এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

মুজিব ইরম এর গুচ্ছ কবিতা

আমকাঁঠালের দেশে

 

সন্ধ্যা নামে

আমজাম কাঁঠালের দেশে

আমার বেদনা বাড়ে

জালালী কৈতর ওড়ে কাজল বরণ

 

কেনো যে ডাকিছো তুমি

আম্র মুকুলের দিনে

সুমিষ্ট বাংলায়

 

তুমি তো জানোই

বিষন্ন ডাহুক আমি

তোমাকেই ডেকে ডেকে বিবাগী হয়েছি।

 

 

 

ফুল সুন্দরী

 

সুন্দরী গাছের ফুল

ফুটিছে দূর সুন্দরবনে

যাইনি কখনো আমি

তবু তারে ফুটিতে দেখেছি…

আগর ফুটেছে খুব

বনে আর মনে

কুঁচফুল ঝরে গেছে

ধরেছে রক্তিম ফল কিছুটা আড়ালে…

আহা গুস্তাভিয়া

পাতার আড়ালে থাকো

রোদ হয়ে ডাকো

নাম ধরে

ভুই চাঁপা

মাটিতে ফুটেছো তুমি

যেভাবে পাতার আগে

মাটি ফুঁড়ে

ফুটে ফুটে থাকো

লোকে ডাকে ভূমিচম্পা

বনেলা বনেলা রূপ

সুগন্ধি কুসুম…

বনের ভেতরে তুমি কেড়ে নাও ঘুম।

 

 

 

ফল মৌসুমের কবিতা

 

আমারে রাখিছে মনে আমের বাগান

তুমিও রাখিও

 

বৃষ্টি নামে হাঁড়িভাঙা আমের বাগানে

আম্রপালি, ফজলি বাগানে…

 

গুঁটিগুলো ভিজে ওঠে জলের জৌলুসে…

 

লিচু গাছে রং লাগিয়াছে

বারি-চারে ধরিয়াছে ঘোর

কাটিমন গাছে

ল্যাংড়া আমের দেহে

গৌড়মতি আশ্বিনা বাগানে ধরিয়াছে সুর…

 

লখনা বাগানে

কাটিনা আমের ডালে রোদ উঠিয়াছে…

হিমসাগরের দেহ পুরুষ্ট হয়েছে

লাগিয়াছে রোদ গোপালভোগ আমের শরীরে…

 

মধুমাস চলে যায়

মধুমেঘ জমে ওঠে আকাশে আকাশে…

 

বর্ষা নামে আমের বাগানে

বর্ষা নামে ভয়াবহ জখমি হৃদয়ে, ঘরছুট মনে।

 

পড়

 

কী আর করিবো আমি…

ফুল ফোটে

সুগন্ধ ছড়ায়

দেশি ও বৈদেশি

বনে বনে মনে মনে

তন কাঁপে

মন কাঁপে

আমি তারে লিখে রাখি

নানা রূপে

নানা ঢঙে

নানা অভিধায়

কাকুতি মিনতি করি

ভাইবন্ধু সখিগণে

পড়…

গন্ধ কই

রূপ কই

সকলে জিগায়…

 

আমার ব্যর্থতা আমি লিখে রাখি পাতায় পাতায়।

 

* মুজিব ইরম : যুক্তরাজ্য প্রবাসী কবি

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো