এখন সময়:রাত ২:৫৮- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ২:৫৮- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

সৈয়দা নাদিরা বেগম-এর তানকা

(৫+৭+৫+৭+৭)

 

১.          ভ্রম হয় শুধু

আলো আলেয়া

দিকভ্রান্তি ঘটায়

ঠিকানাহীন,

শুধুই অন্ধকার

নিরুদ্দেশে হারায়।

 

২.          প্রতিপক্ষ

হাল ছাড়িনি

খুঁজে নিতে উদ্দিষ্ট

বৈরিতা বাঁধা,

জয়ী সম্ভাবনার

অপরাজিত আশা।

 

৩.          বিষাক্ত ছোবল

বিষ ছড়াল

রুদ্ধ শ্বাস-প্রশ্বাস

মরণদশা !

আনবে পরিত্রাণ

ঐশ্বী নির্দেশনায়।

 

৪.         একান্ত

মাটির দেহে

কুম্ভকারের পুনি

দহনে জ্বলে,

সময়ে- অসময়ে

পোড়ায় নিরন্তর।

 

৫.          বৃদ্ধাশ্রম

মানব হাত

হাতে হাত রাখবে

মমতা ভরা।

দুঃসময়ের সাথী

একাকিত্বের পাশে।

 

৬.          আমিময়

আমার মধ্যে

তোমার মিশে থাকা

অন্তবিহীন।

আমার আমি হয়ে

ভালোবাসায় বাঁধা।

 

৭.         ভাঙন

নশ্বর রূপ

ভেঙ্গে যায় সহজে

ভাঙন সত্তা!

তাই ভেঙে যাবেই

ভাঙার প্রবণতা।

 

 

 

 

 

৮.          সন্দেহ

শুধুই ভুল?

বাঁধা নয় হৃদয়ে!

অন্তরঙ্গতা

ক্ষণিক প্রত্যাশার

বন্ধু সে পলাতক।

 

 

৯.        পিছিয়ে পড়া

পথ সুদীর্ঘ!

বেঁচে থাকার টানে

একাকী হাটা।

ক্লান্তিহীন চলায়

কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায়।

 

১০.       মুক্তধারা

আদিম মন

অন্ধ বিবরে নয়,

মুক্ত আলোক

ঘটাবে সুনিশ্চিত

মানব উত্তরণ।

 

১১.          থমকে যাওয়া

অন্যরকম!

ইচ্ছার ভাবনারা

বাঁধেনা বাসা,

ঘূর্ণি আবর্তে বন্দি

নিত্য নিয়তি সঙ্গী।

 

১২.         সন্ধানী

প্রতিবিম্বিত

মুখোমুখি আয়না

আত্মদর্শন !

অনাবৃত আড়াল

চেনাজানা নিজেকে।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি