
মানতের ডিম- মূল: চিনুয়া আচেবে
ভাষান্তর: জ্যোতির্ময় নন্দী [প্রখ্যাত নাইজেরীয় কথাশিল্পী চিনুয়া আচেবে’র পুরো নাম অ্যালবার্ট চিনুয়ালুমোগু আচেবে। ১৯৩০-এর ১৬ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসনাধীন নাইজেরিয়ার ওগিডিতে তিনি জন্ম

ভাষান্তর: জ্যোতির্ময় নন্দী [প্রখ্যাত নাইজেরীয় কথাশিল্পী চিনুয়া আচেবে’র পুরো নাম অ্যালবার্ট চিনুয়ালুমোগু আচেবে। ১৯৩০-এর ১৬ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসনাধীন নাইজেরিয়ার ওগিডিতে তিনি জন্ম

মখছুছ আলী চৌধুরী ১. লম্বা দাড়ি মুখত বুড়ার তসবিমালা আতত্ গেলদে বছর হজ গরি ঠিক উঠ্যি আবার জাতত গাত কুরে দে পরোল্লাই কেউ ন

১. মধ্যরাতে হৃদয় আমার জাগে তুমি থাকো তাহার পুরোভাগে আলতো করে ঘুমিয়ে পড়ো বুকে ঘুম কি আসে অসহনীয় সুখে ২. মেঘনা তো নয় ষোড়শী

তবু এসো, পদব্রজে বাতাসের ওপর খুরশীদ আনোয়ার তুমি নেই, তোমার সুঘ্রাণ জড়িয়ে শুয়ে আছি দীর্ঘক্ষণ তুমি নেই, তোমার ছায়া শরীরে লেপ্টে থাকি, নক্ষত্র-খচিত

অধরনামা তোমার অধরে আমূল আইসক্রিমের মজুদ যা ফুরোবার নয় একজীবনে আমার ঠোঁটে রোদলাগা পিপাসা যা নবায়িত হয় রাত পোহালেই ঠোঁটে ঠোঁটে এক জোট প্রার্থী

ভাবানুবাদ ও ভাষান্তর : ফারজানা নাজ শম্পা [ কবিতার ভাষায় সামাজিক সংস্কার ও পরিবর্তনের দায়বদ্ধতা থেকে প্রকৃতির অনুপম রূপের অনুরণন ঘটিয়েছেন কানাডার প্রখ্যাত কবি, শিক্ষাবিদ,গবেষক

রাজ কুমার শেখ আজ কলেজে থাকতে ভালো লাগছে না। নাজের পড়া মাথায় উঠেছে। কদিন যা গেছে ওর ওপর দিয়ে। এখনো ও মনে শান্তি পাচ্ছে না।

ড. জাহাঙ্গীর হাবীবউল্লাহ কবির হাতে জগৎ বদলায়। জীবনের সত্য ও সুন্দরকে কবি তার কবিতায় ভাষার নিজস্বতা নিয়ে নতুন করে সারা বিশ্বের চেনাজানা ছবিকে কলমে এঁকে

শোয়েব নাঈম ‘পাড়ভাঙা জলের চৌকাঠ’ কবি হাবিব আহসানের আত্মোপলব্ধির নির্যাসে পরিমাপ করা এক গভীর জীবনবোধ এবং অন্তরাত্মার সিদ্ধি ও শুদ্ধি-কে নিবিড়ভাবে ভাবিয়ে তোলা সীমাহীন নির্মল

রুদ্র সুশান্ত “মৃত্যু মানে আলো নেভানো নয়, এটি কেবল প্রদীপ জ্বালিয়ে দেওয়া, কারণ ভোর হয়েছে।” ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’ সিলভিয়া প্লাথ (Sylvia Plath) বিশ শতকের সবচেয়ে জনপ্রিয়,

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি