
যমুনা ফিউচার পার্ক
হানিফ ওয়াহিদ: আমি নিচতলায় বউয়ের জন্য আন্ডারগার্মেন্টস দেখছি। তিনজন মহিলা পুলিশ সেখানে ঢুকলো। একজন মনে হলো অফিসার পর্যায়ের। তারা ঢুকেই লেডিস ব্যাগ দেখতে লাগলো।একজন সেলসম্যান

হানিফ ওয়াহিদ: আমি নিচতলায় বউয়ের জন্য আন্ডারগার্মেন্টস দেখছি। তিনজন মহিলা পুলিশ সেখানে ঢুকলো। একজন মনে হলো অফিসার পর্যায়ের। তারা ঢুকেই লেডিস ব্যাগ দেখতে লাগলো।একজন সেলসম্যান

শারমিন আফরোজ : ইচ্ছে ছিলো খুব গুছিয়ে নিজেকে উপস্থাপন করবো আমার লেখনিতে।লেখা কি এতো সহজ? লিখতে হলে জানতে হয়।ঘটনার পর ঘটনা সাজিয়ে হয় না লেখা।

রোখসানা ইয়াসমিন মণি : কীরে এখনোও জুটাইতে পারলি না? আরে না! কী বলিস? পটাইতে এতদিন লাগে? তোর কী মনে হয়? কইলেই পাওয়া যায়? ক্যান পাওয়া

কাজী লাবণ্য: নিচের কাকিমা বুঝি জিরে তেলে গাদা খানেক শুকনো লংকা দিয়ে কিছু একটা সম্বার দিলো। লহমায় ঝাঁঝটা এসে আমার নাকে ঢোকার আগেই সরতে চেয়েও

হিরণ্ময় গঙ্গোপাধ্যায়: পলাশ গাছগুলো, কত বছর বয়স কে জানে, অন্তত গাঙ্গুলি অমনি সাইজেরই দেখেছে চল্লিশ বছর আগে। পলাশ গাছ বড়ো শম্বুক গতিতে বাড়ে। মাটিতে ফুল

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি