এখন সময়:রাত ৩:৫০- আজ: বুধবার-২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ৩:৫০- আজ: বুধবার
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

শ্রেফ পাগল !!

বাবুল সিদ্দিক

কয়েক বছর ধরেই লক্ষ করছি একুশে ফেব্রুয়ারির  ঠিক পরের দিন পাগলটাকে দেখা যায় শহরের অলিতে গলিতে, এ রাস্তায় ও রাস্তায়, এ মোড়ে ও মোড়ে, ডাস্টবিনের পাশে, নর্দমার ধারে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চষে বেড়ায় শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

সকাল বেলা কৌতূহল বসত জিজ্ঞাস করলাম,

“ তোমার নাম কি ? “

ও বলল , “ রফিক “

দুপুরে দেখলাম, পোস্ট অফিসের সামনে, ডাস্টবিনে হাত ঢুকিয়ে কি সব খুঁজছে।

বললাম, “ রফিক, কি খুঁজছ ?”

উত্তর দিল, “ আমি রফিক নই, আমি শফিক”

অবাক হলাম।

বিকেলে দেখা পার্কে কোনে।

বললাম, “শফিক, চা খাবে ?”

ও বলল, “আমি শফিক নই, আমি বরকত”

আর কোন উত্তর না দিয়ে হন হন করে হেটে গেলো বড় রাস্তার দিকে কাঁধে একটি বস্তা নিয়ে।

সন্ধ্যের মুখে বড় রাস্তার মোড়ে জটলা দেখে থমকে দাঁড়ালাম।জিজ্ঞাস করলাম,

“কি হয়েছে ?”

ভিড় থেকে একজন বলল,  “একটা চোর ধরা পড়েছে।“

ভিড় ঠেলে এগিয়ে গিয়ে দেখলাম, ল্যামপোস্টে বাঁধা সকালের

 

রফিক, দুপুরের শফিক, বিকেলের বরকত।পাশে মাল বোঝাই বস্তা, যা ছিল সকালে খালি।

একজন বলল,  “ঐ বস্তায় আছে চুরি করা জিনিস।”

খটকা লাগল,  জিজ্ঞাসা করলাম, “চুরি করেছ ? “

ও নির্বিকার, কোন উত্তর দিল না, মাটির দিকে তাকিয়ে রইল।

আমি বস্তার মুখের বাঁধন খুলে মাটিতে ঢেলে দিলাম, বেরোল  টুকরো টুকরো কাগজে ছাপার অক্ষর অ, আ, ক, খ, ছেঁড়া ফাটা, দুমড়ানো, মোচড়ানো, কাগজের ও কাপড়ের যত লাল, সবুজের জাতীয় পতাকা, ভাষা শহীদদের কিছু ছবি আর শহীদ মিনারের ছবি।  রাস্তা, ডাস্টবিন, নর্দমা থেকে কুড়িয়ে ভরেছে বস্তায়।

মুহূর্তে ভিড় হলো অদৃশ্য। ভিজে চোখে বাঁধন খুলে দিলাম পাগলের। আমার মুখের দিকে তাকাল একবার, তারপর মৃদুস্বরে বলল,

“দেখো, কেউ যেন পা দিয়ে মাড়িয়ে না যায়।”

তারপর আবার অক্ষরগুলো, পতাকাগুলো আর ছবিগুলো বস্তায় ভরে নিয়ে চলে গেলো দূরে বহু দূরে, আমার দৃষ্টির আড়ালে।

আমি দাড়িয়ে রইলাম স্তব্ধ হয়ে, অপার বিস্ময় আর একরাশ যন্ত্রনা বুকে নিয়ে।

 

 

বাবুল সিদ্দিক, নিউইয়র্ক প্রবাসী লেখক

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি