
স্বপন দত্ত-এর গুচ্ছ কবিতা
শ্লীলতার লেবেনচুষ অকস্মাৎ ঘূর্ণিবাত্যা ঝড়ে, চতুষ্পাটি তছনছ – নির্মাণের খুঁটি যায় ধসে, খুটিনাটি তাণ্ডব-উৎসব । কম্পমান লোকালয় দাউ দাউ। জান্তব দাহন, বজ্রাঘাত, রাক্ষুসী

শ্লীলতার লেবেনচুষ অকস্মাৎ ঘূর্ণিবাত্যা ঝড়ে, চতুষ্পাটি তছনছ – নির্মাণের খুঁটি যায় ধসে, খুটিনাটি তাণ্ডব-উৎসব । কম্পমান লোকালয় দাউ দাউ। জান্তব দাহন, বজ্রাঘাত, রাক্ষুসী
১. নেই ঘুম চোখে নেই সুখ বুকে নেই কোন অবসর আছে শত কথা শুধু ব্যাকুলতা বিরহের বালুচর কাটে না কিছুতেই এই প্রহর ২. ভোর

হারিয়ে ফেলেন খেই উৎপলকান্তি বড়ুয়া ছাগলনাইয়ায় ছাগল কি নেই জায়গাটা কি চিনতে? বাগের হাটে সোদরবনের বাঘ পাওয়া যায় কিনতে? পাহাড়তলীর পাহাড় দেখতে হয়

হাতছানি শঙ্খশুভ্র পাত্র উৎসাহ হারিয়ে গেছে তেমন সাহসী নই, ভীতু সেই এক ঢঙে লিখি বাস করি পুরাতন গৃহে ভাঙা টঙে হুড়মুড় করে ঢোকে পাজি

জলে ভেসে ভেসে আমি এই উদ্দেশ্যহীন মায়ার দিকে যেতে যেতে যদি আর ফিরে না আসি তবে জেনো নির্জনতা পাথরের মতো চেপে ধরেছিল আমি ও

ঘুড়ি ছাগলের বাস্তবতা ওড়ো, উড়তে উড়তে আকাশের শেষ সীমা পর্যন্ত উড়তে থাকো। যেখানে মেঘেরাও পৌছঁতে পারে না। সেই অন্তহীন আকাশ মণ্ডল ঘুরে এসো।

১ যখন তুমি মিষ্টি ভোরে অঁাধার ফুড়ে আসো পাতার বনে অগোচরে আলতো করে হাসো প্রজাপতি রঙিন ডানায় একা উড়ে উড়ে ঘুরে বেড়াও অহরহ হৃদয় অন্তপুরে

তাকে কখনও না বলো না (হেলাল হাফিজ কবিবরেষু) রেজাউল করিম অশান্তিকে শান্তি মনে করে যাপিত জীবনান্তে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে এই ধরাতলে কেউ কেউ। যদি

১. কোন পিছুটান নেই মান অভিমান নেই ফুল আছে ঘ্রাণ নেই দেহ আছে প্রাণ নেই পাশে থেকে তুমি নেই দাড়াবার ভূমি নেই হারাবার কিছু

ঐ সব কথা মঈন চৌধুরী ঐ সব কথা, কবিতার কথা, প্রনয়ে উহ্য থাক, চেতনা বেচার বাজারে এখন প্রচুর রক্তপাত, অন্ধ স্বদেশ ভেঙে ফেল দ্বার

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে