এখন সময়:রাত ৩:৪১- আজ: শুক্রবার-২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

এখন সময়:রাত ৩:৪১- আজ: শুক্রবার
২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-৬ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ-বসন্তকাল

মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের নারী

মাইনুর নাহার

 

নারী এমন একটা শব্দ যা শক্তি, সক্ষমতা, দৃঢ়তা, মমতাময়ী, স্নেহশীল আর প্রাণপ্রাচুর্যের আরেক রূপ। নারী ভঙ্গুর আবার ইস্পাত-দৃঢ়, প্রাণ প্রকৃতির ধারক। প্রকৃতির বিশাল কর্মযজ্ঞে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। হাট, মাট, ঘাট থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষকতা পেশা থেকে পাইলট সব জায়গায় নারী বিচরণ করছে তার যোগ্যতায়। ঘরে বাইরে সমান তালে সামলে নিচ্ছে, দায়িত্ব কর্তব্য পালন করছে নিবিড় মনোযোগ আর কর্মদক্ষতার মাধ্যমে। শুধু পারিবারিক, সামাজিক বা কর্মক্ষেত্রে নয়, দেশের যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতেও নারী ঝাঁপিয়ে পড়ে তার স্বভাবসুলভ আন্তরিকতায়।

 

বাংলাদেশের জন্মলগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সময় নারীর ত্যাগ-তিতিক্ষা সমীহ জাগানোর মতো। মুক্তিযুদ্ধে পুরুষের পাশাপাশি নারীর নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ, অবর্ণনীয় নির্যাতন সয়ে মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রাখা সত্যি অবাক করার মতো।

 

১৯৪৭-এর দেশভাগের পর পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করে। রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু- এই ঘোষণার কারণে তা আন্দোলনে রূপ নেয়। ৫২ সালে ভাষা আন্দোলন সর্বসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাঙালির মনে জাতীয়তাবাদী চেতনার বীজ রোপিত হয়। ২১শে ফেব্রুয়ারি ছাত্রহত্যায় বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠে।

 

ক্রমাগত গণআন্দোলনে ৫৪ সালে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়, ৫৬ সালে সংবিধানে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়। ৫৮-এর স্বাধিকার আন্দোলন, ৬৬-র ছয় দফা, ৭০-এর নির্বাচন ও অসহযোগ আন্দোলন, ৭১ এর ২৫শে মার্চের গণহত্যা বাংলার স্বাধীনতার আন্দোলনকে সশস্ত্র যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তির সংগ্রামে ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৬ ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে।

 

এতো পাশবিকতা, অবর্ণনীয় নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার হয়েও মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অংশগ্রহণ, মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করা, সশস্ত্রযুদ্ধে অংশগ্রহণ ছিল বিস্ময়কর। তেমনি কিছু নারী মুক্তিযোদ্ধার সংগ্রামী, বিপ্লবী ও সাহসী বিবরণ তুলে আনার চেষ্টা করব এই লেখায়।

 

চট্টগ্রামের পটিয়ার কচুয়াই গ্রাম সংগ্রাম পরিষদের মহিলা সম্পাদক আছিয়া বেগমকে পাকবাহিনীর দালালরা মারধর করে পিটিআই ক্যাম্পে নিয়ে যায়। পাকিস্তানবিরোধী অভিযোগে আওয়ামী লীগের ও ছাত্রলীগের পটিয়ার ৩৬ জন নেতাকর্মীর নামের তালিকায় আছিয়া বেগম ছিলেন অন্যতম। মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতার অভিযোগে তাঁকে ধরে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ছাড়া পাওয়ার পর ডুলাহাজারা হাসপাতালে চিকিৎসা চলে তাঁর।

 

পালপাড়া চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম ৩০শে এপ্রিল (১৬ই বৈশাখ, ১৩৭৮) শুক্রবার সংঘটিত হয় নারকীয় গণহত্যার। সেই দিন হানাদাররা তাদের দোসরদের সহায়তায় হঠাৎ আক্রমণ চালায়। তাদের ভয়াবহ বর্বরতায় ও তাণ্ডবে ১৪ জনকে হত্যা করা হয়। হত্যা, লুটপাটের পর তারা ৮৬টি ঘর আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং অনেক নারীকে ধর্ষণ করে। হায়েনারা মাস্টার ক্ষেত্রমোহন পালের ঘরে আগুন লাগিয়ে যখন তাঁর স্ত্রী আলো রাণীকে ধর্ষণ করতে উদ্যত হয়, তখন আলো রাণী জ্বলন্ত ঘরে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মাহুতি দেন।

 

৭১ সালের ১৭ই মে চন্দনাইশের শুচিয়া এলাকায় যাওয়ার পথে পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা পূর্ব জোয়ারা সংলগ্ন হারলার হাঁড়িপাড়া জ্বালিয়ে দেয় এবং ধর্ষণ করে কালিশংকর জলদাসের কন্যাকে। একই দিনে তারা পশ্চিম হারলার অনেক ঘরবাড়ি ও মহাজন বাড়ি পোড়ানোর পর শুচিয়ায় পৌঁছে মধ্যম পাড়ার ৩০০ বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়ে হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায় এবং তিনজন নারীকে ধর্ষণ করে। এরপর তারা শুচিয়া এলাকার কুলালডেঙ্গায় পৌঁছে ৬ জনকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। এদের মধ্যে একজন ছিল পাখি মহাজন যাকে ধর্ষণ করার পর গুলি করা হয়। সেই দিন চিনু মহাজন নামে একজনকেও ধর্ষণ করা হয়। তবে তাকে মেরে ফেলা হয়নি।

 

কচুয়াই গণহত্যা সংঘটিত হয় ১০ই ডিসেম্বর, শুক্রবার। সেদিন ভোররাতে শাহাজাহান ইসলামাবাদীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটা দল স্থানীয়দের সহায়তায় আরাকান সড়কের শ্রীমতি খাল ও কমলমুন্সির হাটের মধ্যবর্তী গিরি চৌধুরী বাজার সংলগ্ন ব্রিজটি ভেঙে দিয়ে আরাকান সড়ক ও সড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থান নেয়। দুপুরের সময় রাজাকার, পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের ভয়াবহ যুদ্ধ হয়। মুক্তিযোদ্ধারা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করলেও শেষ পর্যন্ত আক্রমণের মুখে টিকতে পারেন না। বেশির ভাগ মুক্তিযোদ্ধা গিরি চৌধুরী বাজারের পশ্চিম দিকে সরে যান। রাজাকার, আলবদর ও পাকবাহিনী ধাওয়া করেও যখন কাউকে হতাহত করতে পারে না, তখন ক্ষুব্ধ হয়ে পুরো অঞ্চলে গণহত্যা চালায়। হানাদার বাহিনী অনেকক্ষণ তাণ্ডব চালিয়ে হত্যা ও লুটপাট শেষে কিছু নারীকে ধর্ষণও করে । গিরি চৌধুরী বাজার এলাকার আরতি রাণী দে, তার মা, ঠাকুরমা মনোরমা, দুই কাকি ডলি ও রাধিকা ইজ্জত বাঁচাতে মুখে কালি মেখে লুকিয়ে ছিলেন একটি ঘরে। দুর্ভাগ্য, তাদের লুকিয়েও শেষ রক্ষা হলো না। চারজন রাজাকার সেই ঘরে ঢুকে ডলি ও মনোরমাকে অস্ত্রের আঘাতে মাটিতে ফেলে দেয় এবং আরতি রাণী দে’কে ধরে শিশুবিন্দুর ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। অপমান ও লজ্জায় আরতি রাণী বিষ পান করে আত্মহত্যা করেন।

 

চন্দনাইশ চৌধুরী পাড়ার মীর আহমদ চৌধুরী গ্রুপের চারজন সহযোগী নারী সদস্যের তালিকা পাওয়া যায়, যাঁরা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রান্না করে, তথ্য সরবরাহ করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন, তাঁরা হলেন ১. আনোয়ারা বেগম, স্বামী-মীর আহমদ চৌধুরী, চৌধুরী পাড়া, পূর্ব চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম। ২. মোবারক খাতুন, স্বামী-এমদাদ মিয়া চৌধুরী, চৌধুরী পাড়া, পূর্ব চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম। ৩. জোবাইদা খাতুন, স্বামী-আবদুল মজিদ চৌধুরী, চৌধুরী পাড়া, পূর্ব চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম। ৪. নূরবাহার, স্বামী-আবদুস সবুর, চৌধুরী পাড়া, পূর্ব চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।

 

মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামে জোরালো ভূমিকা রাখা নারীদের মধ্যে ডাক্তার নুরুন্নাহার ছিলেন অগ্রগামী একজন। তিনি ৫২ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সক্রিয় ছিলেন এবং রাষ্ট্রভাষার দাবিতে প্রথম চট্টগ্রামে মিছিল পরিচালনা করেন। ৫৪-র যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ৬৬-র ছয় দফা থেকে পরবর্তীতে এগারো দফা আন্দোলন, ৬৯-এর গণআন্দোলনেও নেতৃত্ব দেন। ৭১ সালের ২৫ মার্চ দিনগত রাতে তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার মেসেজ রিসিভ করেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে তিনি মুক্তিযুদ্ধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অংশগ্রহণ করেন এবং চট্টগ্রামের মহিলাদের সংগঠিত করে নেতৃত্ব দেন। চট্টগ্রামের মহিলাদের সংগঠিত করে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী গঠন করে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করেন আগ্রাবাদ এবং ও. আর.নিজাম রোডে। ঐতিহাসিক লালদিঘির ময়দানে ২রা মার্চ বিকেল তিনটায় স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর বিশাল সমাবেশে মহিলাদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

 

বেগম মুশতারী শফি চট্টগ্রামে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নারী মুক্তিযোদ্ধাদের একজন। তাঁর এনায়েতবাজার ‘মুশতারী লজ’-এ ৭১-এর ২৬শে মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার গোপন পরিকল্পনাসহ সকল কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে খবর পড়া ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও তিনি সম্পাদনা করতেন। যুদ্ধের প্রথম দিকে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র গোলাবারুদ লুকানো ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছিল তাঁর এনায়েত বাজারের বাড়িটি। তিনি চট্টগ্রামের নারীদের সংগঠিত করতে এবং মুক্তিযুদ্ধে যোগদানে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা ও আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে ৭১ সালের ৭ই এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী তাঁর স্বামী ডা. মোহাম্মদ শফী ও ছোট ভাই এহসানুল হককে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে।

 

মুক্তিযুদ্ধে নারীর আত্মত্যাগ ও অবর্ণনীয় নির্যাতনের কথা রাষ্ট্র কিংবা সমাজকে সেভাবে তুলে ধরতে দেখা যায় না। ধর্ষণ যেন নারীর ব্যক্তিগত ক্ষত। স্বামীহারা নারীর দুর্ভোগ, শোকাহত মায়ের কান্না যেন একান্ত নারীর। মুক্তিযুদ্ধে সম্ভ্রম হারানো নারীকে স্বীকৃতি দিতেও এই সমাজের অবহেলা, অনীহা পরিলক্ষিত হয়। নারীর অবদান ও আত্মত্যাগকে ক্ষুদ্র করে দেখানোর চেষ্টা সত্যিই দুঃখজনক। তবুও রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবারের যেকোনো বিপদে নারী এগিয়ে গেছে সাহস আর নিঃসংকোচে। নারী আজ শুধু গৃহিণী নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নিজ মেধায় মননে। রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে শুরু করে চাকরি, রাজনীতি, ব্যবসায় সর্বত্র নারীর পদচারণা লক্ষণীয়। কুর্নিশ প্রতিটা অকুতোভয় নারীকে, যারা নীরবে ধরিত্রীর বুকে ভালোবাসার বীজ রোপণ করে যাচ্ছে কোনো প্রতিদানের আশা না করে।

 

তথ্যসূত্র:

 

১. অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ (সম্পাদনা), বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ ৫ম খণ্ড, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ডিসেম্বর ২০২০।

২. প্রাগুক্ত, ২য় খণ্ড।

৩. প্রাগুক্ত, ৯ম খণ্ড।

৪. শামসুল আরেফীন, মুক্তিযুদ্ধে ৫ নম্বর বি মীর আহমদ চৌধুরী গ্রুপ (প্রবন্ধ), দৈনিক পূর্বকোণ, ২৬ মার্চ ২০১৯।

৫. হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তুফান ( নুরুন্নাহার জহুরের ছেলে)।

৬. বেগম মুশতারী শফী, স্বাধীনতা আমার রক্তঝরা দিন, মূর্ধন্য, অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১১।

 

 

মাইনুর নাহার, কবি ও প্রাবন্ধিক

চট্টগ্রাম

বিশ্ব নারী দিবসের পুনর্পাঠ : বহুমাত্রিক নারীর নতুন ভাষ্য

শাহেদ কায়েস   নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লার ইফতার অনুষ্ঠানে সুধীজনদের অভিমত বাঙালি জাতিসত্তা ও মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনার চিহ্নটিই অনির্বাণ অস্তিত্বের প্রতীক

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

প্রথা ভেঙে বেরিয়ে এসো নারী  

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

আদিবাসী নারী

কুমার প্রীতীশ বল   ‘হৈ হৈ হৈ জুমত  যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

মহাশ্বেতা দেবী: দর্শন, সাহিত্য ও সমাজচেতনার প্রতিফলন

রওশন রুবী   মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে