এখন সময়:রাত ২:৫১- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ২:৫১- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

Day: এপ্রিল ৬, ২০২৪

অতৃপ্ত বাসনা

হানিফ ওয়াহিদ   ফারিয়ার বয়স যখন আঠারো, তখনই তার বিয়ের সম্পর্কটা আসে। পাত্রের বয়স তার চেয়ে দ্বিগুণ। প্রথম পক্ষের বউ আছে, প্রায় তার সমবয়সী  সন্তানও

বৈদেশিক মুদ্রা ও বিষধর সাপ

রোকন রেজা নিয়ামত আলি একটু এলোমেলোই হাঁটছিল। হেরিংবন রাস্তা থেকে নেমে মেঠোপথ ধরেছে সে। সন্ধ্যের আগে আগে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। পথের দু’ধারে ছোট

সুইডেনের গল্প

লিয়াকত হোসেন আজও জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি চারদিক সাদা তুষারে ছেয়ে আছে। তুষারপাত হয়েছে রাতে। ভোরের রোদে চিক চিক করছে চারপাশ। ফ্যাকাশে আপেল গাছে পাখির

পিতা

নুসরাত সুলতানা রহমতের সাথে কথা বলা শেষ হতেই আফজাল সাহেবের রাগে-দুঃখে ক্ষোভে সব ভেঙে ফেলতে ইচ্ছে করে। দাঁতে দাঁত চেপে হাত মুঠো করে আফজাল সাহেব

মুল্লুক খাওয়া

কাজী লাবণ্য নন্দীবাড়ি গ্রামের রাস্তাটা পেরুলেই গোহাট। সেখানে গোবর, খড়, বিচালি, ঘাস পড়ে আছে। গতরাতে এখানে গরুর হাট বসেছিল। সামনে বড় ঈদ। মোছলমানদের বাড়িতে অসংখ্য

মাছ সংবাদ

শোয়ায়েব মুহামদ   এক হেজা বৃত্তান্ত শ্রাবণ মাসের। অমাবস্যা আর নি¤œচাপের সিগনালে সকাল থেকে টানা বৃষ্টি আর তার ভেতর হেজা যায় নয়টা লাউ নিয়ে হাটে।

ছড়া (মার্চ ২০২৪)

মোড়লপনাকে ঘৃণা অরুণ শীল   পুরস্কার নিয়ে কত তেলবাজি এবং মোড়লপনা যে মানে মানুক আমরা কাউকে মোড়ল মানবো না কারা ভালো লেখে, কার কী কী

আলী তারেক পারভেজ এর অনুকাব্য

১. আসবে কি না আসবে ছিলে সংশয়ে আগন্তুকের ডাকে, অচেনা এক নীড়ে এখন প্রেমের অভিষেক দেখো বিস্ময়ে বলছো-‘আর কখনো যাবে না ফিরে’   ২. আমি

পদাবলি (মার্চ ২০২৪)

বধ্যভূমি মিনার মনসুর    ১. পেছনে মাথার খুলি সারি সারি; রক্ত-কুয়াশায় ডুবে আছে পৃথিবীর পথ; পদতলে কঙ্কালের পাশা খেলা তবু থামবার সাধ্য নেই; ফুরসত নেই দম

দুপুর রঙের বৃষ্টি (পর্ব-১৬)

রাজকুমার শেখ খুব হতাশ হয়ে ফিরে আসে নাজ। সঙ্গে মিনা আসে। ওকে একা ছেড়ে দেয় না মিনা। রমি চলে যায় ওদের ফরাসডাঙাতে। নাজরা ওখানেই অটো

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি