
বাঁশি: চিরন্তন বাংলার গৌরব ও ঐতিহ্যের নিজস্ব সুর-পঞ্চম পর্ব
নাজমুল টিটো : রবীন্দ্রনাথের বাঁশি (১৭১) “কহিলাম, ‘ওগো রানী, সাগরপারের নিকুঞ্জ হতে এনেছি বাঁশরিখানি। উতারো ঘোমটা তব, বারেক তোমার কালো নয়নের আলোখানি দেখে

নাজমুল টিটো : রবীন্দ্রনাথের বাঁশি (১৭১) “কহিলাম, ‘ওগো রানী, সাগরপারের নিকুঞ্জ হতে এনেছি বাঁশরিখানি। উতারো ঘোমটা তব, বারেক তোমার কালো নয়নের আলোখানি দেখে

অমল বড়ুয়া রাষ্ট্রহীন মানুষ প্রথমে সংগ্রাম করেছিল খাদ্য-সংগ্রহ ও হিং¯্র জীবজন্তু আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে আত্মরক্ষার্থে। কারণ, তখনও মানবজীবন ছিল অসহায় ও দীনহীন। আর দশলক্ষ

মুহাম্মদ ইসহাক জার্মান কবি ডরোথি জুল্লে’র লেখা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে অনেকটা অপরিচিত ছিল। তাঁর চিন্তা -ভাবনা ও সাহিত্যের বিচরণ অসাধারণ। বিদেশি লেখকের লেখা আমাদের

আলমগীর মোহাম্মদ বিশ্বসাহিত্যে কাফকা একজনই। বিচ্ছিন্নতবোধ, হতাশাগ্রস্ততা ও শেকড়হীনতার প্রকৃত রূপ যদি আপনি সাহিত্য পাঠের মাধ্যমে খুঁজে পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার কাফকা পড়া

ড. আহমেদ মাওলা ‘বাংলাদেশের সাহিত্য’ কথাটি আগে পরিষ্কার করে নিতে চাই। সাতচল্লিশে দেশভাগের পর বায়ান্ন’র ঘটনাবহুল সময়ের পটভূমি এবং একাত্তরে স্বাধীনতা অর্জনের পর অর্ধশত

ড. মহীবুল আজিজ ৭১. বেডারে মারি বের্ডি রাগ। “The woman beat the man, but it was she who was angry.” i.e., adding insult to

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি