এখন সময়:রাত ১:৩২- আজ: মঙ্গলবার-৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:রাত ১:৩২- আজ: মঙ্গলবার
৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল-এর গুচ্ছ কবিতা

মুগ্ধতা

 

জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে

 

তখন আমরা দুজন জোছনার বাইরে বাদুর

অন্ধদের মতো। তবু প্যাঁচাপাখির চোখে

অন্ধকারের ভাষায় মুগ্ধ হয়ে আমি পাঠ করি তোমাকে

তুমিও মুগ্ধ হয়ে মুখস্থ করো আমাকে।

 

আমাদের জন্য নিষিদ্ধ চাঁদ।

 

 

 

 

 

 

 

কুরুক্ষেত্র

 

গৃহযুদ্ধে পুরুষ পরাজিত, লেজটা কুকুরের মতো পাছার নিচে

আর স্নায়ুযুদ্ধে নারীরা হেরে যায় ক্রিয়াপদে।

 

যুদ্ধ-যুদ্ধ কলহে পারিবারিক রান্না পুড়ে দ্বৈত আগুনে

যুদ্ধ-যুদ্ধ যাপনে রিফুউজিজীবন।

 

সন্তানেরা সৈনিক হতে পারে না, ছন্দহীন দ্বন্দ্বে

এমতাবস্থায় তারা কুরুক্ষেত্রে আহত, নিহত হয়।

 

 

 

 

 

ভাতের আগে দুধের অধিকার

 

ভোটাভুটি বা বুড়ি আঙুলের অমোচনীয় কালিদাগের আগে

ভাতের স্বত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

এবং ভাতের আগে চাই মায়ের দুধের অধিকার,

অনীবার্য।

 

মা দিবসের পাশাপাশি সন্তান দিবস চাই,

সমান্তরাল।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মুক্তধারার মেয়ে

 

তোমার বহুমাত্রিক পূর্ণতা ছড়িয়ে থাকে

নামে, শিরোনামে…

প্রচ্ছদে, প্রিন্টার্স লাইনে, ইনারে, উৎসর্গে, পেছনের সাদা পৃষ্ঠা-পাতাতেও তুমি।

গ্রন্থের শরীর জুড়ে তোমার অবাধ বিচরণে

অনুভব করি তোমার স্পর্শ।

 

সর্বপ্রথম পঙক্তি থেকে সর্বশেষ পঙক্তি-

অর্থাৎ তোমার বিস্তার প্রতিটি অক্ষরে, যুক্তাক্ষরে,

প্রতিটি শব্দে, বাক্যে, বাক্যের বর্ণনায়,বেদনায়, আনন্দে, অর্থে, কমা-দাঁড়িতে,

প্যারায়, পর্বে, অধ্যায়ে তোমার ছড়িয়ে থাকা ছোঁয়া!

 

ছাপার ভূত বলে খ্যাত মুদ্রণপ্রমাদেও

তোমার মুদ্রাদোষের মতো ক্ষত অথবা সুন্দর স্পর্শ!

ফ্ল্যাপের লেখাও তোমার আঁচলের মতো বাড়তি ঝুলবারান্দা

বা বাগানের মতো নান্দনিক।

শাড়ি-ব্লাউজের মতো কাগজের সাথে মেচিং করা পোস্তানি, বোর্ড বাঁধাই

গ্রন্থের গ্রন্থিত প্রক্রিয়ায় তোমার দরদ প্রবাহমান

এবং আইএসবি নম্বরও একটি বন্ধনে ব্রেসলেট।

 

তুমি মুক্তধারার মেয়ে

তুমি আমাদের আবহমান বাংলা সাহিত্যের পূঁথিঘর।

 

 

 

* সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল : কানাডা প্রবাসী কবি

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি