
দুপুর রঙের বৃষ্টি (পর্ব-১৫)
রাজকুমার শেখ আজ ও সকাল সকাল কলেজ বের হল। সকালে আজ তেমন কিছু খেতে পারলো না। গত কাল বৃষ্টিতে সব কেমন যেন ভিজে ভিজে। রাস্তাতে

রাজকুমার শেখ আজ ও সকাল সকাল কলেজ বের হল। সকালে আজ তেমন কিছু খেতে পারলো না। গত কাল বৃষ্টিতে সব কেমন যেন ভিজে ভিজে। রাস্তাতে

রাজকুমার শেখ নাদিরা আজ অনেক ভোরে উঠেছে। আম বাগানে একটা কোকিল ডাকছে। ও যেন কি একটা হারিয়ে ফেলেছে? থামবার ফুরসত নেই যেন। নাদিরা ওর ডাক

রাজ কুমার শেখ বৃষ্টি পড়লেই নাজের মন খারাপ হয়ে যায়। সে কোথাও বের হতে পারে না। ভাবনার জাল বুনে চলে সারাক্ষণ। সব হাবিজাবি কথা। পুরোনো

রাজ কুমার শেখ : নাজের ঘুম ভাঙে অনেক বেলায়। আজ রমি আসবে বলেছে। মিনাও আসতে পারে। গত রাতে যা ঘটেছে তা এখন ও মনে করতে

রাজকুমার শেখ : কদিন ধরেই ওর নোরিন ফুপুকে কেমন অন্য মনস্ক লাগছে। আজ খুব সকালে কোথায় যেন গেছিলো। নাজ অত সকালে না উঠলে মনে হয়

রাজকুমার শেখ : গতকাল বৃষ্টিতে ভিজে নাজের ঠান্ডা লেগেছে। আজ ওর কলেজ যেতে ইচ্ছে করছে না। আজ ঘুম থেকে উঠতে দেরি হল। আম বাগানে রোজ

রাজকুমার শেখ: নোরিন ফুপু বেশ কয়েকবার তাকে ডেকে গেছে। কিন্তু সে উঠবো উঠবো করে এখনো ওঠেনি। আম বাগানে একটা মৌটুসী ডাকছে। ওকে ডাকবার সময় পুবের

রাজকুমার শেখ : পাখিটা ডেকেই চলেছে। ভোর ভোর একটা ভাব। এখনো অনেক রাত। আসগর আলির ঘুম আসে না। কি জানি একটা চিন্তা মাথার মধ্যে ঘুরপাক

রাজ কুমার শেখ : নাজ দাঁড়িয়ে ছিল কলেজের গেটের সামনে। আজও একটু আগেই বের হল কলেজ থেকে। রমি আসবে বলেছে। কিন্তু এত দেরি করছে কেন

রাজ কুমার শেখ : আজ তার মাথার ভেতর শুধু একটি কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। শান্তি কী? এ কথার উত্তর দিতে পারেনি আসগর আলি। নাদিরা তার মুখেই

ইসরাইল খান এই রচনাটির শিরোনাম হতে পারে—‘ত্রিশের দশকের সাহিত্যান্দোলন ও সাপ্তাহিক অগ্রগতি (১৯৩৫-৩৯)’। কিন্ত তার দরকার নেই । ‘অগ্রগতির কাহিনী’ নামে গল্পটা বলি—। ঊনিশ শতকে

তরুণ লেখক আতিকুর রহমান আতিক’র লেখা আরবে মুসাফির গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর পিটস্টপ হল রুমে আবির প্রকাশন-এর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ নুরুল আবসার’র

এজাজ ইউসুফী কোনো লেখককে মূল্যায়ন করা সহজ নয়, বিশেষত যখন তার সৃজনী কাজের বিস্তার একক কোনো সাহিত্যধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। কবিতা, গল্প, ছড়া, প্রবন্ধ,

অনিন্দিতা অনি অন্ধকার মঞ্চ। শিল্পীবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন, সঙ্গে তালবাদকেরা। হঠাৎ মঞ্চের মাঝখানে গোল হয়ে নেমে এলো এক আলোকরশ্মি। দুহাত তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক

সৈয়দ মনজুর কবির দরজায় অনবরত হাত চাপড়ানোর ধুপ ধুপ শব্দে সিহাবের সকালের মজার ঘুমটা যায় ভেঙে। মেজাজটা যায় বিগড়ে। এভাবে দরজায় শব্দ তো কারো