এখন সময়:রাত ২:৫০- আজ: মঙ্গলবার-৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:রাত ২:৫০- আজ: মঙ্গলবার
৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

সৈয়দা নাদিরা বেগম-এর তানকা

(অক্ষর বিন্যাস- ( ৫+৭+৫+৭+৭)

 

১।  পিছুটান

বলাকামন !

ডানা মেলে আকাশে

বাঁধনহারা।

ফেরার পথ খোঁজে

মায়ার পিছুটানে।

 

২।  প্রত্যাবর্তন

গভীর জলে

ডুবুরি ডুব দাও

অনুসন্ধানে !

পেতেও পারো ফিরে

জীবনের পাথেয়।

 

৩।  ফুলেল শুভেচ্ছা

নারী তোমাকে !

একা বন্ধুর পথ

চলেছো হেঁটে,

হার না মানা হার

কন্ঠে তোমার দোলে।

 

৪।  খাবিখায়

বাজারদর

অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ !

অনলতাপ

জোঁকের আমদানি

মরে ইতরজনা।

 

৫।  জলাতঙ্ক

আবদ্ধজলা

দূষণ নিমগ্নতা

বক্ষে ধারণ

আবরক আতঙ্ক

শুদ্ধি অপসারণ।

 

৬।  জলতরঙ্গ

ভাসাবো তরী

ভাসবো স্রোতে স্রোতে

নোঙরহীন

দিশাহারা নাবিক

ফিরবোনা সৈকতে।

 

৭।  ইপ্সিত

আনন্দঘন !

নয় একঘেয়েমি

স্রোতপ্রবাহে

স্ফূর্তিমান স্পন্দন

মাতিয়ে তোলে প্রাণ।

 

৮।  ফরিয়াদ

মাগফেরাত

সাওগাত আনুক

সবার দিলে

করুণা আল্লাহ্র

মুক্তিলাভ বান্দার।

 

৯।  বিভ্রম

অদ্ভুত সব

এলোমেলো ভাবনা

মাতিয়ে তোলে,

আবছায়া আঁধিয়া

ঘিরেছে আচ্ছাদনে।

 

১০।  আবদ্ধতা

স্থিরনিবদ্ধ

শুধুই উদরপূর্তি

প্রয়াসীমন

ঘানি টেনে চলেছে

দিনান্তে হবে শেষ।

 

১১।  শীতার্ত

ঘাসের বুকে

ঝিকিমিকি শিশির

রোদেলা রোদে

ঝরেপরা শেফালি

সিক্ত মাটির কোলে।

 

১২। রাশটানা নাই

ফাঁকা ফানুস

বাতাস ভর করে

হয় উড্ডীন

সীমানা আঁকা নাই

স্বাধীন বিচরণ।

 

১৩।  রঙের নেশা

রঙ্গিলামন

রঙে রঙে সাজায়

রঙের খেলা

সাতরঙে বিলীন

অসীম সীমানায়।

 

১৪।  ঘটনাপরম্পরা

স্তব্ধ নিমেষ

কিংকর্তব্যবিমূঢ !

সহসা স্থির

গম্যতা বহির্ভূত

বোধন চমকিত।

 

১৫।  প্রাপ্তিযোগ

সাদাকা হয়

সবার অবশ্যই

শুদ্ধ কথায়

আখের হবে ভালো

বঞ্চিত নয় কেহ।

 

১৬।  সুখসুখ খেলা

অভ্যস্ততায়

কর্মের আয়োজন

উদয়-অস্ত

নেই একঘেয়েমি

প্রশ্নহীন জীবন।

 

১৭।  রোজনামচা

সন্ধানে আসে

ফুড়–ৎফুড়–ৎ  চড়–ই,

ব্যর্থতা মানে

আশাহত প্রত্যাশা

নিমগ্ন হতাশায় !

 

১৮।  নিঠুরগরজি

একোন খেলা

খেলিছো নিশিদিন

বুঝিনা আমি !

শুধুশুধু ভণিতা

ভাণ আড়ালে টানে।

 

১৯।  ঘিরেছে অশনি

চেতনগ্রাস

ঘুরায় চক্র স্বার্থে

অন্ধ আবেশ,

শলা আশ্রয়ে মগ্ন

বিবেক প্রতিবন্ধী।।

 

২০।  পর্দা তুলে দাও

রহস্যাবৃত

কুহেলী আবরণ

ফেলেছে ছায়া

উন্মোচন অপেক্ষা

শুভযোগ প্রত্যাশা।

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি