
জাতির জনকের হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কুশীলবদের সন্ধানে
ড. ইলু ইলিয়াস : ১৫ আগস্ট ১৯৭৫, বাঙালির জাতীয় জীবনের সবচেয়ে শোকাবহ দিন। এদিন পরিবার-পরিজনদের বহু সদস্যসহ চরম নির্মমতায়, নৃশংসভাবে ঘাতকের বুলেট বিদ্ধ হয়ে নিহত

ড. ইলু ইলিয়াস : ১৫ আগস্ট ১৯৭৫, বাঙালির জাতীয় জীবনের সবচেয়ে শোকাবহ দিন। এদিন পরিবার-পরিজনদের বহু সদস্যসহ চরম নির্মমতায়, নৃশংসভাবে ঘাতকের বুলেট বিদ্ধ হয়ে নিহত


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ট্যাজেডি যে আকস্মিক কোন ঘটনা নয় তা ইতোমধ্যে নানা গবেষণা এবং লেখা-লেখিতে স্পষ্ট হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের যাতে কোন বিচার না হয়


সুলতানা কাজী : শিক্ষক তিনি, যিনি তাঁর অনুসারীদের জ্ঞান ও ন্যায় দীক্ষা দেন, শিক্ষাদানের মহান ব্রতকে জীবনের পাথেয় করেন এবং জাতি গঠনের কারিগরি দক্ষতা দেখান।

সেলিনা শেলী : আবৃত্তি একটি হৃদয়- সঞ্জাত মাধ্যম।মানুষ তার সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুভূতির চর্চার মাধ্যমে কবিতা হৃদয়ঙ্গম করে। কবিতার শব্দ ছাড়া আর কোনো অস্ত্র নেই। একটা গানে

অমল বড়ুয়া : মানবজাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বিবাহ নামক পুত-পবিত্র ও শুদ্ধতম সামাজিক রীতি। আর এই বিয়ের সাথে

রোখসানা ইয়াসমিন মণি : আমাকে থানায় নেয়ার পর বাসায় কী হয়েছে জানা যায়নি। বলতে গেলে জানতে দেয়া হয়নি। কত বলেছি পুলিশ অফিসারকে একটি কল করার

মনি হায়দার: আমি ঢাকা শহরের মাথায় মুততে চাই ছবির হাটে জাকিরের চায়ের দোকানের বাদাম গাছটার গায়ে পিঠ ঠেকিয়ে গুড়ের চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে ভাবে

আগস্ট এভিনিউ সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল সেনা নিবাসের বাইরে অশ্লীল অংকে তুমুল বৃষ্টি কাঁচের টুকরো টুকরো বৃষ্টি ফেটে ফুটে গড়াগড়ি খাচ্ছে রক্তবৃষ্টি, কাঁটাবৃষ্টি এবং কেঁচো।

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো