এখন সময়:ভোর ৫:৪২- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:ভোর ৫:৪২- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

মুস্তফা হাবীব-এর তিনটি কবিতা

ঐতিহ্য ও গৌরব

 

নদী শুকিয়ে গেলে

ক্ষীণধারা বহন করে তার ঐতিহ্য- ইতিহাস

মরে গেছে ঘাঘর নদী, কপোতাক্ষ, ধানসিঁড়ি

বিজয়গুপ্ত মাইকেল জীবনানন্দ বেঁচে আছে বলেই

নদীরাও বেঁচে আছে কবিতায় শাশ্বত সুন্দর ।

 

আমার পিতামহ আবদুল কাদির বেঁচে নেই

তার গড়া মিয়ার চরের পাঠশালাটি মাথা উঁচু করে

জানান দেয় জন্ম ইতিহাস।

কাদির বেঁচে আছে লোকশ্রতির অমিয়ধারায়।

 

আমার পিতা বেঁচে নেই

তার সুকর্ম ও আশির্বাদে গড়ে যাই বীজতলা

আমিও হারাবো মাঘের শীতে কোনো একদিন

শোকে ফুল ফুটবে না, আকাশে উঠবে না চাঁদ

তবু কথা বলবে রেখে যাওয়া আমার সুবর্নীল স্বপ্নগাথা।

 

কবিতা পার্কের সাদা গোলাপ গাছটি সাক্ষী দেবে

সাক্ষী দেবে সুমিত্রা সারথি রূপম বুলবুল…..

বলবে, কবি মুস্তফা হাবীব আমাদের ঐতিহ্য ও গৌরব।

 

 

 

 

 

শত জনমের প্রেম

 

অনিন্দিতা,বলতে কি পারো

পৃথিবী এতো সুন্দর কেন? প্রেম আছে বলেই।

প্রেম আছে বলেই আকাশের বহুরঙ

চোখের তারায় জ্বলে ঝিকিমিকি, অপরূপ!

প্রেমহীন জীবন লাশকাটা ঘরের বীভৎস আখ্যান।

 

আমি সর্বান্তকরণে বিশ্বাস করি,

প্রেম আছে বলেই নদীর জল অবিরল কলকল সুরে

রাঙায় হৃদয়ের মাস্তুল, তাই

শত জনম বেঁচে থাকার আকাঙ্খায় উদ্বেলিত মানুষ।

 

প্রেম আছে বলেই গ্রীষ্মের রৌদ্রে

ডানা মেলে পাখি অন্য পাখিটির সন্ধানে

আমি বেতসবন ছিঁড়ে এসে বসি তোমার মুখোমুখি ।

প্রেম আছে বলেই ফুলের গন্ধে আপ্লুত হৃদয়

শিলাবৃষ্টিও অপরূপ রূপে মানুষের মনে জাগায় শিহরণ।

 

অনিন্দিতা,

প্রেম ছাড়া মানুষ বাঁচে না, বাঁচে না পৃথিবী

বাঁচার জন্য হিয়ার অতলে পুষে রাখি তোমাকে,

এবং জনম জনম তোমাকেই চাই।

 

 

 

 

 

রূপ রূপান্তর

 

চাহিদার প্রয়োজনে সব কিছুই বদলে যাচ্ছে

রূপান্তর থেকে রূপান্তর হচ্ছে কালের তৃষ্ণা

মৌলিক উপাদান দৃশ্যের অন্তরালে।

 

মানুষের চরিত্রে নামছে পরিবর্তনের ঢল

যারা রাতে নিশাচর রমণীর শরীর ছুঁয়ে ক্লান্ত

দিনের আলোয় তাদের আলখাল্লা-অবয়বে

ক্ষমতার স্ফূরণ।

 

এক একজন অশ্বত্থ বৃক্ষ

তাদের অধীনস্থ পৃথিবীর সব ক্ষুধার্ত মানুষ,

তাদের মুখের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে

একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা, বধ্যভূমির কঙ্কাল।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি