
আলী তারেক পারভেজ এর অনুকাব্য
১. তোমারই জন্য একটি হৃদয় সাহসে আগ বেড়ে স্বপ্ন ছেঁায় জোছনায় জেগে থাকে সারা রাতভর বৈরী এই মন খানি ছেড়ে আছে ঘর ২. কইতে

১. তোমারই জন্য একটি হৃদয় সাহসে আগ বেড়ে স্বপ্ন ছেঁায় জোছনায় জেগে থাকে সারা রাতভর বৈরী এই মন খানি ছেড়ে আছে ঘর ২. কইতে

বাঁশের কেল্লায় জ্বলে ধ্রুবতারা হাফিজ রশিদ খান তিতুমির ছিলেন মানববোমা উপনিবেশিকতাকে করেননি ক্ষমা তাঁর রক্ত প্রগাঢ় স্বদেশভক্ত বাঁশের কেল্লায় গেঁথেছিলেন মুক্তির ধ্রুবতারা

অভ্যুত্থান কালে আমার মা—ভক্ত ছেলে সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত কী দেখে কী খেলে কিছু তার জানার নেই আমার স্মার্ট যুগ স্মার্ট পোলা আয়ুবুড়ো আমরা সেকেলে

ঘাটতি ছিল সনতোষ বড়ুয়া বুঝতে পারার ঘাটতি ছিল সুইচ ছিল না অন, উন্নয়নের চাইতে ভাল দেশের সুশাসন। কর্মচারী কর্তারা সব তাল দিয়েছে যত,

১. হয়তো অধিক কঠিন ছিলো স্বপন তরী বাওয়া কিংবা অধিক আপন সুরে নতুন গান গাওয়া ছিলো না তো অনুকূলে অচিন বৈরী হাওয়া সবার ওপর তুমি

সাঈদ, তোমায় স্যালুট আমিনুল ইসলাম বিদেশ চালায় প্রেমের গুলি ফেলানী হয় লাশ নিজ উঠোনে রাজার গুলি সাঈদ হারায় শ্বাস। সাঈদ কিন্তু লুটেরা নয় নয়

বেদনা পাখি তুমিইতো শুধু জানো পাখি হয়ে আমি আকাশে উড়ে বেড়াই, উড়তে উড়তে মেঘের কষ্টগুলো শুধু আমার পাখায় জড়াই। তুমি যখন তোমার

আলী তারেক পারভেজ এর অনুকাব্য ১. দূরের মানুষ কাছে এসে দূরের খবর কও বুকের মধ্যে বসে বলো কাছের মানুষ নও খুব নিবিড়ে ঠোঁট ঠুকে কও

কড়অর তলে ঢোলর বারি উৎপলকান্তি বড়ুয়া কঅন্ খেয়ালত্ কঅরে কতা কঅন্ খেয়ালত্ চলঅ, বুঝিত্ পারে পেন্ডা পোয়া উলঅমস্ত পল্—অ! মুখর হাসি মিয়াই দিলা মিডা

দ্রোহের আগুনে পুড়ে রূপক বরন বড়ুয়া আমার ডান হাতে সূর্য বাম হাতে চন্দ্র বুকে আগ্নেয়গিরি দুচোখে ধেয়ে আসে কেবল অন্ধকার। আমি আলোক চেয়েছি কারা

শাহেদ কায়েস নারীর ইতিহাস কোনো একরৈখিক অগ্রযাত্রা নয়—তা বহু পথে বয়ে চলা নদীর মতো, যেখানে সংগ্রাম, প্রেম, প্রতিরোধ, রাজনীতি, শ্রম, মাতৃত্ব, শিল্প, দর্শন ও

আন্দরকিল্লা ডেক্স : শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজভাবনামূলক কাগজ ‘আন্দরকিল্লা’র ইফতার আয়োজনে সম্পাদক মুহম্মদ নুরুল আবসার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আন্দরকিল্লা কোনো বলয়বদ্ধ সীমানায়

গৌতম কুমার রায় বিংশ শতাব্দী বিদায় হওয়ার পরে এসেছে একবিংশ শতাব্দী। বিজ্ঞান এগিয়েছে। সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে পুরুষ। কিন্তু নারী ! শুধু পিছিয়েছে নারী। কেন

কুমার প্রীতীশ বল ‘হৈ হৈ হৈ জুমত যেবং. জুমে যেইনে গচ্ছা সুদা তুলিবং. গচ্ছা সুদা তুলি নেই টেঙ্গা কামেবং।’ চাকমা এই গানটির বাংলা অনুবাদ

রওশন রুবী মহাশ্বেতা দেবী উপমহাদেশের একজন শক্তিমান ও প্রখ্যাত লেখক। তাঁর শতবর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সাহিত্য শব্দের সীমা অতিক্রম করে মানবতার গভীর নৈতিক শক্তিতে