি। প্রত্যেক গ্রুপই স্বমহিমা ও সঠিকতা প্রমাণে এতই ব্যস্ত হয়ে পড়েছি বিশ্ব কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে সেই দিকে মনোযোগ দেওয়ার ফুরসৎ নেই।

জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিনল্যান্ড, সিঙ্গাপুর কিংবা ইসরাইল-এই দেশগুলো প্রমাণ করেছে, একটি জাতির প্রকৃত উন্নয়ন ঘটে তখনই, যখন তারা মুখস্তনির্ভর শিক্ষার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে সমস্যা চিহ্নিত করে, প্রশ্ন করে, পরীক্ষা করে, ব্যর্থতা থেকে শেখে এবং নতুন সমাধান তৈরি করে। এতেই প্রকৃত শিক্ষার উন্নয়ন ঘটায়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

 

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে শিক্ষার প্রসার ঘটলেও এখনো সমালোচনামূলক চিন্তা ও উদ্ভাবনী সংস্কৃতির জাতীয়ভাবে শক্ত ভিত পায়নি। তাই প্রয়োজন রাষ্ট্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিবার, শিল্পখাত ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত কর্মপরিকল্পনা।

ব্যক্তি যে তাড়নার মাধ্যমে তথ্য, যুক্তি, বিশ্বাস ও ঘটনাকে প্রশ্ন করে, বিশ্লেষণ করে এবং যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছায় সেই চিন্তা শক্তিকে সমালোচনামূলক চিন্তা শক্তি বলে। এই দিক দিয়ে এই জাতি আমরা অনেক পেছনে। তা বোঝা যায় দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এই পর্যন্ত আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার ঝোলা নিয়ে ঘোরাফেরা করতে পারি, বেচাবিক্রি করতে পারি, কিন্ত সেই অভিজ্ঞতাকে বিচার বিশ্লেষণ করে, সেই সব অভিজ্ঞতার উপর চিন্তার কাঠামো দাঁড় করাতে পারিনি। যে চিন্তা মানুষকে সম্পদে পরিণত করে, জাতি ও সমাজকে উন্নত করে।

তাই প্রজন্মদের স্বার্থে, সমাজ ও দেশের স্বার্থে আমাদেরকে আরও সচেতন হয়ে উঠতে হবে। সময়ের চাহিদা উপযোগী দক্ষ প্রজন্ম গড়ায় জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।

 

আবু তৈয়ব : শিক্ষাবিদ, গবেষক ও কলামিস্ট, চট্টগ্রাম

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি