
সনতোষ বড়ুয়ার হালের ছড়া, কালের ছড়া
অর্জন গর্জন বর্জন গায়ের শালে লাগিয়ে আগুন ঝরিয়ে দিলেন ঘাম, স্বর্ণাক্ষরে থাকবে লেখা ইতিহাসে নাম! পরাজিত পাকিস্তানও যা’ করেনি আজও, রিজভী ভাইয়ে দিলেন

অর্জন গর্জন বর্জন গায়ের শালে লাগিয়ে আগুন ঝরিয়ে দিলেন ঘাম, স্বর্ণাক্ষরে থাকবে লেখা ইতিহাসে নাম! পরাজিত পাকিস্তানও যা’ করেনি আজও, রিজভী ভাইয়ে দিলেন

১. পরে আছি অনেক পিছে তোমার সাথে পাল্লা দিয়ে অন্ধকারে ছুটছি মিছে পাচ্ছি না যে আলোর রেখা দীপটি হাতে বহু দূরে সটকে গেছো তুমি

কথার ঝিনুক নিলয় রফিক চাঁদের শরীর ঢাকা শব্দের চাদরে মুখের নজরে ঠোঁটে গিলাফ-তিলক আলোর মুগ্ধতা প্রেমে ইতিবৃত্তে তীরে গল্পেই শুরু প্রমত্ত সমুদ্রে-পলক। শিল্পের

ঐতিহ্য ও গৌরব নদী শুকিয়ে গেলে ক্ষীণধারা বহন করে তার ঐতিহ্য- ইতিহাস মরে গেছে ঘাঘর নদী, কপোতাক্ষ, ধানসিঁড়ি বিজয়গুপ্ত মাইকেল জীবনানন্দ বেঁচে আছে বলেই

কবরের কাছে এলে আব্বার কবরের সামনে গেলে কেমন মাটি মাটি ভাব জেগে ওঠে। আব্বা শুয়ে আছে সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে। তার পাশে

মোড়লপনাকে ঘৃণা অরুণ শীল পুরস্কার নিয়ে কত তেলবাজি এবং মোড়লপনা যে মানে মানুক আমরা কাউকে মোড়ল মানবো না কারা ভালো লেখে, কার কী কী

১. আসবে কি না আসবে ছিলে সংশয়ে আগন্তুকের ডাকে, অচেনা এক নীড়ে এখন প্রেমের অভিষেক দেখো বিস্ময়ে বলছো-‘আর কখনো যাবে না ফিরে’ ২. আমি

বধ্যভূমি মিনার মনসুর ১. পেছনে মাথার খুলি সারি সারি; রক্ত-কুয়াশায় ডুবে আছে পৃথিবীর পথ; পদতলে কঙ্কালের পাশা খেলা তবু থামবার সাধ্য নেই; ফুরসত নেই দম

চিঠি সন্তোষ কুমার শীল বৃষ্টি ভেজা আঁধার রাতে লিখছি তোমায় চিঠি আলোর পাখি জোনাকিরা তাকায় মিটিমিটি চিঠি পেয়ে ভালোবাসায় সিক্ত হবে তুমি অঝোর ধারায়

অনুভবে ত্রি-মাত্রিক ছায়াদৃশ্য সাথী দাশ এক. বিস্তৃীর্ণ মাঠ পেরিয়ে দিগন্তরেখা, ওখানে দু’চোখ রেখে দেখাম লাল সূর্যের লাফিয়ে ওঠা। অদ্ভুত শিহরণ এক, চোখে-শরীরে; নতুন করে

ইসরাইল খান ভূমিকা: উনিশ শতকের রেনেসাঁস হিন্দুসমাজেই বদ্ধ ছিল। ওর মর্মবাণী সমাজঅভ্যন্তরে প্রবাহিত করেছিলো যেসকল সাময়িকপত্র তা ছিল হিন্দুসমাজপতিগণের। মুসলিম- পত্রপত্রিকার উদাহরণ কেবলই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। উল্লেখ

\ আন্দরকিল্লা ডেক্স \ নাটোর ভিক্টোরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার হাজেরা ফাউন্ডেশন সাহিত্য সম্মেলন শুভ উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে প্রতি

মন ও প্রাণের অনাবিল আনন্দ আমেজে শীতার্ত সন্ধ্যেয় হৃদয়ের উষ্ণতায় উচ্ছল উচ্ছ্বাসে আন্দরকিল্লার ২৮ বছর পদার্পণ, ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬, এবং তিন কবির জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠিত

ইকবাল তাজওলী কলেজ থেকে ফিরছি। সাধারণত আমি ট্রেনেই ফিরি। কী করব? বাড়ি বেশ দূরেও না, আবার একদম কাছেও না। যোগদান করেছি এই মাস ছয়েক

রোখসানা ইয়াসমিন মণি ডা. অভ্র সেনগুপ্ত, একজন প্রথিতযশা জ্যোতির্বিজ্ঞানী। ল্যাবের কাঁচের দেওয়ালের ওপারে ধূসর আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। আজ সকালটা মেঘাচ্ছন্ন, ঠিক তার মনের মতো।