
পদাবলি (ডিসেম্বর ২০২৫ সংখ্যা)
একটি অনূদিত বাংলাদেশ সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল জন্মের বহু বছর আগে আমি একবার ভাষার জন্য ভীষণ কেঁদেছিলাম, ‘একটা ভাষার মধ্যে সব ভাষাই থাকে’! আমার

একটি অনূদিত বাংলাদেশ সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল জন্মের বহু বছর আগে আমি একবার ভাষার জন্য ভীষণ কেঁদেছিলাম, ‘একটা ভাষার মধ্যে সব ভাষাই থাকে’! আমার

১ ভালো থেকো যতটা ভালো থাকা যায় ভুলনা যতো দিন মনে রাখা যায় ২ তুমি নও, ভালবাসাটা ছিলো মোর পুঁজি দেউলিয়া হয়ে শেষে নীরবে

ড. মোহাম্মদ আমীন অঁরু বাড়ি আনোয়ারা আঁর; বঁরো বাড়ি চন্দনাইশ, ছোডো চাচা থাই সাতকাইন্যা, বয়স উধা পঁচিশ-বাইশ। বোয়ালহালি মাইজ্জা আঁলি, ছোডু আঁলি রউজান, মনত

উৎপলকান্তি বড়ুয়া ইয়ান আঁরার চাটগাঁ, জে জে আইয়ুন জে জে আইয়ুন! চাইয়ুন!চাইয়ুন! আস্তে নামন চাইয়ুন বদ্দা চাইয়ুন!! খাইবান কচুর লতি ওয়া দইজ্জার তাজা

অক্ষর বিন্যাস.. ৫+৭+৫+৭+৭) ১। ভাগ্যবন্দি অতিসর্তক চোরাবালির ফাঁদ অতিহিসাবি শুভঙ্করের ফাঁকি অপরিণামদর্শী। ২। বিশ্বাসী উঠবেই জেগে নিমজ্জিত চেতনা ভাসাবে মন ঝলমল

ডানকিনে কফির পেয়ালায় এই প্রশস্ত বিকেলের আকাশে মুমূর্ষু রোগীর মতো নিস্তব্ধ শুয়ে আছে মেঘ। আর তার চোখ থেকে ঝরে পড়া জলে ভিজে গেছে ম্যাপলের

ইতিহাস সনতোষ বড়ুয়া ইতিহাস তো রয়ে গেল ইতিহাসের পাতায় কেমন করে এমন হল ঢুকছে না তো মাথায়। জানান দেয়ায় ফাঁকি ছিল, কার কি

সুতোয় বাঁধা পতাকা পতাকা শুকায়- লাল রঙটা এখনো ভেজা, সবুজটা শুকিয়ে গেছে আগেই। একজন দর্জি বলল, “এই কাপড় বদলিও না, সেলাইয়ের দাগেই

কাল সবাই আছে কিনা তা তো জানিনা তবে অনেকে কিন্তু আছে! মুখে কাপড় দিয়ে আমি সোজাসাপটা, ঘোরপ্যাঁচেও নেই সবার দেখি মুখে মুখোশ, ঘামের গন্ধে,

অনুরাগ সুইচ-অফ চাঁদ নিয়ে দুহাতে সাঁঝ এসে ছুঁয়ে যায় ঘামঘাম দুপুরের হাত; কুয়াশার মোহনায় বসে সেই দৃশ্য দ্যাখে নদীমাতৃক হাওয়া; হাওয়ার শরীর জুড়ে মেঘনা-যমুনা

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে