এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

রূপক বরন বড়ুয়া’র লিমেরিক

দ্রোহ

 

 

১.

এক চাষা করেছিলো আশা

ছাগলে দেখে লোভ তার খাসা

কী চায় কী খায়

সব গাছ কই যায়

জমিনে দেখে কীর্তিনাশা।

 

২.

ভুঁইফোড় ঘরে ছিলো দিয়ে দোর

মুখ ঢাকা চোখে আঁধারের ঘোর

মিথ্যার মিছিল

হলো শামিল

সবাই অবাক অসভ্যের কী জোর।

 

৩.

যুগ যায় যুগ খালি হবে মা’র বুক

সবুজে লাল চোখ নাই প্রাণে সুখ

বেহাল পাখি

রাত যে বাকি

দুঃশাসন বুকে শুধু ধুকপুক।

 

৪.

মাঠে ময়দানে অশ্লীল শব্দে

অভিধান সাজায় কালের অব্দে

শিশু কয়  হায়

কী আসে যায়

কতো কী শব্দ আছে জব্দে।

 

৫.

জুতার মালার অর্থ কে জানে

মুক্তিযোদ্ধা পায় কোন আধানে

মুক্তি কী নাই

যা ইচ্ছে তাই

দ্বন্দ্বে চুর কেবল হিংসা, ধ্যানে ।

 

 

 

 

 

৬.

স্কুলে শিক্ষকরা খায় কিল ঘুষি

ছাত্রের মনে এতো রাগ পুষি

ক্লাস যে খালি

দেদার গালি

পরীক্ষা বিনে পাশে খুশি।

 

৭.

ক্লাস আজ নাই বিপ্লবের রেশ তুলে

স্লোগানে অস্ত্রের নেকাব খুলে

ওরা পারে

ধায় আর মারে

দীঘল জলের বুকে বিষ গুলে।

 

৮.

বায়ান্ন,একুশকে যায় ভুলি

মুরাল ভাঙি ভিন্ন স্বর তুলি

চাঁদ-তারা চাই

পতাকায় নাই

ভ্রষ্ট বাহাস স্তম্ভে আঙুলি।

 

৯.

পদ্মার সেতুতে রাহু কেতু

সেতুর মাটি চাই এ কোন হেতু

স্ক্রু নাট খুলে

স্রোতে দুলে

নৌকায় দেয় পাড়ি বিনে সেতু!

 

১০.

সূক্ষ্ম নকশার জানু কারিগর

দেশ থাক বন্ধক থাকে কি এরপর

চুক্তির জয়গান

দেশটার যায় প্রাণ

মার্কিনী তানে বুঁদ এক জোচ্চোর।

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো