
পদাবলি (নভেম্বর ২০২৩ সংখ্যা)
আমার কবিতা (গাজা‘র নির্ভীক শিশুদের–কে) শ.ম.বখতিয়ার আমার কবিতা হাওয়ায় উড়িয়ে দেবো নির্দ্বিধায়, বৃক্ষের শাখায় ঝুলে থাকবে সবুজ পাতা হয়ে স্নিগ্ধ ছায়া দেবে রুদ্র

আমার কবিতা (গাজা‘র নির্ভীক শিশুদের–কে) শ.ম.বখতিয়ার আমার কবিতা হাওয়ায় উড়িয়ে দেবো নির্দ্বিধায়, বৃক্ষের শাখায় ঝুলে থাকবে সবুজ পাতা হয়ে স্নিগ্ধ ছায়া দেবে রুদ্র

হে অরণ্যকন্যা নিজেকে তোমার সামনে দাঁড় করালাম হে অরণ্যকন্যা তোমার ঝাপসা-ঝাপসা ভুরু রেখা ফোলা-ফোলা চোখের পাতায় যে-তীক্ষ্ম চাহনি বুকের ভেতরে গিয়ে বিঁধে সে আমার

উভয়সঙ্কট আমিনুল ইসলাম ভয় ছিলÑ স্বপ্নের ভূগোল থেকে হারিয়ে যাবে শ্রাবণের নদী পোয়াতিধানের মাঠ চাঁদনীরাতের মেঘ-ছায়া আড়াল; ভয় ছিলÑ মনের ভুলে খুইয়ে ফেলবো

সনতোষ বড়ুয়া এক. একটি ছড়া হালের হলে একটি ছড়া কালের, একটি ছড়া মিষ্টি মধুর একটি হবে ঝালের। কালের কথা বলবে ছড়া হাল

মনে রেখো ঘাসফুল রজব বকশী মনে রেখো ঘাসফুল ফড়িঙের গান মনে রেখো একসাথে পথে বহুদূর ভোরের শিশির ধোঁয়া ঝলমল দিন মৃদুমন্দ বাতাসের আদর চুম্বন

অনুবাদ : খান মোহাম্মদ ফারাবী (মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে সেপ্টেম্বর মাসে যশোর রোডের শরণার্থী শিবিরগুলো ঘুরে দেখেছিলেন বিট প্রজন্মের খ্যাতিমান কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ। আমাদের স্বাধীনতা

আগস্ট এভিনিউ সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল সেনা নিবাসের বাইরে অশ্লীল অংকে তুমুল বৃষ্টি কাঁচের টুকরো টুকরো বৃষ্টি ফেটে ফুটে গড়াগড়ি খাচ্ছে রক্তবৃষ্টি, কাঁটাবৃষ্টি এবং কেঁচো।

আমার কবিতা যেন থাকে দুধেভাতে জোর্তিময় নন্দী কঠিন কবিতা লেখে সুকবি বন্ধুরা। বেশুমার শব্দ নিয়ে জাগলিং করে প্রতœ আর সান্ধ্য ভাষা, গিটার তম্বুরা গলাগলি

৪৫৪ দলা মোচড়ানো কাগজের পাতাÑ খুলে পাই মুখোশের জালে মানুষের মুখ, প্রেমের কাহিনি যমুনায়, রাধা কি বুঝেছে কাগজি অন্তর ফোঁড়ে কতটা অসুখ! ৪৫৫ কী

বিভ্রম সত্যি বলছি ফিরে যাবো তোমার কাছে যদি না ডাকতে পারো আগের মতোন বুকের মাঝে আগলে রেখে ঠিক দেখাবো ভালোবাসার নীল জোনাকি কেমন করে পুচ্ছে

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে