
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে অতিক্রম করে তবে কি হবে?
জাওয়াদ ওসমান কয়েক বছর আগেও আমরা বিশ্বাস করতাম, শুধু মানুষই বুঝি সাহিত্য সৃষ্টি করতে পারে, আবেগের গান লিখতে পারে, গিবলি স্টাইলে চমৎকার এনিমেটেড ছবি আঁকতে

জাওয়াদ ওসমান কয়েক বছর আগেও আমরা বিশ্বাস করতাম, শুধু মানুষই বুঝি সাহিত্য সৃষ্টি করতে পারে, আবেগের গান লিখতে পারে, গিবলি স্টাইলে চমৎকার এনিমেটেড ছবি আঁকতে

নিখিল রঞ্জন দাশ আজকাল এম.এ.আজিজ স্টেডিয়ামে গেলেই একটা নষ্টালজিয়ায় মনটা ছেয়ে যায়,ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই দিনগুলোতে যখন হাঁটিহাঁটি পা পা করে এই কংক্রীট ঘেরা চত্ত্বরে

লুৎফর রহমান রিটন আমার ছেলেবেলাটা ঝাপসা আর ধুসর হয়ে যাচ্ছে। ঝাপসা আর ধুসর হয়ে যাচ্ছে আমার কৈশোরটা। আমার যৌবনটা। আমার বর্ণালি শৈশব আর স্বর্ণালি যৌবনের

হোসেইন আজিজ বৃষ্টিভেজা এক সন্ধ্যা। আকাশে মেঘের ঘনঘটা, যেন কিছু একটা ঘটতে চলেছে আজ। সব টেলিভিশন চ্যানেল আর সামাজিক মাধ্যমে বারবার ভেসে আসছে এক জরুরি

ইয়াছিন ইবনে ফিরোজ তিন বছর পর দেশে ফিরল হিমেল। লন্ডনের বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে ঢাকায় নেমেই প্রথম যাকে ফোন করেছিল সে আদিল।

অনন্ত পৃথ্বীরাজ তখন বিকেল। জাফর সাহেব বাজারে যাবেন। তাই কার কী লাগবে জানতে চাইলেন। লিস্ট থাকলে বাজার করতে সুবিধে হয়। ‘দাদু, তোমার আব্বুকে বলো আমার

বিশ্বজিৎ মন্ডল টারকুইজ কালারের শার্টটায় বেশ মানিয়েছে অরিঘ্নকে। স্টেজের দিকে নয় অ্যাংকারের দিকে তাকিয়ে আছে ঝরনা। স্কুলের বার্ষিক স্কুলের অনুষ্ঠানে অ্যাংকারিং করছে অরিঘ্ন। তার

জিল্লুর রহমান শুভ্র জাদুঘরের মতো দাঁড়িয়ে আছে লালটিনের ডাকঘর; তার সামনে এসে কপালের ঘাম মোছার পর দীর্ঘশ্বাস ফেলল ফাতিমা, ’এ দুনিয়ায় আমার কে আছে বল?’

অনুবাদ: জ্যোতির্ময় নন্দী [উর্দু সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুলালোচিত গল্পকার গুলাম আব্বাসের জন্ম ১৯০৯ সালে অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরে। উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালেই

শিশুগান ও অর্জুনের ছায়া হামিদ রায়হান নক্ষত্র ডুবে গেলে আমি তাকাই না আকাশে, আমি শুনি মাটির ভেতরে পচে যাওয়া কালের ফিসফাস। সেখানে স্রোত নেই,

আলম খোরশেদ তাঁর কথা প্রথম শুনি স্বয়ং পিতৃদেবের মুখে। একই এলাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ দুজনেই, তদুপরি লতায় পাতায় কীরকম যেন আত্মীয়ও। এই নিয়ে একধরনের চাপা গর্বও

শোয়েব নাঈম চন্দন দা’ (ডা. চন্দন দাশ) অভূতপূর্ব মানসিক অনুরণনে আমার মধ্যে বহু বছর আগেই বসন্তের এক রেশ রেখে গেছেন। তাঁর বসন্তের এই রেশ ছিল

কামরুল হাসান বাদল বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তর একবারই এসেছিল, সে একাত্তর গৌরবের, সে একাত্তর অহংকারের। সে একাত্তর আর কখনও বাঙালির জীবনে আসবে না।

সুমন বনিক মহেড়া জমিদার বাড়ির নামটি অনেক আগেই জানা ছিল, কিন্তু দেখা হয়নি। ইতিহাসের মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে এর মানিকরতœ উদঘাটন করা ঊর্মিলা (আমার স্ত্রী)’র স্বভাবজাত

সৈয়দ মনজুর কবির এমনিতেই সরু গলি, কি বুঝে ফায়ার ব্রিগেড এর মাঝারি সাইজের পেট মোটা ওয়াটার ওয়াগনটা ঢ়–কলো তা দামালের বোধগম্য হচ্ছে না। অফিসের গাড়ি