এখন সময়:- আজ: ---

এখন সময়:- আজ:
--

শোষণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় আরো একটি মুক্তিযুদ্ধ চাই (সেপ্টেম্বর ২০২৩ সংখ্যার প্রচ্ছদ ও সম্পাদকীয়)

বৃটিশ শাসন-শোষণ থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হলে মানুষের মনে এক ধরণের ধারণা জন্মেছিল যে, যাক এবার শোষণ মুক্ত হয়ে স্বাধীন জীবন যাপন করতে পারবো। দেশভাগের পাঁচ বছরের মাথায় পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক ও লুটেরার দল প্রথম আঘাত হানলো বাঙালির ভাষার উপর। বুকের তাজা রক্ত দিয়ে বাঙালি বুঝিয়ে দিল বাঙালি মাথা নত করে না। বাঙালি বীরের জাতি। সেটি আরো অনেক আগে বৃটিশদের দেখিয়ে দিয়েছিল সূর্যসেন-প্রীতিলতারা। সে যাই হোক। রক্তের বিনিময়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকেই বাঙালির মনে স্বাধীনতার সূর্য উঁকি মেরেছিল। তখন থেকেই শুরু হয় স্বাধীকার আন্দোলনের সূচনা। পশ্চিম পাকিস্তানিরা পূর্ব বাংলার মানুষদের সীমাহীন শোষণ ও নির্যাতনের মাত্রা যতই বাড়িয়ে দিল বাঙালির মানসপটও ততই দ্রোহের অনলে জ্বলে উঠছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ছয়দফা আন্দোলনের মাঝেই স্বাধীনতার স্বপ্নের বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল। উনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন বাংলার লাল সবুজের পতাকা পত পত করে ওড়ে। বাংলার দামাল ছেলেরা যে দ্রোহের তাড়নায় মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বৈষম্য ও শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সেটা প্রতিষ্ঠা হবার আগেই বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা। ভূলুণ্ঠিত হয় বাঙালির শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থা কায়েমের। নতুন নতুন সরকার আসে যায়। যে যার মতো দেশ চালায়। কিন্তু যে লক্ষ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, সে লক্ষ্য থেকে ক্রমাগত সবাই সরে যেতে থাকে। এখানে নতুন নতুন লুণ্ঠনকারী লুটেরা মাফিয়া গোষ্ঠী তৈরী হয়েছে। তারাই এদেশকে লুটেপুটে খাচ্ছে। ষোলো কোটি মানুষ অসহায়ের মতো লুণ্ঠনকারী মাফিয়া গোষ্ঠীর শোষণ প্রক্রিয়ায় পিষ্ট হতে হতে তাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে।
এখানে এখন একদল মানুষ রাতারাতি হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছে অনায়াসে অবলীলায়। আর টাকাগুলো দেশে না রেখে বিদেশে পাচার করে দিচ্ছে। আরেকদিকে কোটি কোটি মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এমতাবস্থায় এখন আমাদের আরেকজন শেখ মুজিবের দরকার। যার ডাকে মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়বে বৈষম্য ও শোষনহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার। আমার মনে হয় সেদিন আর বেশি দূরে নয়। আমি শোষিতের পক্ষে, আপনি?

‘কল্লোল যুগের পরে’ অগ্রগতি’র কথা

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান’র আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

অপূর্ণতার ভেতর পূর্ণ এক সৃজনযাত্রা : কামরুল হাসান বাদল

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

উদীচী’র সুর-আলেখ্য ‘একতারা ও রবীন্দ্র – বীণা’র অনুরণন

অনিন্দিতা অনি   অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

চক্র

সৈয়দ মনজুর কবির   দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো