এখন সময়:রাত ২:৪৯- আজ: মঙ্গলবার-৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

এখন সময়:রাত ২:৪৯- আজ: মঙ্গলবার
৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-গ্রীষ্মকাল

রাজেশকান্তি দাশ-এর গুচ্ছ কবিতা

বসন্ত বৃষ্টি

 

ওঠা বসন্ত নয়, বর্ষা

তার নিজস্ব একটা ভাষা আছে, বৃষ্টির ভাষা

মেঘ-বৃষ্টি-রোদের সৌন্দর্যম-িত।

দীর্ঘাঙ্গি দোলাচলে সে লিঙ্গ পরিচয় লুকায়;

তুমি, নিদাঘ গ্রীষ্ম হলে তারপর শুতে পারো!

তার কনিষ্ঠা ধরে

দেখবে বৃষ্টির গান গাইতে গাইতে গাইতে গাইতে

তোমার বসন্ত থেকে অঝোরে বৃষ্টি ঝরছে

আর সে জল গড়িয়ে পড়ছে

তোমার উঠোন, মাঠ, নদী হয়ে সমুদ্রে…

 

তোমার প্রত্যাশিত বত্রিশকলা পূর্ণ হচ্ছে

এবং তুমি ক্রমশ শীতল হচ্ছ।

 

 

আমার জতুগৃহ

 

আমাকে ছাড়ে না

অসীম নীল, সবুজের মায়া।

আমাকে ছাড়ে না

রংধনু রং, সপ্তসুরের ছায়া।

আমাকে ধরে আছে

কিছু রক্তবীজ, বাজখাঁইয়ের ঝাঁক।

আমাকে ধরে আছে

ভূস্বন্ডির দীর্ঘশ্বাস, মহাকালের বাঁক।

চিন্তা নেই-

তবুও আমি এ জতুগৃহেই থাকবো!

 

 

 

আয়ুফল

 

কুমারী ফুলটির দিকে তাকাও

মনোনিবেশ করো

দেখো, সে ব্যথার্ত; ভালোবাসা চায়

মানুষের ভালোবাসা

তার পুরো দেহ জননীর ছায়া

ডালপালা ঘিরে রেখেছে যে স্তনাগ্র

লুটেরার দল

সে স্তনাগ্র ছিঁড়ো না আর

যতœ করো… ছায়া দাও

বৃদ্ধির ছায়া

তার পাতায় পাতায় জল দাও

কারণ স্তন মাত্রই প্রজন্মের আয়ুফল

প্রশ্নহীন বাঁচার আধার।

 

 

 

 

বিয়োগ চিহ্নের পৃথিবী

 

ধূপরেখা আকাশ, নদীর বুকে আঁকে চাঁদের হৃদয়পট

নদীলিপির বৈচিত্র‍্যে ভরে ওঠে নৈসর্গের খসড়া খাতা

অবসন, ছাই, ভেদ করে ছড়িয়ে পড়ে রোদের মাংস

আলতামিরার বাঁশির মতো স্পন্দমিতি; রংশোভা…

প্রতœভাষা; টারশিয়ারি ছন্দ- এ তদ্ধিত রূপে ধ্বনিত হয়

আমার মাথায় চক্কর দেয় এ নক্ষত্রচূড়; অক্ষয়বাদ ও কর্ম

ভীম ও ভূমের মেহেদি; ধুলো বয়সের সিরামিকস সমীকরণ

আহা, হায়েনা গ্রাফিক ছেড়ে মানুষ যদি এমন হতো

মানুষের আকাশ যদি এমন হতো, মনে হয় হতো ভোর

এ বিয়োগ চিহ্নের পৃথিবীতে অর্কিড মু- হতো সূর্যগ্রন্থি

সমর্পণের বৃত্ত ভেঙে প্রেম ও ভালোবাসার অনুব্রজী জোছনা

দিনরজনি পথ ও পাতায় বিতরণ করত আলোকরাশি

কবিতার ফুটনোটে আমি লিখে রাখতাম তার রিদম ও সুর…

ফোঁসে ওঠা সর্পফণায় আমাদের জবানবন্দি করতে হতো না

জল বিপণনে শুকনো নির্ঝর হয়ে ওঠত গুনগুন নদী

দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছুটত এ জল পাখির ফ্লেক্সিলোড।

 

 

 

 

 

 

 

মুখোশপুরাণ

 

হাত তুলতে তুলতে আমি ক্লান্ত

মুখোশ আর কত দেখব?

মুখোশের গল্প আর কত শুনব?

এসব আর ভাল্লাগে না!

এ প্রৌঢ়ে এসেও মুখোশের আড়ালে

মুখ কি চিনতে পেরেছি?

শুধু ভ্রমের পিছনে দৌড়ানো ছাড়া!

জুতা ক্ষয় হয়েছে কত!

 

এ পথে ও পথে সব পথে ওরা; ক্রুর’রা

চেনার বাজারে আমার মতো ভূপেনও

ক্রমশ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে!

 

প্রতিটি মুখ যেন একেকটি সাক্ষাৎ বিপদ!

 

ঝরা পাতার মতো মুখররা শব্দহীন।

 

 

* রাজেশকান্তি দাশ: সিলেট

হাসনাত আবদুল হাই: নবতিতম জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

ডা. চন্দন দাশ ছিলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনের এক নিবেদিতপ্রাণ

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

তেজোদীপ্ত তোফায়েল আহমেদ বোধশূন্যতায় তুমি শোকসভা

কামরুল হাসান বাদল   বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

পান্থজনের কথা

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

পরিশেষে সেই তুমি

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি