এখন সময়:ভোর ৫:৪৯- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:ভোর ৫:৪৯- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

স্বাধীনতাকামী তিন প্যালেস্টাইনি কবির কবিতা

অনুবাদ : আলমগীর মোহাম্মদ

দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছে ফিলিস্তিনের মানুষ। স্বাধীনতাকামী মানুষের কাছে বক্তৃতা, সভা, সেমিনার প্রভৃতি অনেকটা অর্থহীন। তারা চায় দুঃখের সরাসরি অবসান। ইসরায়েলের একের পর এক আক্রমণে ফিলিস্তিনিদের সবুজ ভূমি পরিণত হয়েছে নরকে।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার কথা ব’লে এমন তিনজন  কবির কবিতা।

১.

তোমাদের শঠতাপূর্ণ বক্তৃতা  বন্ধ করো, আমার মানুষ  মরছে

মূল: নুর হিন্দি

 

[নুর হিন্দি একজন ফিলিস্তিনি আমেরিকান কবি ও রিপোর্টার।]

 

ঔপনিবেশিক লেখকেরা  ফুলের কথা  লিখে ।

আমি তোমাদের বলছি ফিলিস্তিনের শিশুদের কথা যারা ইসরায়েলের ট্যাংকে পাথর  ছুঁড়ছে

ডেইজি ফুল ফোটার ঠিক কয়েক  সেকেন্ড  আগে

আমি সেসব কবিদের অনুসরণ করতে চাই যারা চাঁদের খবর রাখে।

ফিলিস্তিনিরা জেলে থেকে চাঁদ দেখতে পায় না।

চাঁদ খুবই সুন্দর।

ফুলগুলো বেশ সুন্দর।

বিষণœতা চেপে বসলে আমি আমার গত হওয়া বাবার জন্য ফুল তুলি।

তিনি সারাদিন আল জাজিরা দেখেন।

আমার ইচ্ছে জেসিকা আমাকে ‘ শুভ রমজান’ লেখা বন্ধ করুক।

আমি জানি আমি আমেরিকান কারণ আমি যখন কোনো স্থানে যাই সেখানে কিছুর মৃত্যু ঘটে।

মৃত্যু নিয়ে মেটাফর কবিদের জন্য যারা মনে করে ভুত শব্দের খবর রাখে।

মৃত্যুর পর, আমি শপথ করছি তোমাকে চিরকাল তাড়িয়ে বেড়াব।

একদিন, আমি ফুল নিয়ে লিখব স্বাধীনতা নিয়ে।

 

ক.

নরকে

মূল: নাজওয়ান দরবিশ

[ নাজওয়ান দরবিশ (১৯৭৮) তাঁর সময়ের অন্যতম কবি। তাঁর কবিতা প্রায় দশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এই পর্যন্ত। ]

 

ঊনিশো ত্রিশ দশকে

নাজিরা এটা করেছিলো

ভুক্তভোগীদের গ্যাসের চুল্লিতে ছুঁড়ে ফেলতো

বর্তমানের জল্লাদেরা আরো পেশাদার:

তারা গ্যাসের ট্যাংক ছুঁড়ে মারে

ভুক্তভোগীদের উপর।

 

খ.

হে নরক, ২০১০

হে নরক, হে দখলদার, তোমরা এবং তোমাদের সন্তানেরা

এবং পুরো মনুষ্য জাতি নরকে যাবে তোমাদের মতো হলে

নৌকা, বিমান, ব্যাংক এবং বিলবোর্ডগুলো নরকে যাবে

আমি চিৎকার করে বলি, “হে নরক”

যখন ভালো করে জানতে পারি যে

আমিই একমাত্র

নরকের বাসিন্দা।

 

গ.

সুতরাং আমাকে শুয়ে থাকতে  দাও

এবং

নরকের বালিশে মাথা রেখে বিশ্রাম নিতে দাও।

৩.

একজন ফিলিস্তিনি যা বলতে পারে

মূলঃ নাওমি শিহাব নয়ি

 

[নাওমি শিহাব নয়ি (১৯৫২) একজন ফিলিস্তিনি আমেরিকান কবি, ঔপন্যাসিক ও চিত্রনাট্য লেখক। ]

কী?

তুমি নিজের দেশে স্বস্তিতে নেই,

প্রায় রাতারাতি?

টুকিটাকি জিনিস সব

যার প্রতি তুমি যত্মবান ছিলে,

হয়তো নিশ্চিতভাবে ধরে নেয়া যায়…

তুমি  অপমান বোধ

করো, অদৃশ্য?

যেন তোমার অস্তিত্বই নেই সেখানে?

কিন্তু তুমি সেখানে আছ।

যেখানে আগে তুমি অবাধে মিশতে পারতে…

অন্যদের প্রশংসা করতে পারতে

যারা শুধু তোমার মতো নয় …

বিভেদ বাড়তে থাকে শক্তিশালী রূপে।

এটাই ‘নির্বাচিত’ এবং ‘অনির্বাচিতরা’ করবে।

(কেবল নিজের ঘর ও বাগানের দিকে নজর রেখো।

খেয়াল রেখো পুষ্পময় সেই গাছের।)

 

হ্যাঁ, একটি দেয়াল। আমাদের লোকজন এসেছিল পরবর্তীতে কিন্তু…

যিনি জানান দেন কী বিষণœতায় ছেয়ে বসে স্থানটি,

বিশাল এক দেয়াল দিয়ে ঘেরা?

সেটা স্বাভাবিক কোনো ছায়া নয়।

আপনার জীবনের উপর চেপে বসা অন্যকিছু।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি