
অসভ্যতার সংস্কৃতি সভ্যতারই কলঙ্ক (সম্পাদকীয়- জুলাই ২০২৬)
আপন আয়নায় মুখ দেখে টের পাওয়া যায় না ভেতরের অসুখটা কত গুরুতর। বাইরে সভ্যতার আলো ছড়ালেও প্রদীপের নীচের অন্ধকারের বৃত্তটি চোখে পড়ে না। আদিম প্রাকৃতিক

আপন আয়নায় মুখ দেখে টের পাওয়া যায় না ভেতরের অসুখটা কত গুরুতর। বাইরে সভ্যতার আলো ছড়ালেও প্রদীপের নীচের অন্ধকারের বৃত্তটি চোখে পড়ে না। আদিম প্রাকৃতিক

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো