এখন সময়:রাত ১:৩২- আজ: শুক্রবার-৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

এখন সময়:রাত ১:৩২- আজ: শুক্রবার
৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ-বর্ষাকাল

জন্মদাতা

রোকন রেজা

 

বিয়েটা হয়ে গেল। ভাইদের কাঁধ থেকে বোঝা নামল।

ছেলের বাপের পাঁচ বিঘা মাঠান জমি আছে। একটা মাঝারি গোছের আমবাগান আছে। বাড়ির সাথে লাগোয়া একটা ডোবা আছে। সবচাইতে বড় সুবিধার কথা হচ্ছে ছেলের বড় একটা বোন থাকলেও আর কোনো ভাই নেই। কাজেই সয়-সম্পত্তি যা আছে ভবিষ্যতে সবই ছেলের।

এর আগেও দুটো সম্বন্ধ এসেছিল। মেয়ে দেখে কেউই অপছন্দ করেনি। কিন্তু শেষমেশ বেঁধে যায় এক জায়গায়। মেয়ের বাপ নেই। পিতৃহীন মেয়েকে তারা বউ করে নিতে চায় না। পিতৃহীন মানে অভিভাবকহীন। অভিভাবকহীনদের নানা ধরনের ঝামেলা থাকে। নানান ধরনের সমস্যা থাকে। কিন্তু এই ছেলের মা কর্ণফুলিকে একবার দেখেই পছন্দ করে ফেলল। তার ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিতে উতলা হয়ে উঠল।

কর্ণফুলি আনন্দেই শ্বশুরবাড়ি চলে এলো। একটা দম আটকানো পরিবেশ থেকে সে  মুক্তি পেল। শ্বশুরবাড়ি এসে সে দেখল তার শাশুড়ির ব্যবহার অতি চমৎকার। আর দশটা শাশুড়ির মতো সে না। কর্ণফুলির সাথে সে সবসময়ই নরম গলায় কথা বলে। দু’একটা ভুলভাল করলেও চ্যাঁচামেচি করে না। বকাঝকা করে না। রাগ করে না। তাই শাশুড়িকে খুবই পছন্দ হয়ে গেল কর্ণফুলির।

একদিন সন্ধ্যেবেলা শাশুড়ি কর্ণকে ডেকে কাছে বসাল। দরদমাখা কন্ঠে বলল, আমার ছেলেডা একটু বেযুত। সারাদিন বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়ায়। তোরে আদর করে নিয়ে আইচি। তুই ইট্টু চেষ্টা না করলি কি করে হয়!

 

কর্ণ বাসররাতেই বুঝেছিল তার স্বামী গোলাম খুব একটা সুবিধার মানুষ হবে না। প্রথমরাতেই যে স্বামী নেশা করে বউয়ের কাছে আসে তাকে আর যায় হোক সুস্থ বলা যায় না। কর্ণ তখনই বুঝেছিল তার কপাল পুড়েছে। মামারা তড়িঘড়ি করে বোঝা নামিয়েছে।

কর্ণ মাথা নিচু করে শাশুড়ির কথাগুলো শুনলো। তারপর কিছুক্ষণ আনমনে বসে থেকে উঠে গেল ঘরের মধ্যে। সে তার ভাগ্য মেনে নিয়েছে। মেনে না নিয়ে উপায়ই বা কি! বাপমরা মেয়ে। মা’র কাছে ফিরে যাওয়ার আর কোনো উপায় নেই। মা’ই এখন ভাইদের কাছে বোঝা। যদি সে ফিরে যায় বোঝা দ্বিগুণ হবে। কে টানবে সেই বোঝা!

গোলাম হাইস্কুল পেরোয়নি। স্কুলে থাকতেই সে বিড়ি ধরেছে। গ্রামের বখাটে ছেলেদের সাথে মিশেছে। যত বড় হয়েছে আস্তে আস্তে অন্য নেশায় আসক্ত হয়েছে। বাগানের গাছগুলো একে একে সবই বিক্রি করে ফেলেছে। বাড়ির সাথে লাগোয়া পুকুরটা তিন হাজার টাকায় লিজ দিয়ে দিয়েছে।

মাঝে মাঝে কাজ করার নাম করে কোথায় হারিয়ে যায় সে। কিছুদিন পর আবার ফিরে আসে। হাতে কিছু টাকা-পয়সাও নিয়ে আসে  তখন। কর্ণর জন্য শাড়ি, থ্রি-পিচ কিনে আনে। মা’র জন্য নিয়ে আসে ম্যাক্সির কাপড়, একজোড়া স্যান্ডেল। মাছের বাজারে গিয়ে নিয়ে আসে বড় রুইমাছ, কাতলমাছ, গরুর মাংশ। তখন দু’চারটে দিন খুবই আনন্দ হয় বাড়িতে। একটা উৎসব উৎসব আমেজ বিরাজ করে চারপাশে। শাশুড়ির মন তখন চাঙা হয়ে ওঠে কদিন। আনন্দে দিন কাটায় সে। তখন এই গোলামকে আগের গোলামের সঙ্গে আর মেলানো যায় না। আবার কিছুদিন সে কোথাও-ই যায় না। চুপচাপ সারাদিন শুয়ে থাকে ঘরের মধ্যে। তারপর সন্ধ্যা হলে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। ফিরে আসে অনেক রাতে। কিছু বললেই তখন তেড়ে আসে পাগলা কুকুরের মতো। এইসময় কর্ণ ওকে ঘাঁটায় না।

আবার মাঝে মাঝে দু’চার মাস বাড়িতেই আসে না গোলাম। ভুস করে হারিয়ে যায় সে। আর খুঁজে পাওয়া যায় না। কেউ কেউ এসে কর্ণকে তখন বলে তার স্বামী গোলাম নাকি কুতুবপুরের যাত্রাপালায় বিবেকের গান করে। মেয়েদের সাথে ঘুরে বেড়ায়। তারা নাকি নিজ চোখে এসব দেখে এসেছে। কর্ণ একথা সত্যি সত্যি বিশ্বাস করতে পারে না। সে বিশ্বাস করতেই পারে না যে এতদূর থেকেও মানুষ যাত্রাপালা দেখতে কুতুবপুর যায়!

শীতের শেষে গোলাম যখন একদিন ভোররাত্রে ফিরে এলো কর্ণ নরম কন্ঠে জিজ্ঞেস করেছিল, যাত্রাপালায় তুমি কীসের অভিনয় করো গো?

গোলাম কর্ণর দিকে তাকিয়ে আশ্চর্য হওয়ার ভঙ্গি করে বলেছিল, যাত্রাপালায়  আমি অভিনয় করি তোরে কিডা বুললো?

আমি শুনিচি।

কনতি শুনলি?

সিডা তো বুলা যাবে না।

মুখের অভিব্যক্তি খানিকটা পরিবর্তন করে গম্ভীর কন্ঠে গোলাম বলেছিল, আমি তো অভিনয় করিনে। আমি করি গান। স্টেজের পেছনে বসে আমি গান করি। আর স্টেজে গলা মিলায় নায়ক।

তুমার গানের গলা কি খুব সুন্দর!

গোলাম নিশ্চুপ।

রাত্তিরি তুমরা কনে থাকো?

আমাগের থাকার জায়গা আছে।

তুমরা নাকি মেয়েছেলে একসাথে থাকো?

একথা শুনে মাছি তাড়ানোর ভঙ্গি করে গোলাম বলেছিল, দূর-মেয়েগের জন্যি আলাদা ঘর আছে। তারা সেকেনে থাকে।

যাত্রাপালায় খুব আনন্দ হয় না গো!

আনন্দ আর কী! ম্যানেজার আমারে পছন্দ করে। আমারে ডাকে। আমার গান না হলি পালা জমে না।

আবার কবে যাবা?

এ সিজেনে আর যাবো না। আবার সামনের বচ্চর।

তারপর গোলাম কর্ণফুলির দিকে তাকিয়ে আবেগ জড়ানো কন্ঠে বলেছিল, নে এ্যাকুন ঘুমাদিনি। আর প্যাঁচাল পাড়িসনে।

কর্ণ বিয়ের সময় শুনেছিল তার শ্বশুরের পাঁচ বিঘা মাঠান জমি আছে। কিন্তু এখানে এসে সে দেখল জমি ৫ বিঘা না, জমি আছে ২ বিঘারও কম। সেই দুই বিঘা থেকে গোলাম ইতিমধ্যে এক বিঘা বিক্রি করে ফেলেছে। এ নিয়ে একদিন রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর কর্ণর সাথে গোলামের কথা হয়। গোলাম যখন মুখের বিড়িটা ছুড়ে ফেলে বিছানায় শুতে যাবে কর্ণ তখন বলে, তুমি একটা কাজ কাম না দেখলি চলে কী করে! তুমার মা কত কষ্ট করে সংসারডা চালায়। তুমি তো চায়েও দেখো না!

কথা শুনে গোলাম ফোস করে ওঠে। সে কর্কশ কন্ঠে বলে, কাজ কাম না করলি কি এমনিতেই বাড়িতে মাছ আসে! গোস আসে! তোর জামার ছিট আসে! মা’র ম্যাক্সির কাপুড় আসে!

জমি বেচা ট্যাকা আর কত আছে ? কর্ণ হুট করে জিজ্ঞাসা করে বসে।

একথা বলার সাথে সাথে গোখরোর বাচ্চার মতো গলা উঁচু করে খেঁকিয়ে ওঠে গোলাম, ট্যাকা কত আছে এ হিসাব কি তোর কাছে

 

 

দিতি হবে! আমি কি তোর বাপের জমি বিক্রি করে আনিচি! আমার হিসাব তুই নিতি আসিস! তোর বাপের তো ভিটেডাও নেই।

একটু থেমে ওয়াক করে একদলা থুতু জানালা দিয়ে ফেলে গোলাম তারপর বলেছিল, আমি তোরে বিয়ে না করলি এতদিন তো আয়বুড়ি হতিস। কিডা তোরে বিয়ে করত! আমার বাপের জমি আমি বেচিচি-তাতে তোর এত পোড়চে ক্যানে!

কর্ণ সেদিন রাতে কেঁদেছিল। সে জানে কেঁদে কোনো লাভ নেই। তাই কাঁদা সে ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু সেদিন রাতে গোলামের কথাগুলো বুকের মধ্যে এমনভাবে বিধেঁ গেল যে বুকের মধ্যে জমে থাকা অভিমান অশ্রু হয়ে বেরিয়ে আসতে লাগল। আসলেই তার বাপের কোনো ভিটে-মাটি নেই। তার মা ভাইদের কাছে আশ্রিত। তাদের কোনো স্থায়ী ঠিকানা নেই।

বছর খানিকের মধ্যেই কর্ণর ফুটফুটে একটা মেয়ে হলো। কর্ণ মেয়ের নাম রাখল অধরা। অধরা বড় হতে লাগল।

এখন প্রায় প্রতিরাতেই গোলাম নেশা করে বাড়ি আসে। বাড়ি এসে অযথায় কর্ণকে অশ্লীল গালি গালাজ করে। ঘরের হাড়ি-পাতিল, কাঁথা-বালিশ ছুড়ে ফেলে বাইরে। চিৎকার চ্যাঁচামেচি করে। এসময় কর্ণ কোনো কথা বলে না। কথা বললেই নির্ঘাত মার পড়ে যাবে পিঠে। তাই সে যতটা পারে চুপ থাকার চেষ্টা করে। দু একটা কথা বললেই তেড়ে আসে আক্রোশে। বাবার এসব কাণ্ড-কারখানা দেখে অধরা ভয় পেতে থাকে। বাবা তার কাছে ক্রমশই ভয়ের আতংকের বস্তু হয়ে ওঠে। লোকটাকে বাবা ভাবতেই কষ্ট হয় অধরার।

আবার কখনও সখনও গোলামের মনটা যখন নরম থাকে অধরাকে কাছে ডেকে আদর করতে চায়। ভাব জমাতে চায় মেয়ের সঙ্গে। কিন্তু তখন অধরা ঠিক বিশ্বাস করতে পারে না তাকে। তার মনে হয় তার বাবা কি সত্যি সত্যিই তাকে ভালোবেসে কাছে ডাকছে! সে বুঝতে পারে না এই একই বাবা মাঝে মাঝে ওরকম ভয়ংকর হয়ে ওঠে কী করে! বাবাকে তার মাঝে মাঝে খুবই রহস্যময় মনে হয়।

এভাবেই চলছিল। এটাকে ঠিক ‘চলা’ও বলা চলে না। এটাকে বলা যেতে পারে বয়ে যাওয়া। নদীর স্রোত যেমন আপন গতিতে মহাকালের পানে বয়ে চলে ঠিক সেরকম।

গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি থেকে কিছু আয় হয় শাশুড়ির। এসব দিয়ে কোনোরকমে চলে যায় ওদের। মাঝে মাঝে চাল কেনার টাকাও হাতে থাকে না। একদিন দুপুরে শাশুড়ি এসে বিমর্ষ গলায় বলল, বউ কী করা যায় বোলোদিনি! ঘরে তো চাইল ডাইল কিছুই নেই। দুটো হাঁস বেজলাম। সে ট্যাকাও তো ফুরি গেল!

কিছুক্ষণ ঝিম মেরে বসে থাকার পর কর্ণ বলল, আমার একজোড়া স্বর্ণের বালা আছে। মা বিয়ের সময় দিয়েছিল। তুমি তো জানো। অধরার বাপ বারবার বিক্রি করতি চায়। আমি দিইনি। এজন্যি কত অশান্তি করে সে আমার সাথে। আমি সেতা গোপন জাগায় লুকিয়ে রাকিচি।

কর্ণ থামল। কষ্টে তার চোখে পানি এসে যাচ্ছে। চোখের পানি সামলে ধরা গলায় সে বলল, বালাজোড়া না হয় সংকরের কাছে বন্ধক  রাইকে কিছু ট্যাকা নিয়ে আসি।

কথা শুনে শাশুড়ি ভাবনায় পড়ে গেল। আতঙ্কিত কন্ঠে সে বলল, ও বালা তুই আর ছাড়াতি পারবি!

কর্ণ আশান্বিত কন্ঠে বলল, ছাগলদুটো আর একটু বড় হলি বেচে দেবোনে। ঐ ট্যাকা দি তকুন ছাড়ি আইনবোনে।

শাশুড়ি আর কথা বাড়ায়নি। তার পরেরদিন সকালে কর্ণ হাতের বালাজোড়া বন্ধক দিয়ে আসে মোড়ের দোকানে সংকরের কাছে। কিন্তু এই খবর গোলামের কানে পৌঁছতে সময় লাগলো না। সে সন্ধ্যেবেলা এসে কর্ণর চুলের মুঠি ধরে এমন মার মারল যে কর্ণ দুদিন বিছানা ছেড়ে উঠতে পারল না। তার মা বাধা দিতে গিয়েও ব্যর্থ হলো। ছেলেকে কিছু বকা-ঝকা করে আস্তে আস্তে শান্ত হয়ে গেল তার মা। গোলাম চেচিয়ে চেচিয়ে বলতে লাগল, মাগি তুই একা একা বাজারে যাস! কেন তোর ভাতার কি মরে গিয়েছে নাকি! সংকরের কাচতি কয়ট্যাকা নিয়ে আয়চিস বের কর।

বন্ধকের সাত হাজার টাকা কর্ণর কাছে ছিল। সেই টাকা অবশেষে বের করে দিতে হলো। গোলাম টাকা নিয়ে সেই সন্ধ্যায় হারিয়ে গেল।

হয়তো কেউ খবর দিয়েছিল কর্ণফুলির ভাইদের। পরদিন কর্ণর বড়ভাই রমজান এসে এক কাপড়েই ওদের নিয়ে এলো এখানে। ওরা আবারও আশ্রিত হয়ে পড়ল। সঙ্গে এবার আরও একজন-কর্ণর মেয়ে অধরা।

প্রায় মাসখানিক পরে গোলাম এসেছিল ওদের নিতে। কিন্তু কর্ণর ভাই, মা, পাড়া প্রতিবেশী যেতে দেয়নি। গোলাম এর আগেও দুবার এরকম করেছে। কেঁদেকেটে নিয়ে গিয়ে আবার সব ভুলে গিয়েছে। মাতালের মিথ্যা প্রতিজ্ঞায় বার বার বিশ্বাস করা যায় না।

গোলাম অনেক অনুনয়-বিণয় করেছিল। ক্ষমা চেয়েছিল। ওরকম ভুল সে আর করবে না বলেছিল। তবু কর্ণ আর গেল না।

অধরা এখন অনার্সে পড়ে। তার জন্মদাতা পিতা গোলাম বেঁচে আছে না মরে গিয়েছে সে জানে না। ওরা যখন চলে আসে তার কিছুদিন পর গোলামও নাকি  বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। তারপর সে আর ফিরে আসেনি।

মাঝে মাঝে উড়ো খবর শোনা যায় গোলাম নাকি বডার্র পার হয়ে ইন্ডিয়া চলে গিয়েছে। সেখানে সে বিয়ে করে সংসার করছে। আবার কেউ কেউ বলে তার পিতা গোলাম কবেই মরে গিয়েছে।

অধরা কেনোটাই ঠিক বিশ্বাস করতে পারে না। তার কেন জানি মনে হয় তার পিতা গোলাম আর ফিরবে না। ফিরলে এতদিন নিশ্চয় ফিরত! হয় সে সত্যিই সত্যিই মরে গিয়েছে অথবা এই পুরোনো অধ্যায় সে তার জীবন থেকে একেবারেই মুছে ফেলেছে।

অধরা তার জাতীয় পরিচয়পত্রে অথবা তার স্কুলের সার্টিফিকেটে কলেজের সার্টিফিকেটে পিতার নামের আগে মৃত লিখতে পারে না। মনের মধ্যে কেমন যেন বুদবুদের মতো একটা সংশয় জাগে যদি সত্যিই তার বাবা বেঁচে থাকে কোথাও! যদি সত্যিই সে ফিরে আসে কোনোদিন!

অধরার কাছে তার বাবার কোনো ছবি নেই। তার মা হয়তো ইচ্ছে করেই রাখেনি কোনো ছবি, কোনো স্মৃতি। যে স্বামী তার স্ত্রীকে  ঠেলে দেয় নির্ঘাত অন্ধকারে সে স্বামীকে মনে রেখে কি লাভ! যে পিতা কোনোদিন তার সন্তানের খবর নেয়নি। যে পিতা কোনো কর্তব্য পালন করেনি তার সন্তানের প্রতি সে কি আসলেই পিতা হওয়ার যোগ্য! তাই অধরা বাবাকে নিয়ে কোনো কল্পনা করে না। বাবাকে নিয়ে কোনো ছবি আঁকে না। বাবা তার কাছে এক রহস্যময় কষ্ট।

 

 

রোকন রেজা: গল্পকার, চুয়াডাঙা

আবুল ফজল : বাঙালি মুসলমান সমাজের বিবেকের কণ্ঠস্বর

ইসরাইল খান বাংলার নবজাগরণের সার্থক উত্তর-সাধক মনস্বী আবুল ফজল ছিলেন বাঙালি মুসলমান সমাজের বিকাশের এবং বিবেকের এক অন্যতম প্রধান কারিগর। বিশ শতকে মুসলমান সমাজকে যতোগুলো

মেরিল্যান্ড ডিসি বই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তসলিমা নাসরিন : যতদিন বেঁচে থাকি-  প্রগতিশীলের পক্ষে, ধর্মান্ধ মৌলবাদের বিপক্ষে আমার লেখা ও লড়াই চলবে

সাইয়িদ মাহমুদ তসলিম : নির্বাসিত লেখিকা ও  কবি তসলিমা নাসরিন বলেছেন, যতদিন বেঁচে থাকি , আমার লড়াই ও প্রতিবাদ থাকবে ধর্মান্ধ মৌলবাদের বিরুদ্ধে। অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল

‘কবিতার কথা’ চট্টগ্রাম আড্ডায় বক্তারা : ‘শুদ্ধতাই হোক কবিতার বুনিয়াদি রূপ’

রুহু রুহেল : ২৮ জুন ২০২৬ রবিবার সন্ধ্যায় অনাড়ম্বররূপে মুগ্ধতার কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হলো ‘কবিতার কথা চট্টগ্রাম আড্ডা’র ব্যানারে, মহিলা অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে।

বাংলা আমার প্রণোদনা পুরস্কার-২০২৬ পেলেন সংস্কৃতিকর্মী

চিংলামং চৌধুরী “শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চায় বিকশিত হউক নতুন প্রজন্ম” প্রতিপাদ্যে দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি-এর জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলা আমার উৎসব-২০২৬।

শুদ্ধ সংগীতের সুরে মুখর সীতাকুণ্ড সুরনন্দনের ১ম বার্ষিক সঙ্গীত সম্মিলন অনুষ্ঠিত

দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য : সীতাকুণ্ডে শুদ্ধ সংগীতচর্চার এক অনন্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সুরনন্দনের ১ম বার্ষিক শাস্ত্রীয় ও উপ-শাস্ত্রীয় সঙ্গীত সম্মিলন। গত ২ জুন ২০২৬