এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

তৈমুর খান-এর তিনটি কবিতা

লা রাস্তা

 

ভালো রাস্তা খুঁজতে খুঁজতে এক একটা দিন কেটে যায়

আমি তবে ফিরব কোথায়?

সব পাড়াগাঁ-শহরে দৈত্যরা নেমেছে

যে রাস্তায় যাই, যে রাস্তায় যাই

দৈত্যদের সঙ্গে দেখা হয়

 

রক্ত লেগে আছে হাতে

চোখে-মুখে ক্রোধ মানুষ হত্যার

কত কাহিনি এখনও কাঁপে

আমরাও কাহিনি হব তবে?

 

জীবিকা আর জীবিকা সমাচার

আজ আর কে শুনতে চায়?

এখন বাজনা থেকেও বেশি বাজনদার

তমসার কাছে দাঁড়িয়ে আছি

কোথাও কি ভালো রাস্তা আছে আর

আমাদের ঘরে ফিরবার?

 

 

আহ্বান

 

দূর থেকে আহ্বান ভেসে আসছে

আমরা আহ্বানের দিকে যাব

আমাদের আর কোনো কিছু বিকল্প আছে?

আন্দোলন দেখতে দেখতে একটা যুগ বৃদ্ধ হয়

 

কত আহ্বানে ঝাঁপিয়ে পড়েছি

ফাঁসির মঞ্চে ঝরে পড়েছে জীবনের গান

তবুও থামেনি ঢেউ-

আমরাই প্রজন্মের নাম দিয়েছি কল্লোল

 

কত বাঁশি এখনও পড়ে আছে

বাজব বাজব বলেও বাজেনি-

বসন্ত পেরিয়ে গেছে কালবৈশাখীর দিকে

জাদুঘরে রেখে দিয়েছি সব গানের পাখিকে

 

সব পরামর্শরা মুখোশপরা আলো

দেখতেও খুব ভালো, মসৃণ, চকচকে

কোন্ সমুদ্র থেকে এলে?

ব্যর্থ বাগানে ফুটল না ফুল

যদিও সবাই আন্দোলিত হল আহ্বানের ঝড়ে!

 

 

 

 

 

 

অপরিচিত

 

তোমার বাড়ির পাশে বাড়ি

কোনোদিন পরিচয় হলো না

একই রাস্তা দিয়ে হাঁটলাম

একই দোকানে কিনলাম আনাজপাতি

একই জ্যোৎস্নায় ভিজলাম সারারাত

 

হয়তো আমার বাড়িটি তেমন ছিল না

হয়তো আমার পোশাক-আশাকেও দারিদ্র‍্যরে ছাপ

হয়তো আমার পায়ে চপ্পল ছিল

হয়তো কিনেছিলাম সস্তা আনাজপাতি

হয়তো জোৎস্নায় মিশে ছিল আমার কান্নার অভিশাপ

 

পরিচয় হলো না

আমরা বৃদ্ধ হয়ে গেলাম

পরিচয় হলো না

আমরা জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেলাম

 

 

 

* তৈমুর খান: বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো